ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সবাইকে এক কক্ষে নিয়ে ডাকাতেরা বলে, ‘চিৎকার করলে বোম মেরে উড়িয়ে দেব’ আঞ্চলিক কাব ক্যাম্পুরিতে অংশ নিয়েছে বাবুডাইং কাব স্কাউট দল খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর সন্তানের ওপর বাবা-মায়ের বদদোয়া: পরিণতি কী দুই ঘণ্টা পর মেট্রোরেলের তিন স্টেশন চালু, সড়কেও যান চলাচল স্বাভাবিক সাঁতারের এই টাইমিং দিয়ে কি ‘আন্তর্জাতিক পরীক্ষায়’ পাস করা যাবে ফেসবুকে অস্ত্র হাতে কিশোর গ্যাংয়ের ভিডিও, ‘জোরে বলো এসবিএস’ স্লোগান পৃথিবী বস্তুকে নিজের কেন্দ্রে টানে সিসিটিভি ফুটেজে তাহসিফের সঙ্গে দেখা তরুণী গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ড চাইল পুলিশ দূষণযুক্ত যান নিষিদ্ধ করার ফলে দিল্লিতে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা

দুই ঘণ্টা পর মেট্রোরেলের তিন স্টেশন চালু, সড়কেও যান চলাচল স্বাভাবিক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৬:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে মিরপুর–১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেন আন্দোলনকারীরা।

আজ রোববার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত এই সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে এবং লাঠিপেটা করে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

.

সকাল আটটার দিকে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা মিরপুর–১০ নম্বর মোড়ের সড়ক অবরোধ করেন। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশ তাঁদের সরাতে গেলে বেলা সোয়া ১১টার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। আধা ঘণ্টা উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরে যেতে বারবার অনুরোধ করে পুলিশ। একপর্যায়ে শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। তখন পুলিশ লাঠিপেটা করে শ্রমিকদের ধাওয়া দেয়। এ সময় জলকামান থেকে পানি ছোড়া হয় এবং ব্যবহার করা হয় সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল। এতে শ্রমিকেরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। পরে তাঁরা আবার সংগঠিত হয়ে বিভিন্ন দিক থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন।

.

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মিরপুর–১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। এতে মেট্রোরেলের পানির লাইন পুড়ে যায়। স্টেশনের পূর্ব পাশের একটি গেট এখনো বন্ধ রয়েছে।

মেট্রোরেল স্টেশনের নিরাপত্তাকর্মী খালিদ হাসান বলেন, আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে মিরপুর–১০, মিরপুর–১১ ও পল্লবী মেট্রোরেল স্টেশন দুপুর ১২টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়।

পল্লবী থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. হানিফ প্রথম আলোকে বলেন, বেলা একটার দিকে আন্দোলনকারীরা সড়ক ছেড়ে দেন। পরে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

.

এর আগে মিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মিরপুরের কয়েকটি স্থান থেকে পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সকালে জড়ো হয়ে মিরপুর–১০ নম্বর মোড় অবরোধ করেন। এরপর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।

একই দাবিতে গতকাল শনিবারও মিরপুরে সড়ক অবরোধ করেছিলেন পোশাকশ্রমিকেরা। সেদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত মিরপুর–১০, ১১ ও ১২ নম্বরসহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

দুই ঘণ্টা পর মেট্রোরেলের তিন স্টেশন চালু, সড়কেও যান চলাচল স্বাভাবিক

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে মিরপুর–১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেন আন্দোলনকারীরা।

আজ রোববার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত এই সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে এবং লাঠিপেটা করে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

.

সকাল আটটার দিকে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা মিরপুর–১০ নম্বর মোড়ের সড়ক অবরোধ করেন। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশ তাঁদের সরাতে গেলে বেলা সোয়া ১১টার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। আধা ঘণ্টা উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরে যেতে বারবার অনুরোধ করে পুলিশ। একপর্যায়ে শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। তখন পুলিশ লাঠিপেটা করে শ্রমিকদের ধাওয়া দেয়। এ সময় জলকামান থেকে পানি ছোড়া হয় এবং ব্যবহার করা হয় সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল। এতে শ্রমিকেরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। পরে তাঁরা আবার সংগঠিত হয়ে বিভিন্ন দিক থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন।

.

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মিরপুর–১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। এতে মেট্রোরেলের পানির লাইন পুড়ে যায়। স্টেশনের পূর্ব পাশের একটি গেট এখনো বন্ধ রয়েছে।

মেট্রোরেল স্টেশনের নিরাপত্তাকর্মী খালিদ হাসান বলেন, আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে মিরপুর–১০, মিরপুর–১১ ও পল্লবী মেট্রোরেল স্টেশন দুপুর ১২টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়।

পল্লবী থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. হানিফ প্রথম আলোকে বলেন, বেলা একটার দিকে আন্দোলনকারীরা সড়ক ছেড়ে দেন। পরে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

.

এর আগে মিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মিরপুরের কয়েকটি স্থান থেকে পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সকালে জড়ো হয়ে মিরপুর–১০ নম্বর মোড় অবরোধ করেন। এরপর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।

একই দাবিতে গতকাল শনিবারও মিরপুরে সড়ক অবরোধ করেছিলেন পোশাকশ্রমিকেরা। সেদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত মিরপুর–১০, ১১ ও ১২ নম্বরসহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ ছিল।