অসুস্থ গরু জবাই, মালিক ও ৬ কসাইকে জরিমানা
- আপডেট সময় : ১০:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগে গরুর মালিক ও ছয় কসাইকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় জবাই করা গরুর মাংস জব্দ করে মাটির নিচে পুঁতে ফেলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহরাব আল আকাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সকালে উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের উত্তর সাহাবাজ গ্রামে গরুর মালিক মো. রফিকুল ইসলামের বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহরাব আল আকাশ।
অভিযানে অসুস্থ গরু জবাইয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর গরুর মালিক মো. রফিকুল ইসলামকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মেডিকেল সনদ ছাড়া পশু জবাইয়ের অপরাধে উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ছয় কসাইকে জরিমানা করা হয়। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে ২ হাজার টাকা করে এবং একজনকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জরিমানা করা কসাইরা হলেন বামনডাঙ্গা হল মোড়ের মো. ফজলু মিয়া, সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার মো. আব্দুল্লাহ ও মো. শাহিন মিয়া, রামভদ্রের সফিউল ইসলাম, রামগঞ্জ বাজারের মো. রেজাউল ইসলাম এবং বামনডাঙ্গা স্লুইচ গেটের মো. জহুরুল ইসলাম।
অভিযানের সময় জবাই করা অসুস্থ গরুর মাংস জব্দ করা হয়। পরে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় মাংসগুলো মাটির নিচে পুঁতে ফেলা হয়। এ সময় উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কে. এম. ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, ‘গরু মালিক ও কসাইদের সচেতন করতে গত দুই মাস ধরে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে উঠান বৈঠক করা হচ্ছে। এরপরও অনেকে অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করছেন। বর্তমানে সুন্দরগঞ্জে অ্যানথ্রাক্স রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় গরু মালিক ও কসাইদের সতর্ক করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।’
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহরাব আল আকাশ বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে পশু জবাই-সংক্রান্ত আইনে গরুর মালিক ও কসাইদের জরিমানা করা হয়েছে।’

























