ঢাকা ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী লাঠি মিছিল ডোমারে মাদক সম্রাজ্ঞী আটক, ৩০টির বেশি মামলা মেয়েকে জড়িয়ে মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তুলে প্রতিষ্ঠানে মবের চেষ্টা পিরোজপুরে জিয়া মঞ্চের কর্মী সভা স্থগিতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন হাতিয়ায় মৃত কৃষকের পরিবার পেল দেড় লাখ টাকার বিমার চেক গাইবান্ধায় ২ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার   ক্যাশমেমো ছাড়া সার বিক্রি, দুই বিসিআইসি ডিলারকে ৪২ হাজার টাকা জরিমানা সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী মশাল মিছিল গাইবান্ধায় হেরোইন-ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ভূমি গবেষক সেলিমের ‘ডিজিটাল ভূমি কার্ড’ উদ্ভাবন, অবসান হবে ‘জোর যার মুলুক তার’ নীতি

গাইবান্ধায় বিষে মরল ১৭০ হাঁস-মুরগি, প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:১৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১৭০টি হাঁস-মুরগি মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে তিন প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এতে প্রায় ১ লাখ ২ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের। এ ঘটনায় মোছা. কমেলা বেগম নামে এক নারী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

কমেলা বেগম উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের মো. দুখু মিয়ার স্ত্রী। অভিযুক্তরা একই গ্রামের মৃত আদা মিয়ার ছেলে মো. অছু মিয়া (৫৫), মো. আব্দুল হাই (৫২) ও আব্দুল হাইয়ের স্ত্রী মমিনা বেগম (৫০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে কমেলা বেগম ও তার পরিবারের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় ক্ষতিসাধন, মারপিট ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে খোয়াড় থেকে হাঁস-মুরগিগুলো ছেড়ে দেন পরিবারের সদস্যরা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির আশপাশে গিয়ে তারা দেখতে পান, প্রায় ১৭০টি হাঁস-মুরগি পড়ে রয়েছে। পরে সেগুলো বিষক্রিয়ায় মারা গেছে বলে দাবি করেন তারা। এতে প্রায় ১ লাখ ২ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন কমেলা।

কমেলা বেগমের অভিযোগ, বিষয়টি অভিযুক্তদের জানালে তারা হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আজ শুধু হাঁস-মুরগি বিষ দিয়ে মেরেছি, ভবিষ্যতে পরিবারের লোকজন ও ছোট শিশুদেরও বিষ প্রয়োগসহ যেকোনো উপায়ে হত্যা করা হবে।’

কমেলা বেগম বলেন, ‘হাঁস-মুরগিগুলো কীভাবে মারা গেছে, তা তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা হোক। একই সঙ্গে আমাদের পরিবারকে দেওয়া হুমকির বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হোক।’

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত অছু মিয়া ও আব্দুল হাইয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পলাশবাড়ীর হরিণাবাড়ী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন আলী বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেছি। এখানে বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ বিষয় রয়েছে। বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করতে বলেছি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

গাইবান্ধায় বিষে মরল ১৭০ হাঁস-মুরগি, প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:১৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১৭০টি হাঁস-মুরগি মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে তিন প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এতে প্রায় ১ লাখ ২ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের। এ ঘটনায় মোছা. কমেলা বেগম নামে এক নারী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

কমেলা বেগম উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের মো. দুখু মিয়ার স্ত্রী। অভিযুক্তরা একই গ্রামের মৃত আদা মিয়ার ছেলে মো. অছু মিয়া (৫৫), মো. আব্দুল হাই (৫২) ও আব্দুল হাইয়ের স্ত্রী মমিনা বেগম (৫০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে কমেলা বেগম ও তার পরিবারের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় ক্ষতিসাধন, মারপিট ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে খোয়াড় থেকে হাঁস-মুরগিগুলো ছেড়ে দেন পরিবারের সদস্যরা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির আশপাশে গিয়ে তারা দেখতে পান, প্রায় ১৭০টি হাঁস-মুরগি পড়ে রয়েছে। পরে সেগুলো বিষক্রিয়ায় মারা গেছে বলে দাবি করেন তারা। এতে প্রায় ১ লাখ ২ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন কমেলা।

কমেলা বেগমের অভিযোগ, বিষয়টি অভিযুক্তদের জানালে তারা হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আজ শুধু হাঁস-মুরগি বিষ দিয়ে মেরেছি, ভবিষ্যতে পরিবারের লোকজন ও ছোট শিশুদেরও বিষ প্রয়োগসহ যেকোনো উপায়ে হত্যা করা হবে।’

কমেলা বেগম বলেন, ‘হাঁস-মুরগিগুলো কীভাবে মারা গেছে, তা তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা হোক। একই সঙ্গে আমাদের পরিবারকে দেওয়া হুমকির বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হোক।’

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত অছু মিয়া ও আব্দুল হাইয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পলাশবাড়ীর হরিণাবাড়ী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন আলী বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেছি। এখানে বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ বিষয় রয়েছে। বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করতে বলেছি।’