ডেঙ্গু জ্বর হলে ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া নিষেধ কেন
- আপডেট সময় : ০৭:৫৮:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

শরীরের প্রতিটি জোড়ায় তীব্র ব্যথা, যেন হাড়গুলো সব ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যাচ্ছে! মাথা ভারী, চোখের পেছনে টনটনানি, পেশিতে অসহ্য যন্ত্রণা। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত অনেকেই এমন অভিজ্ঞতার কথা বলেন। এ কারণেই ডেঙ্গুকে একসময় ব্রেকবোন ফিভার বা হাড়ভাঙা জ্বরও বলা হতো।
এমন যন্ত্রণায় কাবু হলে হাতের কাছে থাকা ব্যথানাশক বড়ি খেতে ইচ্ছে করতেই পারে। কিন্তু ডেঙ্গু সন্দেহ হলে নিজের ইচ্ছায় ব্যথানাশক খাওয়া বিপজ্জনক। আইবুপ্রোফেন, নাপ্রোক্সেন, ডাইক্লোফেনাক ও অ্যাসপিরিনের মতো ওষুধ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই ডেঙ্গু নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষা না করে, সন্দেহ হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এসব ওষুধ এড়িয়ে চলতে হবে। কিন্তু কেন? যে ওষুধ সাধারণ সময়ে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে, ডেঙ্গুর সময় সেটিই কেন বিপদের কারণ হতে পারে?
এর উত্তর বুঝতে হলে জানতে হবে রক্তের অতি ক্ষুদ্র অণুচক্রিকা কীভাবে কাজ করে, আমাদের কোষে কোন রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে এবং শরীরের রোগপ্রতিরোধব্যবস্থা কী ভূমিকা রাখে। প্রথমে দেখা যাক, ডেঙ্গু শরীরের ভেতরে কীভাবে প্রভাব ফেলে।
ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্রমণে রক্তের অণুচক্রিকার সংখ্যা কমে যেতে পারে। অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেট হলো রক্তের ক্ষুদ্র উপাদান, যা রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে। কোথাও কেটে গেলে বা রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হলে অণুচক্রিকাগুলো দ্রুত সেখানে জড়ো হয়। তারা একে অন্যের সঙ্গে লেগে ক্ষতস্থানে একটি অস্থায়ী বন্ধনী তৈরি করে। এরপর রক্ত জমাট বাঁধার অন্যান্য প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়। এভাবেই রক্তপাত বন্ধ হতে সাহায্য করে।
.ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে এক সম্ভাবনাময় অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ.
ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্রমণে রক্তের অণুচক্রিকার সংখ্যা কমে যেতে পারে। অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেট হলো রক্তের ক্ষুদ্র উপাদান, যা রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে।
.
এদিকে রোগীর শরীরে প্রবেশ করার পর ডেঙ্গু ভাইরাস সরাসরি হাড়ের মজ্জায় আক্রমণ চালায়। আর এই মজ্জাতেই তৈরি হয় অনুচক্রিকা। শুধু তা-ই নয়, ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে আমাদের শরীরের নিজস্ব ইমিউন সিস্টেম বা রোগপ্রতিরোধব্যবস্থাও ভুলবশত সুস্থ অনুচক্রিকাগুলো ধ্বংস করে ফেলে। ফলে রক্তে অনুচক্রিকার সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে কমতে থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই অবস্থাকে বলা হয় থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া।
তবে বিপদ শুধু অণুচক্রিকার সংখ্যা কমে যাওয়ায় সীমাবদ্ধ নয়। ডেঙ্গুর গুরুতর পর্যায়ে রক্তনালির ভেতরের আবরণ খুব ভঙ্গুর ও দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে রক্তের তরল অংশ, অর্থাৎ প্লাজমা, নালির বাইরে বেরিয়ে যেতে পারে। এ অবস্থায় শরীরের রক্তসঞ্চালন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অর্থাৎ, ডেঙ্গুর সময় শরীরের রক্তপাত বন্ধ করার ব্যবস্থা যেমন দুর্বল হয়ে পড়তে পারে, তেমনি রক্তনালির স্বাভাবিক কার্যকারিতাও বিঘ্নিত হতে পারে। এর মধ্যে কিছু ব্যথানাশক খেলে শুরু হতে পারে আরেকটি বিপজ্জনক সমস্যা। চলুন, সেটাই জানা যাক।
শরীরের কোথাও প্রদাহ বা ক্ষত তৈরি হলে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ সক্রিয় হয়ে ওঠে। এদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন। অ্যারাকিডোনিক অ্যাসিড নামের একটি পদার্থ থেকে COX-1 ও COX-2 নামের দুটি এনজাইমের সাহায্যে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনসহ আরও কিছু রাসায়নিক তৈরি হয়। এই রাসায়নিকগুলো ব্যথা, প্রদাহ এবং শরীরের নানা স্বাভাবিক কাজে ভূমিকা রাখে।
.ডেঙ্গু চিকিৎসায় পেঁপেপাতার রস.
প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের কিছু ধরন পাকস্থলীর ভেতরের আস্তরণকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে। এগুলো শ্লেষ্মা বা মিউকাস এবং বাইকার্বোনেট তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
.
ধরুন, এই দুটি এনজাইম হলো কারখানার দুই দক্ষ কারিগর। তবে এদের কাজ পুরোপুরি এক নয়। COX-1 শরীরের স্বাভাবিক নানা কাজে ভূমিকা রাখে। এর সাহায্যে তৈরি থ্রম্বোক্সেন এ২ অণুচক্রিকাকে সক্রিয় করে এবং তাদের একসঙ্গে জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। অন্যদিকে COX-1 ও COX-2 উভয়ই প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের কিছু ধরন পাকস্থলীর ভেতরের আস্তরণকে সুরক্ষা দেয়, আবার কিছু ধরন ব্যথা ও প্রদাহের অনুভূতি বাড়ায়।
থ্রম্বোক্সেন এ২ হলো এক ধরনের রাসায়নিক আঠার মতো। যখনই কোথাও রক্তপাত হয়, তখনই এটি অনুচক্রিকাগুলোকে ডাক পাঠিয়ে সক্রিয় করে তোলে। তারপর তাদের একটার সঙ্গে আরেকটাকে আঠার মতো জড়িয়ে রক্ত জমাট বাঁধাতে সাহায্য করে।
প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের কিছু ধরন পাকস্থলীর ভেতরের আস্তরণকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে। এগুলো শ্লেষ্মা বা মিউকাস এবং বাইকার্বোনেট তৈরিতে ভূমিকা রাখে। এই সুরক্ষার ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিড সহজে ভেতরের দেয়ালের ক্ষতি করতে পারে না। তবে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের সব ধরন একই কাজ করে না; কিছু ধরন ব্যথা ও প্রদাহের অনুভূতি বাড়াতেও ভূমিকা রাখে।
.ডেঙ্গু নিয়ে যা জানা জরুরি.
যখন কোথাও রক্তপাত হয়, তখন থ্রম্বোক্সেন এ২ অনুচক্রিকাগুলোকে ডাক পাঠিয়ে সক্রিয় করে তোলে। তারপর তাদের একটার সঙ্গে আরেকটাকে আঠার মতো জড়িয়ে রক্ত জমাট বাঁধাতে সাহায্য করে।
.
এবার দেখা যাক, কোনো ব্যথানাশক ওষুধ এই রাসায়নিক ব্যবস্থায় বাধা দিলে কী ঘটতে পারে। কেউ যখন তীব্র ব্যথা সহ্য করতে না পেরে কোনো ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করে, তখন সেই ওষুধ রক্তের প্রবাহে মিশে সরাসরি ওই দুটি এনজাইমকে (COX-1 ও COX-2) হাত-পা বেঁধে অচল করে দেয়। ফল হিসেবে শরীরে ব্যথার অনুভূতি সাময়িকভাবে কমতে পারে। কিন্তু সেই সঙ্গে অণুচক্রিকার স্বাভাবিক কাজেও বাধা পড়ে। তখন সাথে সাথেই বন্ধ হয়ে যায় থ্রম্বোক্সেন এবং প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন রাসায়নিক যৌগের উৎপাদন। এখানেই বিপদের শুরু। কারণ, ডেঙ্গুর সময় শরীরের রক্তপাত বন্ধ করার ব্যবস্থা এমনিতেই চাপে থাকতে পারে।
কিছু ব্যথানাশক ওষুধের কারণে অণুচক্রিকার স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হতে পারে। যেমন, অ্যাসপিরিন অণুচক্রিকায় COX-1-এর কাজ দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ করে দেয়। এতে থ্রম্বোক্সেন এ২ তৈরি কমে যায় এবং অণুচক্রিকার একসঙ্গে জড়ো হওয়ার ক্ষমতা দুর্বল হয়। আইবুপ্রোফেনের মতো কিছু ওষুধের প্রভাব তুলনামূলক সাময়িক। তবে ডেঙ্গুর সময় রক্তক্ষরণের ঝুঁকি থাকায় এসব ওষুধ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন কমতে থাকায় পাকস্থলীর মিউকাসের তৈরি সুরক্ষামূলক চাদরটি একদম পাতলা হয়ে যায়। তখন পাকস্থলীর ক্ষতিকর হাইড্রোক্লোরিক এসিড সরাসরি নিজের ভেতরের দেওয়াল বা আস্তরণকে পোড়াতে শুরু করে এবং সেখানে রক্তক্ষরণকারী আলসার বা ক্ষতের জন্ম দেয়।
.ডেঙ্গু ভ্যাকসিন গবেষণায় অগ্রগতি কতদূর?.
কিছু ব্যথানাশক ওষুধের কারণে অণুচক্রিকার স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হতে পারে। যেমন, অ্যাসপিরিন অণুচক্রিকায় COX-1-এর কাজ দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ করে দেয়।
.
এবার দুটি ঘটনা একসঙ্গে মিলিয়ে দেখুন—একদিকে পাকস্থলীর দেওয়ালে ব্যথার ওষুধের তৈরি করা তীব্র ক্ষত, অন্যদিকে প্লাটিলেট আর রক্ত জমাট বাঁধাতে পারে না। ফলাফল? ক্ষতের মুখ দিয়ে তরতর করে অবিরাম অনিয়ন্ত্রিত রক্তক্ষরণ শুরু হয়! রক্তবমি, কালো পায়খানা কিংবা নাক ও মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া তাই কখনোই অবহেলা করার মতো লক্ষণ নয়। এগুলোর কোনোটি দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।
ঘটনা কেবল পাকস্থলীর রক্তক্ষরণেই থমকে থাকে না। ডেঙ্গু ভাইরাসের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে শরীরের সূক্ষ্ম রক্তনালীগুলোর ছিদ্রগুলো বড় হয়ে রক্তরস বা প্লাজমা নালী থেকে বের হয়ে আশপাশের খালি জায়গায় জমা হতে শুরু করে। এর সঙ্গে ব্যথার ওষুধের কারণে যুক্ত হওয়া অনিয়ন্ত্রিত অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ পরিস্থিতিকে এক ভয়াবহ রূপ দেয়।
রক্তনালী থেকে রক্ত ও রক্তরস দুটোই বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার ফলে রোগীর রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে নিচে নেমে যায়। হৃৎপিণ্ড সারা শরীরে রক্ত পাম্প করার যথেষ্ট উপাদান পায় না। ফলে রক্ত সঞ্চালনের অভাবে মস্তিষ্ক, কিডনি, লিভার এবং ফুসফুসের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো একে একে অক্সিজেনহীন হয়ে যায়। তাতে অঙ্গগুলো স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারাতে শুরু করে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই প্রাণঘাতী অবস্থাকে বলা হয় ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার এবং ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম। কেবল একটি ব্যথানাশক বড়ির ভুলে রোগীর জীবন এভাবে পৌঁছে যেতে পারে আইসিইউর দুয়ারে।
.ডেঙ্গু প্রতিরোধে ছাদ-বাগানের জন্য একটি ছোট উদ্ভাবন.
রক্তনালী থেকে রক্ত ও রক্তরস দুটোই বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার ফলে রোগীর রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে নিচে নেমে যায়। হৃৎপিণ্ড সারা শরীরে রক্ত পাম্প করার যথেষ্ট উপাদান পায় না।
.
ডেঙ্গুতে জ্বর ও ব্যথা কমাতে সাধারণত প্যারাসিটামল ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। আইবুপ্রোফেন বা অ্যাসপিরিনের মতো ওষুধের তুলনায় প্যারাসিটামল অণুচক্রিকার কাজে অনেক কম প্রভাব ফেলে। সাধারণ মাত্রায় এটি পাকস্থলীর সুরক্ষাব্যবস্থার ওপরও প্রভাব ফেলে না। তাই ডেঙ্গুতে জ্বর ও ব্যথা কমানোর জন্য প্যারাসিটামল তুলনামূলক নিরাপদ বিকল্প।
তবে প্যারাসিটামলও ইচ্ছেমতো খাওয়া যাবে না। অতিরিক্ত মাত্রায় এটি লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। ডেঙ্গুতে লিভার আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় ওষুধটি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করা জরুরি। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রেও দৈনিক সর্বোচ্চ মাত্রা নির্ধারণের সময় শারীরিক অবস্থা, লিভারের স্বাস্থ্য এবং অন্য ওষুধ গ্রহণের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হয়।
পাশাপাশি প্রয়োজন পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ। পানি, খাবার স্যালাইন, স্যুপসহ উপযুক্ত তরল পান করা যেতে পারে। তবে জোর করে অতিরিক্ত তরল পান করা ঠিক নয়; বয়স, শারীরিক অবস্থা ও রোগের পর্যায় অনুযায়ী তরলের পরিমাণ নির্ধারণ করা দরকার। চিকিৎসকের পরামর্শমতো নিয়মিত পর্যবেক্ষণও জরুরি।
.পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী প্রাণী কি মশা!.
প্যারাসিটামল ইচ্ছেমতো খাওয়া যাবে না। অতিরিক্ত মাত্রায় এটি লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। ডেঙ্গুতে লিভার আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় ওষুধটি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করা জরুরি।
.
জ্বর কমে গেলেই নিশ্চিন্ত হয়ে বসে থাকবেন না। ডেঙ্গুতে অনেক সময় জ্বর কমার পরের ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় গুরুতর জটিলতার লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, নাক বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া, রক্তবমি, কালো পায়খানা, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, অস্থিরতা, শ্বাসকষ্ট, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কিংবা প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।
মনে রাখবেন, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম, উপযুক্ত তরল গ্রহণ এবং বিপদের লক্ষণ চিনতে পারা। সামান্য সতর্কতাই কখনো কখনো বড় বিপদ এড়াতে সাহায্য করতে পারে।
লেখক: প্রদায়ক, বিজ্ঞানচিন্তা
সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, যুক্তরাষ্ট্রের রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র এবং ক্লিনিক্যাল কেয়ার অব ডেঙ্গু
.পৃথিবীর সব মশা মেরে ফেললে কি হতো





















