ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাবাগানে ককটেল বিস্ফোরণ, উদ্ধার ১৩ ককটেল, গ্রেপ্তার আওয়ামী যুবলীগের চার নেতা–কর্মী তাহসিফকে ধাওয়া দিয়েছিল ইউনিফর্ম পরা লোকজন, দাবি দীপের ও অন্যান্য খবর অভাব ঘোচাতে বিদেশে গিয়ে ফিরলেন কফিনবন্দী হয়ে, মা–বাবার স্বপ্ন শেষ জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন লন্ডনে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ তাহসিফের মৃত্যু: ধাওয়া দেওয়া ব্যক্তিরা কি মাদক কারবারি, নাকি পুলিশ—সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা এমবাপ্পের ওপর ক্ষোভ কেন, জিজ্ঞেস করেও জানতে পারছেন না চীনারা গ্যাসের আগুন জ্বলছেই, ১৫ দিন পর্যবেক্ষণের পর রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনা পেট্রোবাংলার যাত্রাবাড়ীতে মাদক অভিযানে এসআরবি-পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ২৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত, ক্ষুব্ধ নায়িকা

নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত, ক্ষুব্ধ নায়িকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৪:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্সের কাছে নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় নতুন কিছু নয়। তবে এমন একটি দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে একবার অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েছিলেন তিনি। দেখেন, সেটে এমন কয়েকজন কর্মী উপস্থিত, যাঁদের সেখানে থাকার অনুমতি ছিল না। বিষয়টি মেনে নেননি অভিনেত্রী। প্রতিবাদ করেছিলেন কঠোরভাবে। সম্প্রতি ‘কল হার ড্যাডি’ পডকাস্টে সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তিনি।

লরেন্স বলেন, অভিনয়শিল্পীদের অনেক সময় পরিচালকের চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে বদলাতে হয়। চরিত্রের প্রয়োজনে চুল ছোট করা, ভিন্ন রং করা কিংবা শারীরিকভাবে পরিবর্তিত হওয়া—এসবই অভিনয়ের অংশ। তবে সময়ের সঙ্গে নিজের অধিকার নিয়ে আরও সচেতন হয়েছেন তিনি। এখন প্রয়োজন হলে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জানান।

.

নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে লরেন্স বলেন, একবার এমন একটি দৃশ্য ধারণের সময় সেটে এমন কয়েকজন কর্মী ছিলেন, যাঁদের সেখানে থাকার অনুমতি ছিল না। বিষয়টি জানার পর তিনি কঠোরভাবে প্রতিবাদ করেন। তাঁর মতে, একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী হিসেবে নিজের জন্য প্রতিবাদ করা যেমন জরুরি, তেমনি নতুন ও অনভিজ্ঞ অভিনয়শিল্পীদের সুরক্ষার জন্যও এমন অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন।
লরেন্সের ভাষায়, ‘আমি যদি এই নীতির পক্ষে না দাঁড়াই, তাহলে ১৮ বছর বয়সী কোনো অচেনা অভিনেত্রী যখন সেটে আসবে, তখন তার কী হবে? সে হয়তো ভাববে, প্রতিবাদ করলে তাকে কঠিন স্বভাবের বলে মনে করা হবে। আবার এমন লোকদের সামনে নগ্ন হতে হবে, যাদের উপস্থিতিতে সে স্বস্তি বোধ করছে না। কেন এটি গ্রহণযোগ্য নয়, তা সবাইকে বোঝানো জরুরি ছিল।’

.

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে নিরাপত্তা ও সম্মতি
এর আগে ‘ডাই মাই লাভ’ সিনেমায় সহশিল্পী রবার্ট প্যাটিনসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিং নিয়েও কথা বলেছিলেন লরেন্স। জানিয়েছিলেন, ছবিতে তাঁদের জন্য আলাদা করে কোনো ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর ছিলেন না, কিংবা থাকলেও তাঁর ভূমিকা তেমন ছিল না। প্যাটিনসনের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে নিজেকে নিরাপদ মনে করেছিলেন তিনি।

লরেন্সের ভাষ্য, প্যাটিনসন তাঁকে কখনো অস্বস্তিতে ফেলেননি। তাঁরা বরং সন্তান ও সম্পর্কের মতো বিষয় নিয়ে কথা বলতেন। তবে অভিনেত্রী মনে করেন, ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে কাজ করার সময় সহশিল্পীর আচরণ গুরুত্বপূর্ণ। কোনো অভিনেতা যদি সহশিল্পীর অনাগ্রহকে ব্যক্তিগতভাবে নেন, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে। সে ক্ষেত্রে ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটরের উপস্থিতি জরুরি।

.ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক থেকে নতুন করে ফেরা, ১৬৫ কোটি টাকার মালিক এই অভিনেত্রী.

‘ডাই মাই লাভ’-এর নগ্ন দৃশ্য নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গিও জানিয়েছেন লরেন্স। নগ্নতা নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত অস্বস্তি নেই বলে জানান তিনি। পরিচালকের শিল্পীসত্তার স্বাধীনতা বজায় রাখতেই দৃশ্যগুলোয় সম্মতি দিয়েছিলেন। ছবিটির শুটিংয়ের সময় তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ফলে নিজের শারীরিক গঠন নিয়ে আগের মতো দুশ্চিন্তাও কাজ করেনি।
একটি দৃশ্যের ক্লোজআপ শট দেখে শরীরের সেলুলাইট বা ত্বকের স্বাভাবিক ভাঁজগুলো সম্পাদনার মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছিলেন লরেন্স। কিন্তু তিনি তাতে রাজি হননি। তাঁর বক্তব্য, শরীর যেমন, তেমনই থাকুক।

ভ্যারাইটি অবলম্বনে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত, ক্ষুব্ধ নায়িকা

আপডেট সময় : ১২:৫৪:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্সের কাছে নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় নতুন কিছু নয়। তবে এমন একটি দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে একবার অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েছিলেন তিনি। দেখেন, সেটে এমন কয়েকজন কর্মী উপস্থিত, যাঁদের সেখানে থাকার অনুমতি ছিল না। বিষয়টি মেনে নেননি অভিনেত্রী। প্রতিবাদ করেছিলেন কঠোরভাবে। সম্প্রতি ‘কল হার ড্যাডি’ পডকাস্টে সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তিনি।

লরেন্স বলেন, অভিনয়শিল্পীদের অনেক সময় পরিচালকের চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে বদলাতে হয়। চরিত্রের প্রয়োজনে চুল ছোট করা, ভিন্ন রং করা কিংবা শারীরিকভাবে পরিবর্তিত হওয়া—এসবই অভিনয়ের অংশ। তবে সময়ের সঙ্গে নিজের অধিকার নিয়ে আরও সচেতন হয়েছেন তিনি। এখন প্রয়োজন হলে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জানান।

.

নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে লরেন্স বলেন, একবার এমন একটি দৃশ্য ধারণের সময় সেটে এমন কয়েকজন কর্মী ছিলেন, যাঁদের সেখানে থাকার অনুমতি ছিল না। বিষয়টি জানার পর তিনি কঠোরভাবে প্রতিবাদ করেন। তাঁর মতে, একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী হিসেবে নিজের জন্য প্রতিবাদ করা যেমন জরুরি, তেমনি নতুন ও অনভিজ্ঞ অভিনয়শিল্পীদের সুরক্ষার জন্যও এমন অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন।
লরেন্সের ভাষায়, ‘আমি যদি এই নীতির পক্ষে না দাঁড়াই, তাহলে ১৮ বছর বয়সী কোনো অচেনা অভিনেত্রী যখন সেটে আসবে, তখন তার কী হবে? সে হয়তো ভাববে, প্রতিবাদ করলে তাকে কঠিন স্বভাবের বলে মনে করা হবে। আবার এমন লোকদের সামনে নগ্ন হতে হবে, যাদের উপস্থিতিতে সে স্বস্তি বোধ করছে না। কেন এটি গ্রহণযোগ্য নয়, তা সবাইকে বোঝানো জরুরি ছিল।’

.

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে নিরাপত্তা ও সম্মতি
এর আগে ‘ডাই মাই লাভ’ সিনেমায় সহশিল্পী রবার্ট প্যাটিনসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিং নিয়েও কথা বলেছিলেন লরেন্স। জানিয়েছিলেন, ছবিতে তাঁদের জন্য আলাদা করে কোনো ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর ছিলেন না, কিংবা থাকলেও তাঁর ভূমিকা তেমন ছিল না। প্যাটিনসনের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে নিজেকে নিরাপদ মনে করেছিলেন তিনি।

লরেন্সের ভাষ্য, প্যাটিনসন তাঁকে কখনো অস্বস্তিতে ফেলেননি। তাঁরা বরং সন্তান ও সম্পর্কের মতো বিষয় নিয়ে কথা বলতেন। তবে অভিনেত্রী মনে করেন, ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে কাজ করার সময় সহশিল্পীর আচরণ গুরুত্বপূর্ণ। কোনো অভিনেতা যদি সহশিল্পীর অনাগ্রহকে ব্যক্তিগতভাবে নেন, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে। সে ক্ষেত্রে ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটরের উপস্থিতি জরুরি।

.ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক থেকে নতুন করে ফেরা, ১৬৫ কোটি টাকার মালিক এই অভিনেত্রী.

‘ডাই মাই লাভ’-এর নগ্ন দৃশ্য নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গিও জানিয়েছেন লরেন্স। নগ্নতা নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত অস্বস্তি নেই বলে জানান তিনি। পরিচালকের শিল্পীসত্তার স্বাধীনতা বজায় রাখতেই দৃশ্যগুলোয় সম্মতি দিয়েছিলেন। ছবিটির শুটিংয়ের সময় তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ফলে নিজের শারীরিক গঠন নিয়ে আগের মতো দুশ্চিন্তাও কাজ করেনি।
একটি দৃশ্যের ক্লোজআপ শট দেখে শরীরের সেলুলাইট বা ত্বকের স্বাভাবিক ভাঁজগুলো সম্পাদনার মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছিলেন লরেন্স। কিন্তু তিনি তাতে রাজি হননি। তাঁর বক্তব্য, শরীর যেমন, তেমনই থাকুক।

ভ্যারাইটি অবলম্বনে