ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী লাঠি মিছিল ডোমারে মাদক সম্রাজ্ঞী আটক, ৩০টির বেশি মামলা মেয়েকে জড়িয়ে মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তুলে প্রতিষ্ঠানে মবের চেষ্টা পিরোজপুরে জিয়া মঞ্চের কর্মী সভা স্থগিতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন হাতিয়ায় মৃত কৃষকের পরিবার পেল দেড় লাখ টাকার বিমার চেক গাইবান্ধায় ২ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার   ক্যাশমেমো ছাড়া সার বিক্রি, দুই বিসিআইসি ডিলারকে ৪২ হাজার টাকা জরিমানা সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী মশাল মিছিল গাইবান্ধায় হেরোইন-ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ভূমি গবেষক সেলিমের ‘ডিজিটাল ভূমি কার্ড’ উদ্ভাবন, অবসান হবে ‘জোর যার মুলুক তার’ নীতি

শিক্ষকতা পেশায় কর্মরত থাকায় জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন অবৈধ, দুইদিন পর বৈধ ঘোষণা

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি 
  • আপডেট সময় : ০৭:২৭:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমানের মনোনয়নপত্র প্রথমে অবৈধ ঘোষণা করা হলেও দুইদিন পর পুনর্বিবেচনায় বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মাজেদুর রহমানের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার কারণে মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে একটি এমপিওভুক্ত কলেজে শিক্ষকতা করছেন। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবে না, এজন্য প্রাথমিকভাবে তার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষকতা পেশায় সম্পৃক্ত থাকা সত্ত্বেও কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। এ প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও আইনগত দিক বিবেচনায় এনে পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য পর্যালোচনা শেষে তার মনোনয়ন বৈধ হিসেবে ঘোষণা দেন।

মনোনয়ন বৈধতা পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় মো. মাজেদুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ন্যায় ও ইনসাফে দৃঢ় বিশ্বাসী। আমরা সবসময় সৎ ও সত্যের পথে অটল থেকেছি, এবং বিশ্বাস করি যে শেষ পর্যন্ত সত্যেরই বিজয় হয়। আজকের সিদ্ধান্ত তারই প্রমাণ। সকল বাধা, অবহেলা ও ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ বিজয় শুধু আমার নয়, এটি ন্যায় ও সত্যের পক্ষের বিজয়, যা জনগণ ও দেশের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ।’

গাইবান্ধা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, মাজেদুর রহমানের মনোনয়ন প্রথমে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার কারণে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে পুনরায় যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পর্যালোচনার পর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গাইবান্ধা-১ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, বিএনপির মনোনীত অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী, জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, আমজনতার দলের মো. কওছর আজম হান্নু, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) পরমানন্দ দাস এবং এলডিপির মো. শরিফুল ইসলাম। অপরদিকে চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন জাতীয় পার্টির মো. মাহফুজুল হক সরদার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রমজান আলী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন সরদার ও মোছা. ছালমা আক্তার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

শিক্ষকতা পেশায় কর্মরত থাকায় জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন অবৈধ, দুইদিন পর বৈধ ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৭:২৭:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমানের মনোনয়নপত্র প্রথমে অবৈধ ঘোষণা করা হলেও দুইদিন পর পুনর্বিবেচনায় বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মাজেদুর রহমানের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার কারণে মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে একটি এমপিওভুক্ত কলেজে শিক্ষকতা করছেন। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবে না, এজন্য প্রাথমিকভাবে তার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষকতা পেশায় সম্পৃক্ত থাকা সত্ত্বেও কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। এ প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও আইনগত দিক বিবেচনায় এনে পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য পর্যালোচনা শেষে তার মনোনয়ন বৈধ হিসেবে ঘোষণা দেন।

মনোনয়ন বৈধতা পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় মো. মাজেদুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ন্যায় ও ইনসাফে দৃঢ় বিশ্বাসী। আমরা সবসময় সৎ ও সত্যের পথে অটল থেকেছি, এবং বিশ্বাস করি যে শেষ পর্যন্ত সত্যেরই বিজয় হয়। আজকের সিদ্ধান্ত তারই প্রমাণ। সকল বাধা, অবহেলা ও ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ বিজয় শুধু আমার নয়, এটি ন্যায় ও সত্যের পক্ষের বিজয়, যা জনগণ ও দেশের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ।’

গাইবান্ধা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, মাজেদুর রহমানের মনোনয়ন প্রথমে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার কারণে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে পুনরায় যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পর্যালোচনার পর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গাইবান্ধা-১ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, বিএনপির মনোনীত অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী, জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, আমজনতার দলের মো. কওছর আজম হান্নু, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) পরমানন্দ দাস এবং এলডিপির মো. শরিফুল ইসলাম। অপরদিকে চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন জাতীয় পার্টির মো. মাহফুজুল হক সরদার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রমজান আলী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন সরদার ও মোছা. ছালমা আক্তার।