ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী লাঠি মিছিল ডোমারে মাদক সম্রাজ্ঞী আটক, ৩০টির বেশি মামলা মেয়েকে জড়িয়ে মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তুলে প্রতিষ্ঠানে মবের চেষ্টা পিরোজপুরে জিয়া মঞ্চের কর্মী সভা স্থগিতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন হাতিয়ায় মৃত কৃষকের পরিবার পেল দেড় লাখ টাকার বিমার চেক গাইবান্ধায় ২ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার   ক্যাশমেমো ছাড়া সার বিক্রি, দুই বিসিআইসি ডিলারকে ৪২ হাজার টাকা জরিমানা সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী মশাল মিছিল গাইবান্ধায় হেরোইন-ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ভূমি গবেষক সেলিমের ‘ডিজিটাল ভূমি কার্ড’ উদ্ভাবন, অবসান হবে ‘জোর যার মুলুক তার’ নীতি

রাতের আঁধারে খুলল ইউএনও-সমাজসেবা অফিসের তালা, মুখোমুখি বিএনপি-প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:১০:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ২৬২ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রধান ফটকে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঝুলিয়ে দেওয়া তালা রাতের আঁধারে খুলে গেছে। তবে কে বা কারা তালা খুলেছে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন। সকালে তালা খোলা অবস্থায় অফিসে গিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

বুধবার (১২ আগস্ট) সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, দুই কার্যালয়ের প্রধান ফটকের তালা খোলা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইউএনও কার্যালয়ের দুজন কর্মচারী বলেন, ‘সকালে অফিসে এসে দেখি তালা খোলা। কে বা কারা তালা খুলেছে, তা জানি না।’

এর আগে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে নিয়োগের ফলাফল বাতিল এবং ইউএনও ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করেন উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

দুপুর ১২টার দিকে পৌর শহরের বাহিরগোলা জামে মসজিদ মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে গিয়ে প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের মূল ফটকেও তালা দেওয়া হয়। এতে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে থাকা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, উপজেলা কৃষি অফিস, উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক, উপজেলা তথ্য সেবা অফিস, উপজেলা আইসিটি অফিসের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘ইউএনও’র দুই গালে জুতা মারো তালে তালে’, ‘সমাজসেবার দুই গালে জুতা মারো তালে তালে’, ‘অবৈধ নিয়োগ মানি না, মানবো না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিয়োগ বাতিল না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মসূচিতে তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে যথাযথ নিয়ম, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতা অনুসরণ করা হয়নি। পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দিয়ে যোগ্যদের বঞ্চিত করা হয়েছে বলেও দাবি তাদের।

এদিকে, আজ সকালে তালা খোলা পাওয়ার পর দুই কার্যালয়েই স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে। তবে রাতের আঁধারে তালা কে বা কারা খুলেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে বিএনপি ও প্রশাসনের মধ্যে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।

তালা খোলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতারা। সুন্দরগঞ্জ পৌর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও উপজেলা বিআরডিবির চেয়ারম্যান ইফতেখার হোসেন পপেল তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে দাবি করেন, রাতের আঁধারে প্রশাসন তালা ভেঙে অফিসে প্রবেশ করেছে। তিনি লেখেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড জরিপকারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রতিবাদে আমরা উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অফিসের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়ভাবে উপজেলা প্রশাসন রাতের আঁধারে সেই তালা ভেঙে আজ অফিসে প্রবেশ করেছে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘অনিয়ম-দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। অবিলম্বে এর যথাযথ ও দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।’

 

এবিষয়ে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল ইসলাম প্রামানিক বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে উপজেলা প্রশাসন অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছে। এসব অনিয়মের প্রতিবাদেই আন্দোলনকারীরা কার্যালয়ে তালা লাগিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে তালা খুলে দেওয়ার কোনো আশ্বাস দেওয়া হয়নি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আমাদের সঙ্গে কোনো কথা বলা হয়নি। তাহলে কীভাবে তালা খুলল, তা আমাদের জানা নেই। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।’

এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. বাবুল আহমেদ বলেন, ‘আমরা তালা লাগিয়েছি। এখনো বিষয়টির সমাধান হয়নি। তাহলে কে তাদের তালা খোলার অনুমতি দিয়েছে? বিষয়টি আমরা জানতে চাই। আমরা আসছি।’

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘যারা সরকারি দপ্তরে তালা দেন, তারা মূলত সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই এ ধরনের কাজ করেছেন। সরকারি অফিস সরকারি নিয়ম অনুযায়ীই চলবে। আজ সকাল থেকেই স্বাভাবিক ভাবেই অফিসের কার্যক্রম চলছে।’

তবে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে তিনি বলেন, ‘আমার জানামতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়নি। বরং যোগ্য প্রার্থীরাই নির্বাচিত হয়েছেন। ছয়টি বোর্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে এবং বোর্ডগুলোই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। কারও কোনো অভিযোগ থাকলে তারা আমাকে জানাতে পারতেন। তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেত।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

রাতের আঁধারে খুলল ইউএনও-সমাজসেবা অফিসের তালা, মুখোমুখি বিএনপি-প্রশাসন

আপডেট সময় : ০৩:১০:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রধান ফটকে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঝুলিয়ে দেওয়া তালা রাতের আঁধারে খুলে গেছে। তবে কে বা কারা তালা খুলেছে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন। সকালে তালা খোলা অবস্থায় অফিসে গিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

বুধবার (১২ আগস্ট) সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, দুই কার্যালয়ের প্রধান ফটকের তালা খোলা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইউএনও কার্যালয়ের দুজন কর্মচারী বলেন, ‘সকালে অফিসে এসে দেখি তালা খোলা। কে বা কারা তালা খুলেছে, তা জানি না।’

এর আগে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে নিয়োগের ফলাফল বাতিল এবং ইউএনও ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করেন উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

দুপুর ১২টার দিকে পৌর শহরের বাহিরগোলা জামে মসজিদ মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে গিয়ে প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের মূল ফটকেও তালা দেওয়া হয়। এতে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে থাকা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, উপজেলা কৃষি অফিস, উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক, উপজেলা তথ্য সেবা অফিস, উপজেলা আইসিটি অফিসের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘ইউএনও’র দুই গালে জুতা মারো তালে তালে’, ‘সমাজসেবার দুই গালে জুতা মারো তালে তালে’, ‘অবৈধ নিয়োগ মানি না, মানবো না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিয়োগ বাতিল না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মসূচিতে তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে যথাযথ নিয়ম, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতা অনুসরণ করা হয়নি। পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দিয়ে যোগ্যদের বঞ্চিত করা হয়েছে বলেও দাবি তাদের।

এদিকে, আজ সকালে তালা খোলা পাওয়ার পর দুই কার্যালয়েই স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে। তবে রাতের আঁধারে তালা কে বা কারা খুলেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে বিএনপি ও প্রশাসনের মধ্যে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।

তালা খোলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতারা। সুন্দরগঞ্জ পৌর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও উপজেলা বিআরডিবির চেয়ারম্যান ইফতেখার হোসেন পপেল তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে দাবি করেন, রাতের আঁধারে প্রশাসন তালা ভেঙে অফিসে প্রবেশ করেছে। তিনি লেখেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড জরিপকারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রতিবাদে আমরা উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অফিসের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়ভাবে উপজেলা প্রশাসন রাতের আঁধারে সেই তালা ভেঙে আজ অফিসে প্রবেশ করেছে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘অনিয়ম-দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। অবিলম্বে এর যথাযথ ও দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।’

 

এবিষয়ে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল ইসলাম প্রামানিক বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে উপজেলা প্রশাসন অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছে। এসব অনিয়মের প্রতিবাদেই আন্দোলনকারীরা কার্যালয়ে তালা লাগিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে তালা খুলে দেওয়ার কোনো আশ্বাস দেওয়া হয়নি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আমাদের সঙ্গে কোনো কথা বলা হয়নি। তাহলে কীভাবে তালা খুলল, তা আমাদের জানা নেই। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।’

এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. বাবুল আহমেদ বলেন, ‘আমরা তালা লাগিয়েছি। এখনো বিষয়টির সমাধান হয়নি। তাহলে কে তাদের তালা খোলার অনুমতি দিয়েছে? বিষয়টি আমরা জানতে চাই। আমরা আসছি।’

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘যারা সরকারি দপ্তরে তালা দেন, তারা মূলত সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই এ ধরনের কাজ করেছেন। সরকারি অফিস সরকারি নিয়ম অনুযায়ীই চলবে। আজ সকাল থেকেই স্বাভাবিক ভাবেই অফিসের কার্যক্রম চলছে।’

তবে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে তিনি বলেন, ‘আমার জানামতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়নি। বরং যোগ্য প্রার্থীরাই নির্বাচিত হয়েছেন। ছয়টি বোর্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে এবং বোর্ডগুলোই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। কারও কোনো অভিযোগ থাকলে তারা আমাকে জানাতে পারতেন। তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেত।’