ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে পাননি পাঁচ চিকিৎসককে, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মিশিগানে আগের দিন ওবামা, পরদিন ট্রাম্প সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গাজায় নিজের সেনাসন্তান নিহত হওয়াতেই কি রাজনীতিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন আইজেনকট বাংলাদেশের শিক্ষক থেকে যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থী, আমার অভিজ্ঞতা পাখি তো আকাশেই সুন্দর রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কা, তিনজন নিহত মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের মেডিক্যাল পরীক্ষা ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু অফিস থেকে হেঁটে বাসায় যাচ্ছিলেন যুবক, ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত গুলশান-বনানীর পাঠকদের হাতের নাগালে বইয়ের সম্ভার

তীব্র শীতে গঙ্গাচড়ায় ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানে ক্রেতার চাপ

রংপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় গরম কাপড়ের বাজারে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। প্রতিদিন বিকেল গড়ালেই উপজেলার বিভিন্ন সড়কের ফুটপাত ও অস্থায়ী দোকানগুলোতে গরম কাপড় কিনতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। ক্রেতাদের মধ্যে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের উপস্থিতিই বেশি।

ফুটপাতজুড়ে সাজানো দোকানগুলোতে সোয়েটার, জ্যাকেট, হুডি, শিশুদের শীতের পোশাক, শাল ও কম্বলসহ নানা ধরনের গরম কাপড় বিক্রি হচ্ছে। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ব্যস্ততায় এলাকাজুড়ে যেন অস্থায়ী এক শীতের বাজার বসে যায়। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের গরম কাপড়ের চাহিদা তুলনামূলক বেশি। স্বল্প দামে প্রয়োজনীয় পোশাক পাওয়া যায় বলে অনেকেই ফুটপাতের দোকানকেই বেছে নিচ্ছেন।

স্থানীয় কয়েকজন বিক্রেতা জানান, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি বেড়েছে। সন্ধ্যার পর ক্রেতার চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। তবে আগের বছরের তুলনায় গরম কাপড়ের দাম কিছুটা বেড়েছে, যা বিক্রিতে প্রভাব ফেলছে বলে তারা জানান।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে গরম কাপড়ের দাম মোটামুটি সহনীয় হলেও পরিবারের সব সদস্যের জন্য একসঙ্গে কেনাকাটা করতে গিয়ে অনেককেই বাড়তি চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের ধারণা, শীতের প্রকোপ আরও বাড়লে গঙ্গাচড়ার ফুটপাতের গরম কাপড়ের বাজারে ক্রেতার ভিড় আরও বাড়বে।

এদিকে রংপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার সকাল ছয়টায় রংপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় মৃদু বাতাসও ছিল।

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ট্যাগ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে উপকারভোগীদের জন্য অতিরিক্ত শীতবস্ত্র ও কম্বলের চাহিদা জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে আরও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

তীব্র শীতে গঙ্গাচড়ায় ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানে ক্রেতার চাপ

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় গরম কাপড়ের বাজারে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। প্রতিদিন বিকেল গড়ালেই উপজেলার বিভিন্ন সড়কের ফুটপাত ও অস্থায়ী দোকানগুলোতে গরম কাপড় কিনতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। ক্রেতাদের মধ্যে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের উপস্থিতিই বেশি।

ফুটপাতজুড়ে সাজানো দোকানগুলোতে সোয়েটার, জ্যাকেট, হুডি, শিশুদের শীতের পোশাক, শাল ও কম্বলসহ নানা ধরনের গরম কাপড় বিক্রি হচ্ছে। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ব্যস্ততায় এলাকাজুড়ে যেন অস্থায়ী এক শীতের বাজার বসে যায়। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের গরম কাপড়ের চাহিদা তুলনামূলক বেশি। স্বল্প দামে প্রয়োজনীয় পোশাক পাওয়া যায় বলে অনেকেই ফুটপাতের দোকানকেই বেছে নিচ্ছেন।

স্থানীয় কয়েকজন বিক্রেতা জানান, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি বেড়েছে। সন্ধ্যার পর ক্রেতার চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। তবে আগের বছরের তুলনায় গরম কাপড়ের দাম কিছুটা বেড়েছে, যা বিক্রিতে প্রভাব ফেলছে বলে তারা জানান।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে গরম কাপড়ের দাম মোটামুটি সহনীয় হলেও পরিবারের সব সদস্যের জন্য একসঙ্গে কেনাকাটা করতে গিয়ে অনেককেই বাড়তি চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের ধারণা, শীতের প্রকোপ আরও বাড়লে গঙ্গাচড়ার ফুটপাতের গরম কাপড়ের বাজারে ক্রেতার ভিড় আরও বাড়বে।

এদিকে রংপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার সকাল ছয়টায় রংপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় মৃদু বাতাসও ছিল।

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ট্যাগ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে উপকারভোগীদের জন্য অতিরিক্ত শীতবস্ত্র ও কম্বলের চাহিদা জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে আরও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।