ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:৩২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাতক্ষীরার সদর উপজেলায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন।

শনিবার (১৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের লহ্মীদাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তাছলিমা খাতুন (৩৮) সদর উপজেলার উত্তর বহেরা গ্রামের নুরুজ্জামানের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী সাদ্দাম হোসেন (৪২) লহ্মীদাড়ী গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তাছলিমার ১২ বছর বয়সী এক মেয়ে ও ৯ বছর বয়সী এক ছেলে সন্তান রয়েছে। এছাড়া তিনি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

নিহতের মেয়ে সাদিয়া খাতুন জানায়, তার বাবা প্রায়ই মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করতেন এবং বিভিন্ন সময় ছুরি দিয়ে হত্যার হুমকি দিতেন। শনিবার রাতে সাদ্দাম পাশের ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। রাত ১১টার দিকে তিনি তাছলিমাকে ডেকে অন্য ঘরে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর গুঙানির শব্দ শুনে বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলে দেখতে পান ঘরের দরজায় বাইরে থেকে তালা দেওয়া।

সাদিয়া বলেন, ‘তখনই বুঝতে পারি বাবা আমার মাকে খুন করেছে।’

নিহতের বাবা নুরুজ্জামান অভিযোগ করে বলেন, যৌতুকের দাবিতে সাদ্দাম প্রায়ই তার মেয়েকে মারধর করতেন। টাকা দিলে কিছুদিন ভালো থাকলেও পরে আবার নির্যাতন শুরু করতেন।

তিনি বলেন, ‘শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফোনে জানতে পারি আমার মেয়েকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। আমি ওই পিশাচের ফাঁসি চাই।’

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, ‘পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

সাতক্ষীরায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:৩২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

সাতক্ষীরার সদর উপজেলায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন।

শনিবার (১৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের লহ্মীদাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তাছলিমা খাতুন (৩৮) সদর উপজেলার উত্তর বহেরা গ্রামের নুরুজ্জামানের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী সাদ্দাম হোসেন (৪২) লহ্মীদাড়ী গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তাছলিমার ১২ বছর বয়সী এক মেয়ে ও ৯ বছর বয়সী এক ছেলে সন্তান রয়েছে। এছাড়া তিনি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

নিহতের মেয়ে সাদিয়া খাতুন জানায়, তার বাবা প্রায়ই মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করতেন এবং বিভিন্ন সময় ছুরি দিয়ে হত্যার হুমকি দিতেন। শনিবার রাতে সাদ্দাম পাশের ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। রাত ১১টার দিকে তিনি তাছলিমাকে ডেকে অন্য ঘরে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর গুঙানির শব্দ শুনে বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলে দেখতে পান ঘরের দরজায় বাইরে থেকে তালা দেওয়া।

সাদিয়া বলেন, ‘তখনই বুঝতে পারি বাবা আমার মাকে খুন করেছে।’

নিহতের বাবা নুরুজ্জামান অভিযোগ করে বলেন, যৌতুকের দাবিতে সাদ্দাম প্রায়ই তার মেয়েকে মারধর করতেন। টাকা দিলে কিছুদিন ভালো থাকলেও পরে আবার নির্যাতন শুরু করতেন।

তিনি বলেন, ‘শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফোনে জানতে পারি আমার মেয়েকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। আমি ওই পিশাচের ফাঁসি চাই।’

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, ‘পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।’