প্রশাসন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: ডা. তাহের
- আপডেট সময় : ০৭:২৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে

দেশের প্রশাসন ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের আচরণ একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
ডা. তাহের বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের, যারা একই সঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা করা হলেও আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও প্রটোকল দেওয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতির পরিপন্থী।
ডা. তাহের বলেন, নিরাপত্তা বা প্রটোকলে আপত্তি নেই, তবে একটি প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের ক্ষেত্রেও একই আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এটি পক্ষপাতমূলক আচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৈষম্যের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ভেঙে পড়বে এবং জাতি একে পক্ষপাতমূলক অপরাধ হিসেবে দেখবে।
তিনি জানান, এসব বিষয় সরাসরি প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন কার্যকর ভূমিকা না নিলে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে, প্রধান উপদেষ্টা ব্যক্তিগতভাবে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চান, তবে তার আশপাশের কিছু উপদেষ্টা তাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ডা. তাহের। তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা মন্ত্রিপরিষদ পর্যায়ে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে আশ্বস্ত করেছেন এবং প্রয়োজনীয় অর্থও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
ডা. তাহের বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হলে এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হবে। এজন্য প্রধান উপদেষ্টাকে আগাম ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।


























