ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী লাঠি মিছিল ডোমারে মাদক সম্রাজ্ঞী আটক, ৩০টির বেশি মামলা মেয়েকে জড়িয়ে মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তুলে প্রতিষ্ঠানে মবের চেষ্টা পিরোজপুরে জিয়া মঞ্চের কর্মী সভা স্থগিতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন হাতিয়ায় মৃত কৃষকের পরিবার পেল দেড় লাখ টাকার বিমার চেক গাইবান্ধায় ২ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার   ক্যাশমেমো ছাড়া সার বিক্রি, দুই বিসিআইসি ডিলারকে ৪২ হাজার টাকা জরিমানা সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী মশাল মিছিল গাইবান্ধায় হেরোইন-ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ভূমি গবেষক সেলিমের ‘ডিজিটাল ভূমি কার্ড’ উদ্ভাবন, অবসান হবে ‘জোর যার মুলুক তার’ নীতি

সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে তৎপর সিলেটের যেসব নারী

সিলেট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৫৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিজয়ী সংসদ সদস্যরা শপথ নিচ্ছেন। একই দিন বিকালে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথ গ্রহণ ও সংশ্লিষ্ট সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে নতুন সংসদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।

 নতুন সংসদের কার্যক্রম শুরু হতে না হতেই সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে হিসাব-নিকাশ ও দৌড়ঝাঁপ। সারা দেশের মতো সিলেট বিভাগেও এ নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন কারা পাচ্ছেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

সংসদের আনুষ্ঠানিক যাত্রার পরই শুরু হবে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ও নির্বাচন প্রক্রিয়া। সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত রয়েছে। সাধারণ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এসব আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। সে অনুযায়ী, আগামী মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সংরক্ষিত আসনের ভোট আয়োজন করবে। এই নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ত্রয়োদশ সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যরা।

সিলেট অঞ্চলে সংরক্ষিত নারী আসনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে যাঁদের নাম ঘুরছে, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন—বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সহ-সম্পাদক, হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তার, প্রয়াত বিএনপি নেতা ও সংসদ সদস্য ড. সৈয়দ মকবুল হোসেনের কন্যা সৈয়দা আদিবা হোসেন, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত কমর উদ্দিনের কন্যা সাবিনা খান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ তিন নেত্রী ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তাঁরা সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেননি। বর্তমানে তাঁদের মধ্যে দুজন সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়নের সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

এ ছাড়া আরও যাঁদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তাঁরা হলেন,বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সহসম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শাম্মী আক্তার, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীর কন্যা ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী, সিলেট-৬ আসনের সাবেক এমপি মরহুম ড. সৈয়দ মকবুল হোসেনের (লেচু মিয়া) কন্যা সৈয়দা আদিবা হোসেন, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত কমর উদ্দিনের কন্যা সাবিনা খান পপি, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাদিয়া চৌধুরী মুন্নি, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সামিয়া বেগম চৌধুরী, গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা ইফতেখার হোসেন দিনারের বোন সিলেট জেলা মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তাহসিন শারমিন তামান্না, সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম দিলদার হোসেন সেলিমের স্ত্রী জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জেবুন নাহার সেলিম আলোচনায় রয়েছেন।

সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা নজির হোসেনের সহধর্মিণী সালমা নজির সংরক্ষিত নারী আসনে আসতে পারেন বলে জোরালো গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তৃণমূল রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের নিবেদিতপ্রাণ নজির হোসেনের পরিবারের প্রতি সাধারণ মানুষ ও দলীয় কর্মীদের বিশেষ আবেগকে কেন্দ্র করেই এই আলোচনার সূত্রপাত। তাছাড়া সালমা নজির দীর্ঘদিন থেকে ভাটি অঞ্চলের মানুষের পাশে থেকে বিএনপির ৩০ দফার প্রচার চালিয়েছেন।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-২ আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে আলোচনায় আসেন তাহসিনা রুশদীর লুনা। তিনি নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম. ইলিয়াস আলী-এর স্ত্রী। তাঁর বিজয় সিলেট অঞ্চলে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত।

তবে দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত না আসায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালালেও চূড়ান্ত মনোনয়ন কারা পাবেন, তা নিয়ে রয়েছে জল্পনা-কল্পনা এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে জোর আলোচনা চলছে।

সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে দলীয় তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত চলছে হিসাব-নিকাশ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দলীয় ভারসাম্য, সাংগঠনিক অবদান, তৃণমূল গ্রহণযোগ্যতা ও কৌশলগত বিবেচনাই শেষ পর্যন্ত মনোনয়নে প্রভাব ফেলবে।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে আলোচনা ও প্রত্যাশা। এখন সবার নজর দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।

উল্লেখ্য,স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে এই চার জেলা মিলিয়েই দুইজন নারী সংরক্ষিত সংসদ সদস্য হয়ে আসছেন। যদিও জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা বাড়িয়ে ৫০টি করা হয়েছে, সিলেট বিভাগের বরাদ্দ বাড়েনি। জাতীয় সংসদের প্রতি ৬টি সাধারণ আসনের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত আসন ধরলে, সিলেট বিভাগের ১৯টি আসনের জন্য তিনটি সংরক্ষিত এমপি হওয়া যৌক্তিক, এমন দাবি বিভিন্ন মহল থেকে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে তৎপর সিলেটের যেসব নারী

আপডেট সময় : ১১:৫৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিজয়ী সংসদ সদস্যরা শপথ নিচ্ছেন। একই দিন বিকালে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথ গ্রহণ ও সংশ্লিষ্ট সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে নতুন সংসদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।

 নতুন সংসদের কার্যক্রম শুরু হতে না হতেই সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে হিসাব-নিকাশ ও দৌড়ঝাঁপ। সারা দেশের মতো সিলেট বিভাগেও এ নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন কারা পাচ্ছেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

সংসদের আনুষ্ঠানিক যাত্রার পরই শুরু হবে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ও নির্বাচন প্রক্রিয়া। সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত রয়েছে। সাধারণ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এসব আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। সে অনুযায়ী, আগামী মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সংরক্ষিত আসনের ভোট আয়োজন করবে। এই নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ত্রয়োদশ সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যরা।

সিলেট অঞ্চলে সংরক্ষিত নারী আসনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে যাঁদের নাম ঘুরছে, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন—বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সহ-সম্পাদক, হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তার, প্রয়াত বিএনপি নেতা ও সংসদ সদস্য ড. সৈয়দ মকবুল হোসেনের কন্যা সৈয়দা আদিবা হোসেন, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত কমর উদ্দিনের কন্যা সাবিনা খান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ তিন নেত্রী ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তাঁরা সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেননি। বর্তমানে তাঁদের মধ্যে দুজন সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়নের সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

এ ছাড়া আরও যাঁদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তাঁরা হলেন,বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সহসম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শাম্মী আক্তার, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীর কন্যা ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী, সিলেট-৬ আসনের সাবেক এমপি মরহুম ড. সৈয়দ মকবুল হোসেনের (লেচু মিয়া) কন্যা সৈয়দা আদিবা হোসেন, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত কমর উদ্দিনের কন্যা সাবিনা খান পপি, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাদিয়া চৌধুরী মুন্নি, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সামিয়া বেগম চৌধুরী, গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা ইফতেখার হোসেন দিনারের বোন সিলেট জেলা মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তাহসিন শারমিন তামান্না, সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম দিলদার হোসেন সেলিমের স্ত্রী জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জেবুন নাহার সেলিম আলোচনায় রয়েছেন।

সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা নজির হোসেনের সহধর্মিণী সালমা নজির সংরক্ষিত নারী আসনে আসতে পারেন বলে জোরালো গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তৃণমূল রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের নিবেদিতপ্রাণ নজির হোসেনের পরিবারের প্রতি সাধারণ মানুষ ও দলীয় কর্মীদের বিশেষ আবেগকে কেন্দ্র করেই এই আলোচনার সূত্রপাত। তাছাড়া সালমা নজির দীর্ঘদিন থেকে ভাটি অঞ্চলের মানুষের পাশে থেকে বিএনপির ৩০ দফার প্রচার চালিয়েছেন।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-২ আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে আলোচনায় আসেন তাহসিনা রুশদীর লুনা। তিনি নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম. ইলিয়াস আলী-এর স্ত্রী। তাঁর বিজয় সিলেট অঞ্চলে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত।

তবে দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত না আসায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালালেও চূড়ান্ত মনোনয়ন কারা পাবেন, তা নিয়ে রয়েছে জল্পনা-কল্পনা এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে জোর আলোচনা চলছে।

সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে দলীয় তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত চলছে হিসাব-নিকাশ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দলীয় ভারসাম্য, সাংগঠনিক অবদান, তৃণমূল গ্রহণযোগ্যতা ও কৌশলগত বিবেচনাই শেষ পর্যন্ত মনোনয়নে প্রভাব ফেলবে।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে আলোচনা ও প্রত্যাশা। এখন সবার নজর দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।

উল্লেখ্য,স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে এই চার জেলা মিলিয়েই দুইজন নারী সংরক্ষিত সংসদ সদস্য হয়ে আসছেন। যদিও জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা বাড়িয়ে ৫০টি করা হয়েছে, সিলেট বিভাগের বরাদ্দ বাড়েনি। জাতীয় সংসদের প্রতি ৬টি সাধারণ আসনের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত আসন ধরলে, সিলেট বিভাগের ১৯টি আসনের জন্য তিনটি সংরক্ষিত এমপি হওয়া যৌক্তিক, এমন দাবি বিভিন্ন মহল থেকে উঠেছে।