ঢাকা ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ, ভাঙচুর বিনার গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়বে ১২ মাস পর্যন্ত ছেলে বেঁচে নেই, এইচএসসির ফল দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বাবা দেশের আর্থিক খাত সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক শুধু শাসকের পরিবর্তন হয়েছে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা-কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন হয়নি: জেএসডি হ্যালোউইনে মা শ্রীদেবীর আইকনিক ‘নাগিনা’ লুকে হইচই ফেলে দিয়েছেন জাহ্নবী সাত দফা না মানলে এক দফা অনিবার্য হয়ে উঠবে: কুষ্টিয়ায় শফিকুর রহমান বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত, চূড়ান্ত পর্ব ২৮ নভেম্বর জমির বাণিজ্যিকীকরণে বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে ঢাকা উচ্চকক্ষ নিয়ে আলোচনা লংমার্চে হবে না, কমিটিতে আসুন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের আর্থিক খাত সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪০:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষা ব্যবস্থা ও তদারকি সক্ষমতা জোরদার করতে ৪৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এ অর্থ দিয়ে ‘আর্থিক খাত সহায়তা প্রকল্প-২’ বাস্তবায়ন করা হবে। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) মধ্যে এ বিষয়ে ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে ইআরডি সচিব মো. শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সংস্থাটির বাংলাদেশ ও ভুটানের বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেম চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

.

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশকে ৩২৮ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) দেওয়া হবে, যা প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন (৪৫ কোটি) মার্কিন ডলারের সমান। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পাঁচ বছর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এর মূল লক্ষ্য দেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তদারকি বাড়ানো এবং ব্যাংক খাতের পুনর্গঠনে সহায়তা করা।

.

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, উত্তোলিত ঋণের ওপর বছরে ১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ দিতে হবে। আর উত্তোলন না করা অর্থের ওপর সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ প্রতিশ্রুতি ফি ধার্য হতে পারে। ঋণ পরিশোধে পাঁচ বছর রেয়াত কালসহ মোট ২৫ বছর সময় পাওয়া যাবে। অর্থাৎ ঋণের অর্থ ছাড়ের পর নির্ধারিত রেয়াতকাল শেষে কিস্তিতে তা পরিশোধ করতে হবে।

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের বৃহত্তম বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অবকাঠামো এবং জ্বালানি খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্থাটি বাংলাদেশকে অর্থায়ন করে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

দেশের আর্থিক খাত সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় : ০২:৪০:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

দেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষা ব্যবস্থা ও তদারকি সক্ষমতা জোরদার করতে ৪৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এ অর্থ দিয়ে ‘আর্থিক খাত সহায়তা প্রকল্প-২’ বাস্তবায়ন করা হবে। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) মধ্যে এ বিষয়ে ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে ইআরডি সচিব মো. শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সংস্থাটির বাংলাদেশ ও ভুটানের বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেম চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

.

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশকে ৩২৮ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) দেওয়া হবে, যা প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন (৪৫ কোটি) মার্কিন ডলারের সমান। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পাঁচ বছর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এর মূল লক্ষ্য দেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তদারকি বাড়ানো এবং ব্যাংক খাতের পুনর্গঠনে সহায়তা করা।

.

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, উত্তোলিত ঋণের ওপর বছরে ১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ দিতে হবে। আর উত্তোলন না করা অর্থের ওপর সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ প্রতিশ্রুতি ফি ধার্য হতে পারে। ঋণ পরিশোধে পাঁচ বছর রেয়াত কালসহ মোট ২৫ বছর সময় পাওয়া যাবে। অর্থাৎ ঋণের অর্থ ছাড়ের পর নির্ধারিত রেয়াতকাল শেষে কিস্তিতে তা পরিশোধ করতে হবে।

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের বৃহত্তম বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অবকাঠামো এবং জ্বালানি খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্থাটি বাংলাদেশকে অর্থায়ন করে আসছে।