ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মধ্যবয়সী নারীর ব্যথা, কারণ কি মেনোপজ জেলে-কন্যা লিকার হাতে জাতীয় ব্যাডমিন্টনের শিরোপা, কাঁদলেন মা-মেয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের স্থান পরিবর্তন, সময় একই আছে এমবাপ্পে ও রিয়াল মাদ্রিদের ক্ষমাপ্রার্থনায়ও মন গলছে না চীনের রাতে বাড়ি ফেরার পথে হামলা, সকালে কাশবনে মেয়ের লাশ, দুপুরে বাবার মৃত্যু ‘এক সপ্তাহ ধরে বেচাবিক্রি নেই, কিস্তির টাকা কেমনে দেব’ জামায়াত থেকে আলাদা পরিচয় ধরে রাখতে চায় এনসিপি, লংমার্চে উপস্থিতি নিয়ে ভিন্ন চিন্তা দলটির পাকিস্তান সরকার ইমরান খানকে হত্যার চেষ্টা করছে: ছেলে সুলাইমানের অভিযোগ এবার এনসিটিবির সদস্যসহ চার কর্মকর্তাকে বদলি মাতৃত্ব, ওজন, কাজ আর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভোগের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে যা বললেন ক্যাটরিনা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাত ৮ শহীদের পরিচয় শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:১৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাত শহীদদের মরদেহ শনাক্তকরণ কার্যক্রমে নতুন করে আটজনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট আটটি অজ্ঞাতপরিচয় শহীদের পরিচয় শনাক্ত হলো।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে রায়েরবাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন কবরস্থানে মরদেহ উত্তোলন ও শনাক্তকরণ কার্যক্রম চলাকালে এসব পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। সিআইডির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিআইডি জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাত শহীদদের শনাক্ত করতে মোট ১১৪টি মরদেহ উত্তোলনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে রায়েরবাজার কবরস্থানে অস্থায়ী মর্গ স্থাপন করে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মরদেহ উত্তোলন ও ফরেনসিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

শনাক্ত হওয়া শহীদরা হলে:—

মো. মাহিন মিয়া (৩০), পিতা গাজী মামুদ, মাতা জোসনা বেগম। বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলপুর থানার ফুলপুর গ্রামে। তিনি ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই নিহত হন।

আসাদুল্লাহ (৩১), পিতা মৃত আব্দুল মালেক, মাতা আশেয়া বেগম। বাড়ি শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানা। তিনি নিহত হন ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই।

পারভেজ বেপারী (২২), পিতা সবুজ বেপারী, মাতা শামসুন্নাহার। বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব থানার বারোহাটিয়া গ্রামে। তিনি নিহত হন ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই।

রফিকুল ইসলাম (৫১), পিতা মৃত আব্দুল জব্বার শিকদার। বাড়ি পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার সাতকাছিনা গ্রামে। তিনি নিহত হন ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই।

সোহেল রানা (৩৭), পিতা মৃত মো. লাল মিয়া, মাতা রাশেদা বেগম। বাড়ি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং থানা। তিনি নিহত হন ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই।

রফিকুল ইসলাম (২৮), পিতা মৃত খোরশেদ আলম। বাড়ি ফেনী জেলা। তিনি নিহত হন ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই।

ফয়সাল সরকার (২৫), পিতা শফিকুল ইসলাম। বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার থানার কাচিমারা গ্রাম। তিনি নিহত হন ২০২৪ সালের ২২ জুলাই।

কাবিল হাসান (৫৮), পিতা মৃত বুলু মিয়া, মাতা ছামেনা বেগম। বাড়ি ঢাকার মুগদা থানা এলাকায়। তিনি নিহত হন ২০২৪ সালের ২ আগস্ট।

সিআইডি আরও জানায়, মরদেহ উত্তোলনের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ফরেনসিক চিকিৎসকরা ময়নাতদন্ত পরিচালনা করেন। সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ও কেমিক্যাল ল্যাবরেটরির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়।

এ পর্যন্ত অজ্ঞাতপরিচয় শহীদদের পরিবার ও স্বজনদের কাছ থেকে নয়টি পরিবারের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব নমুনা বিশ্লেষণের মাধ্যমে আটজন শহীদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অবশিষ্ট মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্তের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাত ৮ শহীদের পরিচয় শনাক্ত

আপডেট সময় : ০৯:১৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাত শহীদদের মরদেহ শনাক্তকরণ কার্যক্রমে নতুন করে আটজনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট আটটি অজ্ঞাতপরিচয় শহীদের পরিচয় শনাক্ত হলো।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে রায়েরবাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন কবরস্থানে মরদেহ উত্তোলন ও শনাক্তকরণ কার্যক্রম চলাকালে এসব পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। সিআইডির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিআইডি জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাত শহীদদের শনাক্ত করতে মোট ১১৪টি মরদেহ উত্তোলনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে রায়েরবাজার কবরস্থানে অস্থায়ী মর্গ স্থাপন করে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মরদেহ উত্তোলন ও ফরেনসিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

শনাক্ত হওয়া শহীদরা হলে:—

মো. মাহিন মিয়া (৩০), পিতা গাজী মামুদ, মাতা জোসনা বেগম। বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলপুর থানার ফুলপুর গ্রামে। তিনি ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই নিহত হন।

আসাদুল্লাহ (৩১), পিতা মৃত আব্দুল মালেক, মাতা আশেয়া বেগম। বাড়ি শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানা। তিনি নিহত হন ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই।

পারভেজ বেপারী (২২), পিতা সবুজ বেপারী, মাতা শামসুন্নাহার। বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব থানার বারোহাটিয়া গ্রামে। তিনি নিহত হন ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই।

রফিকুল ইসলাম (৫১), পিতা মৃত আব্দুল জব্বার শিকদার। বাড়ি পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার সাতকাছিনা গ্রামে। তিনি নিহত হন ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই।

সোহেল রানা (৩৭), পিতা মৃত মো. লাল মিয়া, মাতা রাশেদা বেগম। বাড়ি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং থানা। তিনি নিহত হন ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই।

রফিকুল ইসলাম (২৮), পিতা মৃত খোরশেদ আলম। বাড়ি ফেনী জেলা। তিনি নিহত হন ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই।

ফয়সাল সরকার (২৫), পিতা শফিকুল ইসলাম। বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার থানার কাচিমারা গ্রাম। তিনি নিহত হন ২০২৪ সালের ২২ জুলাই।

কাবিল হাসান (৫৮), পিতা মৃত বুলু মিয়া, মাতা ছামেনা বেগম। বাড়ি ঢাকার মুগদা থানা এলাকায়। তিনি নিহত হন ২০২৪ সালের ২ আগস্ট।

সিআইডি আরও জানায়, মরদেহ উত্তোলনের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ফরেনসিক চিকিৎসকরা ময়নাতদন্ত পরিচালনা করেন। সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ও কেমিক্যাল ল্যাবরেটরির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়।

এ পর্যন্ত অজ্ঞাতপরিচয় শহীদদের পরিবার ও স্বজনদের কাছ থেকে নয়টি পরিবারের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব নমুনা বিশ্লেষণের মাধ্যমে আটজন শহীদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অবশিষ্ট মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্তের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।