ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী লাঠি মিছিল ডোমারে মাদক সম্রাজ্ঞী আটক, ৩০টির বেশি মামলা মেয়েকে জড়িয়ে মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তুলে প্রতিষ্ঠানে মবের চেষ্টা পিরোজপুরে জিয়া মঞ্চের কর্মী সভা স্থগিতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন হাতিয়ায় মৃত কৃষকের পরিবার পেল দেড় লাখ টাকার বিমার চেক গাইবান্ধায় ২ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার   ক্যাশমেমো ছাড়া সার বিক্রি, দুই বিসিআইসি ডিলারকে ৪২ হাজার টাকা জরিমানা সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী মশাল মিছিল গাইবান্ধায় হেরোইন-ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ভূমি গবেষক সেলিমের ‘ডিজিটাল ভূমি কার্ড’ উদ্ভাবন, অবসান হবে ‘জোর যার মুলুক তার’ নীতি

তীব্র শীতে গঙ্গাচড়ায় ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানে ক্রেতার চাপ

রংপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় গরম কাপড়ের বাজারে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। প্রতিদিন বিকেল গড়ালেই উপজেলার বিভিন্ন সড়কের ফুটপাত ও অস্থায়ী দোকানগুলোতে গরম কাপড় কিনতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। ক্রেতাদের মধ্যে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের উপস্থিতিই বেশি।

ফুটপাতজুড়ে সাজানো দোকানগুলোতে সোয়েটার, জ্যাকেট, হুডি, শিশুদের শীতের পোশাক, শাল ও কম্বলসহ নানা ধরনের গরম কাপড় বিক্রি হচ্ছে। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ব্যস্ততায় এলাকাজুড়ে যেন অস্থায়ী এক শীতের বাজার বসে যায়। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের গরম কাপড়ের চাহিদা তুলনামূলক বেশি। স্বল্প দামে প্রয়োজনীয় পোশাক পাওয়া যায় বলে অনেকেই ফুটপাতের দোকানকেই বেছে নিচ্ছেন।

স্থানীয় কয়েকজন বিক্রেতা জানান, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি বেড়েছে। সন্ধ্যার পর ক্রেতার চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। তবে আগের বছরের তুলনায় গরম কাপড়ের দাম কিছুটা বেড়েছে, যা বিক্রিতে প্রভাব ফেলছে বলে তারা জানান।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে গরম কাপড়ের দাম মোটামুটি সহনীয় হলেও পরিবারের সব সদস্যের জন্য একসঙ্গে কেনাকাটা করতে গিয়ে অনেককেই বাড়তি চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের ধারণা, শীতের প্রকোপ আরও বাড়লে গঙ্গাচড়ার ফুটপাতের গরম কাপড়ের বাজারে ক্রেতার ভিড় আরও বাড়বে।

এদিকে রংপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার সকাল ছয়টায় রংপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় মৃদু বাতাসও ছিল।

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ট্যাগ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে উপকারভোগীদের জন্য অতিরিক্ত শীতবস্ত্র ও কম্বলের চাহিদা জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে আরও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

তীব্র শীতে গঙ্গাচড়ায় ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানে ক্রেতার চাপ

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় গরম কাপড়ের বাজারে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। প্রতিদিন বিকেল গড়ালেই উপজেলার বিভিন্ন সড়কের ফুটপাত ও অস্থায়ী দোকানগুলোতে গরম কাপড় কিনতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। ক্রেতাদের মধ্যে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের উপস্থিতিই বেশি।

ফুটপাতজুড়ে সাজানো দোকানগুলোতে সোয়েটার, জ্যাকেট, হুডি, শিশুদের শীতের পোশাক, শাল ও কম্বলসহ নানা ধরনের গরম কাপড় বিক্রি হচ্ছে। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ব্যস্ততায় এলাকাজুড়ে যেন অস্থায়ী এক শীতের বাজার বসে যায়। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের গরম কাপড়ের চাহিদা তুলনামূলক বেশি। স্বল্প দামে প্রয়োজনীয় পোশাক পাওয়া যায় বলে অনেকেই ফুটপাতের দোকানকেই বেছে নিচ্ছেন।

স্থানীয় কয়েকজন বিক্রেতা জানান, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি বেড়েছে। সন্ধ্যার পর ক্রেতার চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। তবে আগের বছরের তুলনায় গরম কাপড়ের দাম কিছুটা বেড়েছে, যা বিক্রিতে প্রভাব ফেলছে বলে তারা জানান।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে গরম কাপড়ের দাম মোটামুটি সহনীয় হলেও পরিবারের সব সদস্যের জন্য একসঙ্গে কেনাকাটা করতে গিয়ে অনেককেই বাড়তি চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের ধারণা, শীতের প্রকোপ আরও বাড়লে গঙ্গাচড়ার ফুটপাতের গরম কাপড়ের বাজারে ক্রেতার ভিড় আরও বাড়বে।

এদিকে রংপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার সকাল ছয়টায় রংপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় মৃদু বাতাসও ছিল।

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ট্যাগ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে উপকারভোগীদের জন্য অতিরিক্ত শীতবস্ত্র ও কম্বলের চাহিদা জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে আরও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।