একাধিক মামলায় জেল থেকে মুক্তি পেয়ে ফের বেপরোয়া কিশোর গ্যাং নেতা ইয়ামিন
- আপডেট সময় : ০৯:৩২:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে একাধিক মামলায় কারাভোগ শেষে মুক্তি পেয়ে আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাংয়ের মূলহোতা ইয়ামিন। অভিযোগ রয়েছে, মুক্তির পর থেকেই সে তার সহযোগীদের নিয়ে চাঁদাবাজি ও নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে।
শনিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে চর লরেন্স ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে রিপন নামে এক ডাব ব্যবসায়ীকে চাঁদা দাবির জেরে মারধর এবং তার ভ্যানগাড়ি নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইয়ামিন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ইয়ামিন একই এলাকার পান ব্যবসায়ী শাহজাহানের ছেলে।
ভুক্তভোগী রিপন জানান, কিছুদিন আগে ইয়ামিন তার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা চাঁদা নেয়। শনিবার সকালে ডাব কিনতে বের হলে তোরাবগঞ্জ বাজারে তার পথরোধ করে পুনরায় টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ভ্যান থেকে নামিয়ে টানাহেঁচড়া ও মারধর করা হয়। প্রাণ বাঁচাতে তিনি দৌড়ে স্থানীয় বেলালের বাড়িতে আশ্রয় নিলেও সেখানে গিয়েও ইয়ামিন ও তার সহযোগীরা তাকে মারধর করে। এতে তার পা, বুক ও পিঠে গুরুতর আঘাত লাগে।
স্থানীয় বাসিন্দা বেলাল জানান, রিপন তাদের বাড়িতে আশ্রয় নিলে ইয়ামিন সেখানে ঢুকে আবারও মারধর করে। তিনি অসুস্থ থাকায় বাধা দিতে পারেননি। একপর্যায়ে টাকা দেওয়ার হুমকি দিয়ে ইয়ামিন ও তার সহযোগীরা চলে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ইয়ামিন তোরাবগঞ্জ এলাকায় কয়েকজন বখাটে কিশোরকে সঙ্গে নিয়ে চুরি, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। এতে এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিষয়টি একাধিকবার উপজেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় আলোচনায় এলেও সম্প্রতি জেল থেকে বেরিয়ে সে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
জানা গেছে, ইয়ামিনের বিরুদ্ধে কমলনগর, লক্ষ্মীপুর ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে মোবাইল ফোনে জানানো হয়েছে। ভুক্তভোগীকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

















