ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পানি পানের পর অসুস্থ, রাতে ৪ লাখ টাকা-স্বর্ণালংকার চুরি পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে সুন্দরগঞ্জে বিএনপির মিছিল ৯ জনকে কামড়ানো সেই শিয়ালের মাথা গেল পরীক্ষাগারে গোবিন্দগঞ্জে বিদ্যালয়ে দুর্বৃত্তের হামলা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ আহত ১৫ গাইবান্ধায় শিশু অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেফতার দুই সুন্দরগঞ্জে অ্যানথ্রাক্সের প্রাদুর্ভাব রোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সুন্দরগঞ্জ ডিডব্লিউ সরকারি কলেজে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চার মিনিটে তিন ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা, আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার শিয়ালের কামড়ে আহতদের পাশে উপজেলা প্রশাসন, নগদ অর্থ সহায়তা গাইবান্ধায় ২ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি গ্রেফতার

পানি পানের পর অসুস্থ, রাতে ৪ লাখ টাকা-স্বর্ণালংকার চুরি

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:১০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮১ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে টিউবওয়েলের পানি পান করার পর পরিবারের চার সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায় রাতে বাড়ি থেকে নগদ ৪ লাখ টাকা ও প্রায় দেড় ভরি স্বর্ণালংকার চুরি ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী হরেন্দ্র নাথ চন্দ্র বর্মন (৫৫)।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ্ অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভুক্তভোগী হরেন্দ্র নাথ চন্দ্র বর্মন উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনিরাম কাজী গ্রামের মৃত হলধর চন্দ্র বর্মনের ছেলে।

অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, ১৯ সেপ্টেম্বর বাড়িতে কাজ করার সময় হরেন্দ্র নাথ চন্দ্র বর্মন, তার স্ত্রী সরদিন রানী, মেয়ে উজ্জলী রানী ও বউদি জবা রানী বাড়ির ভেতরের টিউবওয়েলের পানি পান করেন। এরপর তারা ঘুমঘুম ভাব অনুভব করেন। পরে স্থানীয় ফলগাছা বাজারের একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। শারীরিক অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় সরদিন রানী ও জবা রানীকে স্যালাইন দেওয়া হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, চিকিৎসা শেষে ২০ সেপ্টেম্বর রাত সোয়া ১২টার দিকে পরিবারের সদস্যরা বাড়ির দরজা বন্ধ করে নিজ নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তাদের অসুস্থতার খবর পেয়ে ঢাকা থেকে স্বজন সজীব চন্দ্র, গোলাপী রানী ও শেফালী রানী বাড়িতে আসেন। তারা বাড়ির দরজা খোলা এবং ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান। পরে পরিবারের সদস্যরাও ঘরের পরিস্থিতি দেখতে পান।

অভিযোগ অনুযায়ী, হরেন্দ্র নাথের শয়নকক্ষের স্টিলের বাক্সে রাখা নগদ ৪ লাখ টাকা ও প্রায় দেড় ভরি স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়নি। চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকারের মধ্যে ৪ আনা ওজনের এক জোড়া চুড়ি, ৫ আনা ওজনের একটি আংটিসহ অন্যান্য অলংকার রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী হরেন্দ্র নাথ চন্দ্র বর্মনের দাবি, পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ হয়ে পড়ার সুযোগে দুর্বৃত্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে এসব টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যেতে পারে। তবে কীভাবে বাড়িতে প্রবেশ করে চুরি করা হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যদের অসুস্থতার সঙ্গে চুরির কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ্ বলেন, ‘এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

পানি পানের পর অসুস্থ, রাতে ৪ লাখ টাকা-স্বর্ণালংকার চুরি

আপডেট সময় : ০৬:১০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে টিউবওয়েলের পানি পান করার পর পরিবারের চার সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায় রাতে বাড়ি থেকে নগদ ৪ লাখ টাকা ও প্রায় দেড় ভরি স্বর্ণালংকার চুরি ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী হরেন্দ্র নাথ চন্দ্র বর্মন (৫৫)।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ্ অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভুক্তভোগী হরেন্দ্র নাথ চন্দ্র বর্মন উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনিরাম কাজী গ্রামের মৃত হলধর চন্দ্র বর্মনের ছেলে।

অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, ১৯ সেপ্টেম্বর বাড়িতে কাজ করার সময় হরেন্দ্র নাথ চন্দ্র বর্মন, তার স্ত্রী সরদিন রানী, মেয়ে উজ্জলী রানী ও বউদি জবা রানী বাড়ির ভেতরের টিউবওয়েলের পানি পান করেন। এরপর তারা ঘুমঘুম ভাব অনুভব করেন। পরে স্থানীয় ফলগাছা বাজারের একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। শারীরিক অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় সরদিন রানী ও জবা রানীকে স্যালাইন দেওয়া হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, চিকিৎসা শেষে ২০ সেপ্টেম্বর রাত সোয়া ১২টার দিকে পরিবারের সদস্যরা বাড়ির দরজা বন্ধ করে নিজ নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তাদের অসুস্থতার খবর পেয়ে ঢাকা থেকে স্বজন সজীব চন্দ্র, গোলাপী রানী ও শেফালী রানী বাড়িতে আসেন। তারা বাড়ির দরজা খোলা এবং ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান। পরে পরিবারের সদস্যরাও ঘরের পরিস্থিতি দেখতে পান।

অভিযোগ অনুযায়ী, হরেন্দ্র নাথের শয়নকক্ষের স্টিলের বাক্সে রাখা নগদ ৪ লাখ টাকা ও প্রায় দেড় ভরি স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়নি। চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকারের মধ্যে ৪ আনা ওজনের এক জোড়া চুড়ি, ৫ আনা ওজনের একটি আংটিসহ অন্যান্য অলংকার রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী হরেন্দ্র নাথ চন্দ্র বর্মনের দাবি, পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ হয়ে পড়ার সুযোগে দুর্বৃত্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে এসব টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যেতে পারে। তবে কীভাবে বাড়িতে প্রবেশ করে চুরি করা হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যদের অসুস্থতার সঙ্গে চুরির কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ্ বলেন, ‘এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’