ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী লাঠি মিছিল ডোমারে মাদক সম্রাজ্ঞী আটক, ৩০টির বেশি মামলা মেয়েকে জড়িয়ে মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তুলে প্রতিষ্ঠানে মবের চেষ্টা পিরোজপুরে জিয়া মঞ্চের কর্মী সভা স্থগিতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন হাতিয়ায় মৃত কৃষকের পরিবার পেল দেড় লাখ টাকার বিমার চেক গাইবান্ধায় ২ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার   ক্যাশমেমো ছাড়া সার বিক্রি, দুই বিসিআইসি ডিলারকে ৪২ হাজার টাকা জরিমানা সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী মশাল মিছিল গাইবান্ধায় হেরোইন-ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ভূমি গবেষক সেলিমের ‘ডিজিটাল ভূমি কার্ড’ উদ্ভাবন, অবসান হবে ‘জোর যার মুলুক তার’ নীতি

গাইবান্ধায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০২:৩৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৩ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস জালিয়াতি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা শহরের গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সামনে কাচারী বাজার চত্বরে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সমাজের ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে শিক্ষক সমন্বয়ক আবুল বাশার, শিক্ষক তাজুল ইসলাম তমাল, আব্দুল মন্তাকিম, শিক্ষার্থী সাব্বির আহম্মেদ মুকুট, মোকাব্বির, সাগর ইসলাম, মেহেদী হাসান, আশা খাতুনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহারসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, যা পুরো পরীক্ষার বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এ অবস্থায় পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পরীক্ষার আয়োজন করা জরুরি।

তারা বলেন, ভবিষ্যতে সব চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় আয়োজন করতে হবে এবং প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ডিভাইস শনাক্তকারী যন্ত্র ও নেটওয়ার্ক জ্যামার স্থাপন নিশ্চিত করতে হবে, যাতে কোনো ধরনের প্রযুক্তিগত জালিয়াতির সুযোগ না থাকে।

বক্তারা আরও দাবি করেন, সব নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের জন্য একটি স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ কমিটি গঠন করতে হবে এবং একই দিনে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা নেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে। এতে পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার হবে।

এছাড়া অতীতে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ রয়েছে এমন কোনো প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতে প্রশ্ন প্রণয়ন বা পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট কাজে যুক্ত না করার দাবি জানান তারা। প্রশ্ন ফাঁস প্রমাণিত হলে এর সঙ্গে জড়িত সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনার পাশাপাশি দায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে পদত্যাগ করার আহ্বান জানান বক্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

গাইবান্ধায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০২:৩৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস জালিয়াতি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা শহরের গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সামনে কাচারী বাজার চত্বরে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সমাজের ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে শিক্ষক সমন্বয়ক আবুল বাশার, শিক্ষক তাজুল ইসলাম তমাল, আব্দুল মন্তাকিম, শিক্ষার্থী সাব্বির আহম্মেদ মুকুট, মোকাব্বির, সাগর ইসলাম, মেহেদী হাসান, আশা খাতুনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহারসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, যা পুরো পরীক্ষার বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এ অবস্থায় পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পরীক্ষার আয়োজন করা জরুরি।

তারা বলেন, ভবিষ্যতে সব চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় আয়োজন করতে হবে এবং প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ডিভাইস শনাক্তকারী যন্ত্র ও নেটওয়ার্ক জ্যামার স্থাপন নিশ্চিত করতে হবে, যাতে কোনো ধরনের প্রযুক্তিগত জালিয়াতির সুযোগ না থাকে।

বক্তারা আরও দাবি করেন, সব নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের জন্য একটি স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ কমিটি গঠন করতে হবে এবং একই দিনে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা নেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে। এতে পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার হবে।

এছাড়া অতীতে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ রয়েছে এমন কোনো প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতে প্রশ্ন প্রণয়ন বা পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট কাজে যুক্ত না করার দাবি জানান তারা। প্রশ্ন ফাঁস প্রমাণিত হলে এর সঙ্গে জড়িত সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনার পাশাপাশি দায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে পদত্যাগ করার আহ্বান জানান বক্তারা।