ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী লাঠি মিছিল ডোমারে মাদক সম্রাজ্ঞী আটক, ৩০টির বেশি মামলা মেয়েকে জড়িয়ে মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তুলে প্রতিষ্ঠানে মবের চেষ্টা পিরোজপুরে জিয়া মঞ্চের কর্মী সভা স্থগিতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন হাতিয়ায় মৃত কৃষকের পরিবার পেল দেড় লাখ টাকার বিমার চেক গাইবান্ধায় ২ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার   ক্যাশমেমো ছাড়া সার বিক্রি, দুই বিসিআইসি ডিলারকে ৪২ হাজার টাকা জরিমানা সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী মশাল মিছিল গাইবান্ধায় হেরোইন-ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ভূমি গবেষক সেলিমের ‘ডিজিটাল ভূমি কার্ড’ উদ্ভাবন, অবসান হবে ‘জোর যার মুলুক তার’ নীতি

দাগনভূঞায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা ব্যবসায়ীরা

ফেনী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:১১:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৪ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফেনীর দাগনভূঞায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সবকিছু হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। আগুনে দোকানপাট পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ায় তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা এ ঘটনায় সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

জানা যায়, গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ভোরে দাগনভূঞা পৌর শহরের কামার গলি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফেনী থেকে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট এবং কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) থেকে ২টি ইউনিটসহ মোট ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় বাজারের অন্তত ১২টি দোকান পুড়ে যায়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ২ কোটি টাকা বা তার বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী পাটোয়ারী এন্টারপ্রাইজের মালিক মোক্তার হোসেন রাজু জানান, ভয়াবহ আগুনে তার দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে তার প্রায় ৪৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

ফেনী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন মাস্টার শাহাদাত হোসেন জানান, ভোরে সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাঁচটি ইউনিটের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দুই ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা যায়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিদুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দাগনভূঞা ক্যাম্প ও দাগনভূঞা থানার পুলিশ সদস্যরা কাজ করেছেন। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

দাগনভূঞায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা ব্যবসায়ীরা

আপডেট সময় : ১২:১১:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

ফেনীর দাগনভূঞায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সবকিছু হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। আগুনে দোকানপাট পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ায় তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা এ ঘটনায় সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

জানা যায়, গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ভোরে দাগনভূঞা পৌর শহরের কামার গলি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফেনী থেকে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট এবং কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) থেকে ২টি ইউনিটসহ মোট ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় বাজারের অন্তত ১২টি দোকান পুড়ে যায়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ২ কোটি টাকা বা তার বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী পাটোয়ারী এন্টারপ্রাইজের মালিক মোক্তার হোসেন রাজু জানান, ভয়াবহ আগুনে তার দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে তার প্রায় ৪৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

ফেনী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন মাস্টার শাহাদাত হোসেন জানান, ভোরে সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাঁচটি ইউনিটের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দুই ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা যায়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিদুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দাগনভূঞা ক্যাম্প ও দাগনভূঞা থানার পুলিশ সদস্যরা কাজ করেছেন। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করা হবে।