ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেসরকারি খাতের ৫৫% কর্মী এআই ব্যবহার করেন, মেটলাইফের জরিপ প্রথমবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১৩ জন, সবাই অকৃতকার্য ঘর হারিয়েও গল্প বলা থামেনি তাঁদের গঙ্গার পানি না এলে ভারতের পণ্যও বাংলাদেশে আসবে না: নাহিদ ইসলাম দেশে আলু চাষ কমছে, পেঁয়াজের বাড়ছে; কারণ কী অন্য আসামিদের সঙ্গে জিয়াউলকে আনলে সবাই আক্রান্ত হতে পারেন—এই বুদ্ধি কোথায় পেলেন: প্রসিকিউশনকে প্রশ্ন ট্রাইব্যুনালের হঠাৎ উচ্ছেদ নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাসা ছাড়তে এক মাস সময় দেওয়ার দাবি বাক্স্বাধীনতা ক্ষুণ্নের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই, রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান নিয়ে রিট খারিজ যুক্তরাষ্ট্রে বসে ওয়ারীতে মাদকের ল্যাব পরিচালনা, দেশে ফিরে গ্রেপ্তার আবার হামলা হলে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হবে, যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি ইরানের

যুব-নেতৃত্বে গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক উপলক্ষে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:১৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬ ৪৩ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে সাতক্ষীরায় যুব-নেতৃত্বাধীন ‘গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক’ উপলক্ষে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৮ মে) সকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এ মানববন্ধনে শতাধিক তরুণ জলবায়ু কর্মী, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম, নেটওয়ার্ক ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সাতক্ষীরা ইয়ুথ হাবের আয়োজনে এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিডো-এর বাস্তবায়নে, গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ ও একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক ন্যায়সঙ্গত ও সমতাভিত্তিক বিশ্ব গড়ে তুলতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব মোকাবিলায় তরুণদের এগিয়ে আসারও আহ্বান জানানো হয়।

এসময় অংশগ্রহণকারীরা ‘জাস্ট ট্রানজিশন’ বা ন্যায্য রূপান্তরের দাবিতে রঙিন ফেস্টুন, হাতে লেখা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ ছিল পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে তৈরি দানবাকৃতির একটি প্রতিকৃতি, যা প্লাস্টিক দূষণ ও জীবাশ্ম জ্বালানির ভয়াবহ ভবিষ্যৎকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরে।

এছাড়া অংশগ্রহণকারীরা মাস্ক পরে জীবাশ্ম জ্বালানির দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকি তুলে ধরে প্রতীকী প্রদর্শনী করেন এবং সাধারণ মানুষকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করেন।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া তরুণ জলবায়ু কর্মী রিপন হোসেন ও হৃদয় বলেন, ‘বাংলাদেশ বর্তমানে জীবাশ্ম জ্বালানির নিঃসরণজনিত বড় হুমকির মুখে রয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষায় এখনই কয়লা ও তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে এগোতে হবে।’

আরেক কর্মী শাহনাজ পারভীন বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বেশি প্রভাব নারীদের ওপর পড়লেও তাদের কণ্ঠ সবচেয়ে কম শোনা হয়। তাই জলবায়ু ন্যায়বিচারে নারীর নেতৃত্ব নিশ্চিত করা জরুরি।’

সংহতি প্রকাশ করে স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত বলেন, ‘জ্বালানি ব্যবহারের সুযোগ একটি মৌলিক মানবাধিকার। পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তরের জন্য এখনই বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।’

আয়োজকরা জানান, বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিবছর একশনএইড বাংলাদেশের ‘ফান্ড আওয়ার ফিউচার’ ক্যাম্পেইনের আওতায় তরুণ জলবায়ু কর্মীদের সংগঠিত করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

যুব-নেতৃত্বে গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক উপলক্ষে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৫:১৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে সাতক্ষীরায় যুব-নেতৃত্বাধীন ‘গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক’ উপলক্ষে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৮ মে) সকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এ মানববন্ধনে শতাধিক তরুণ জলবায়ু কর্মী, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম, নেটওয়ার্ক ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সাতক্ষীরা ইয়ুথ হাবের আয়োজনে এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিডো-এর বাস্তবায়নে, গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ ও একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক ন্যায়সঙ্গত ও সমতাভিত্তিক বিশ্ব গড়ে তুলতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব মোকাবিলায় তরুণদের এগিয়ে আসারও আহ্বান জানানো হয়।

এসময় অংশগ্রহণকারীরা ‘জাস্ট ট্রানজিশন’ বা ন্যায্য রূপান্তরের দাবিতে রঙিন ফেস্টুন, হাতে লেখা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ ছিল পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে তৈরি দানবাকৃতির একটি প্রতিকৃতি, যা প্লাস্টিক দূষণ ও জীবাশ্ম জ্বালানির ভয়াবহ ভবিষ্যৎকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরে।

এছাড়া অংশগ্রহণকারীরা মাস্ক পরে জীবাশ্ম জ্বালানির দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকি তুলে ধরে প্রতীকী প্রদর্শনী করেন এবং সাধারণ মানুষকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করেন।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া তরুণ জলবায়ু কর্মী রিপন হোসেন ও হৃদয় বলেন, ‘বাংলাদেশ বর্তমানে জীবাশ্ম জ্বালানির নিঃসরণজনিত বড় হুমকির মুখে রয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষায় এখনই কয়লা ও তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে এগোতে হবে।’

আরেক কর্মী শাহনাজ পারভীন বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বেশি প্রভাব নারীদের ওপর পড়লেও তাদের কণ্ঠ সবচেয়ে কম শোনা হয়। তাই জলবায়ু ন্যায়বিচারে নারীর নেতৃত্ব নিশ্চিত করা জরুরি।’

সংহতি প্রকাশ করে স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত বলেন, ‘জ্বালানি ব্যবহারের সুযোগ একটি মৌলিক মানবাধিকার। পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তরের জন্য এখনই বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।’

আয়োজকরা জানান, বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিবছর একশনএইড বাংলাদেশের ‘ফান্ড আওয়ার ফিউচার’ ক্যাম্পেইনের আওতায় তরুণ জলবায়ু কর্মীদের সংগঠিত করা হচ্ছে।