ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পবিত্র মক্কা শহরের অনন্য মর্যাদা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৪৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পৃথিবীর অসংখ্য নগরীর মধ্যে আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় মর্যাদার দিক থেকে সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে মক্কা। ইসলামের পবিত্রতম এ নগরীতে অবস্থিত মসজিদুল হারাম, যা পৃথিবীর প্রথম নির্মিত মসজিদ হিসেবে স্বীকৃত।

হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, পৃথিবীতে সর্বপ্রথম নির্মিত মসজিদ হলো মসজিদুল হারাম, এরপর নির্মিত হয় মসজিদুল আকসা। ইসলামি বর্ণনা অনুযায়ী, মসজিদুল হারামে এক রাকাত নামাজ আদায় করলে অন্য যেকোনো মসজিদের তুলনায় বহুগুণ বেশি সওয়াব পাওয়া যায়।

ইসলামে মক্কা নগরীকে ‘হারাম’ বা সম্মানিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। হাদিসে এসেছে, এ নগরীতে বৃক্ষ কাটা, শিকার করা কিংবা অনুমতি ছাড়া হারানো বস্তু গ্রহণ করা নিষিদ্ধ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা বিজয়ের দিন এ শহরের পবিত্রতা ও সম্মান সম্পর্কে বিশেষভাবে ঘোষণা দেন।

ইসলামের ইতিহাসে মক্কার গুরুত্ব অপরিসীম। এখান থেকেই ইসলামের সূচনা এবং বিস্তার লাভ করে। হাদিসে আরও উল্লেখ রয়েছে, কেয়ামতের আগে ইসলাম আবার সংকুচিত হয়ে মক্কা ও মদিনার মধ্যবর্তী এলাকায় সীমাবদ্ধ হয়ে আসবে।

এছাড়া হাদিস অনুযায়ী, দাজ্জাল পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে প্রবেশ করতে পারলেও মক্কা ও মদিনায় প্রবেশ করতে পারবে না। ফেরেশতারা এ দুই পবিত্র নগরীর প্রবেশপথে পাহারায় নিয়োজিত থাকবেন।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে মক্কা শুধু একটি শহর নয়, বরং ইমান, ভালোবাসা ও আত্মিক প্রশান্তির কেন্দ্র। প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মুসল্লি হজ ও ওমরাহ পালনের জন্য এ পবিত্র নগরীতে সমবেত হন।

মুসলিম উম্মাহর প্রত্যাশা, আল্লাহ তায়ালা যেন সবাইকে সঠিকভাবে মক্কা ও মদিনা জিয়ারতের তাওফিক দান করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

পবিত্র মক্কা শহরের অনন্য মর্যাদা

আপডেট সময় : ০১:৪৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

পৃথিবীর অসংখ্য নগরীর মধ্যে আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় মর্যাদার দিক থেকে সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে মক্কা। ইসলামের পবিত্রতম এ নগরীতে অবস্থিত মসজিদুল হারাম, যা পৃথিবীর প্রথম নির্মিত মসজিদ হিসেবে স্বীকৃত।

হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, পৃথিবীতে সর্বপ্রথম নির্মিত মসজিদ হলো মসজিদুল হারাম, এরপর নির্মিত হয় মসজিদুল আকসা। ইসলামি বর্ণনা অনুযায়ী, মসজিদুল হারামে এক রাকাত নামাজ আদায় করলে অন্য যেকোনো মসজিদের তুলনায় বহুগুণ বেশি সওয়াব পাওয়া যায়।

ইসলামে মক্কা নগরীকে ‘হারাম’ বা সম্মানিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। হাদিসে এসেছে, এ নগরীতে বৃক্ষ কাটা, শিকার করা কিংবা অনুমতি ছাড়া হারানো বস্তু গ্রহণ করা নিষিদ্ধ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা বিজয়ের দিন এ শহরের পবিত্রতা ও সম্মান সম্পর্কে বিশেষভাবে ঘোষণা দেন।

ইসলামের ইতিহাসে মক্কার গুরুত্ব অপরিসীম। এখান থেকেই ইসলামের সূচনা এবং বিস্তার লাভ করে। হাদিসে আরও উল্লেখ রয়েছে, কেয়ামতের আগে ইসলাম আবার সংকুচিত হয়ে মক্কা ও মদিনার মধ্যবর্তী এলাকায় সীমাবদ্ধ হয়ে আসবে।

এছাড়া হাদিস অনুযায়ী, দাজ্জাল পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে প্রবেশ করতে পারলেও মক্কা ও মদিনায় প্রবেশ করতে পারবে না। ফেরেশতারা এ দুই পবিত্র নগরীর প্রবেশপথে পাহারায় নিয়োজিত থাকবেন।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে মক্কা শুধু একটি শহর নয়, বরং ইমান, ভালোবাসা ও আত্মিক প্রশান্তির কেন্দ্র। প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মুসল্লি হজ ও ওমরাহ পালনের জন্য এ পবিত্র নগরীতে সমবেত হন।

মুসলিম উম্মাহর প্রত্যাশা, আল্লাহ তায়ালা যেন সবাইকে সঠিকভাবে মক্কা ও মদিনা জিয়ারতের তাওফিক দান করেন।