লোহাগাড়ায় ওসি আব্দুল জলিলের বদলি: পরিবার আনলে ‘হয়রানির শঙ্কা, মন্তব্য সচেতন মহলের
- আপডেট সময় : ০২:০২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬ ১০৯ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ আবদুল জলিল-এর আকস্মিক বদলি ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে তাঁর পারিবারিক বিষয় নিয়েও। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র পাঁচ মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই বদলির এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই অপ্রত্যাশিত বলে মন্তব্য করেছেন।
এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, ওসি আব্দুল জলিল যদি পরিবারসহ লোহাগাড়ায় স্থায়ীভাবে অবস্থান করতেন এবং তাঁর সন্তানদের স্থানীয় কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতেন, তাহলে পরবর্তীতে হঠাৎ বদলির কারণে তিনি ও তাঁর পরিবারকে বাড়তি হয়রানির মুখে পড়তে হতো। সন্তানদের পড়াশোনা, বাসস্থান পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বাস্তবিক সমস্যার সৃষ্টি হতো বলে মনে করছেন তারা।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, “একজন সরকারি কর্মকর্তার স্বল্প সময়ের ব্যবধানে বারবার বদলি শুধু তাঁর পেশাগত জীবনেই নয়, পারিবারিক জীবনেও প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে সন্তানদের শিক্ষাজীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।
উল্লেখ্য, স্বল্প সময়ের মধ্যেই ওসি আব্দুল জলিল তাঁর দায়িত্বনিষ্ঠা, মানবিক আচরণ ও কর্মতৎপরতার মাধ্যমে এলাকাবাসীর আস্থা অর্জন করেন। অনেকেই মনে করেন, তিনি আরও কিছুদিন দায়িত্বে থাকলে এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আরও সুদৃঢ় হতো।
জানা গেছে, লোহাগাড়ায় যোগদানের আগে তিনি মেঘনা থানা-এ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তিনি ৪ মে)সাতকানিয়া সার্কেল অফিস-এ বদলির আদেশ পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, তাঁর পরিবর্তে চট্টগ্রাম মহানগর ডিবি থেকে মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ লোহাগাড়া থানার নতুন ওসি হিসেবে যোগ দিতে পারেন বলে জানা গেছে, যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
সার্বিকভাবে, ওসি আব্দুল জলিলের এই আকস্মিক বদলি শুধু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবেই নয়, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আরও বিবেচনাপ্রসূত পদক্ষেপ নেবে।

























