ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, পুনঃতদন্তের আবেদন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫ ৫২ বার পড়া হয়েছে

Oplus_0

আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ভুল তথ্য দিয়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারি নেয়ার অভিযোগ উঠেছে মোছাঃ সায়মা বেগম নামের এক নারীর বিরুদ্ধ। এ বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দপ্তরে আবেদন করেছন একাধিক ব্যাবসায়ি।

এ ঘটনা ঘটেছে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের রামধন (কালিতলা) বাজারে। মোছা. সায়মা বেগম ওই ইউনিয়নের মনমথ গ্রামের মো. মতিয়ার রহমানের স্ত্রী।

অভিযোগে বলা হয়, ওই ইউনিয়নের রামধন গ্রামের মো. আজাহার আলীর ছেলে মো. হামিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে কালীতলা হাটের সরকারি জায়গায় ধানের ব্যবসা করে আসছেন। এ বছরের গত ৭ মার্চ তিনি মোছা. সায়মা বেগমের কাছে তিনশ টাকার স্ট্যাম্পে মাসিক সাতশ টাকায় ঘরটি ভাড়া দেন। ঘর ভাড়ার সময় দশ হাজার টাকা জামানত নিয়ে পাঁচ বছরের জন্য চুক্তি সম্পন্ন হয়।

অভিযোগকারীরা আরও জানান, গত ৮ জুলাই অনুষ্ঠিত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির লটারিতে বিজয়ী হন মোছা. সায়মা বেগম। কিন্তু তিনি কালীতলা বাজারের কোনো ব্যবসায়ী নন। তবুও সরকারি ঘর ভাড়া দেখিয়ে নিজেকে ব্যবসায়ী প্রমাণ করে লটারিতে অংশ নেন এবং সরকারি সুবিধাভোগীর তালিকায় নাম তোলেন।

অভিযোগকারীরা বলেন, সরকারি হাট-বাজার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী সরকারি সম্পত্তি ভাড়া দেওয়া সম্পূর্ণ অবৈধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ।

তারা সুষ্ঠু পুনঃতদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজ কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, পুনঃতদন্তের আবেদন

আপডেট সময় : ০৫:২৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ভুল তথ্য দিয়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারি নেয়ার অভিযোগ উঠেছে মোছাঃ সায়মা বেগম নামের এক নারীর বিরুদ্ধ। এ বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দপ্তরে আবেদন করেছন একাধিক ব্যাবসায়ি।

এ ঘটনা ঘটেছে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের রামধন (কালিতলা) বাজারে। মোছা. সায়মা বেগম ওই ইউনিয়নের মনমথ গ্রামের মো. মতিয়ার রহমানের স্ত্রী।

অভিযোগে বলা হয়, ওই ইউনিয়নের রামধন গ্রামের মো. আজাহার আলীর ছেলে মো. হামিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে কালীতলা হাটের সরকারি জায়গায় ধানের ব্যবসা করে আসছেন। এ বছরের গত ৭ মার্চ তিনি মোছা. সায়মা বেগমের কাছে তিনশ টাকার স্ট্যাম্পে মাসিক সাতশ টাকায় ঘরটি ভাড়া দেন। ঘর ভাড়ার সময় দশ হাজার টাকা জামানত নিয়ে পাঁচ বছরের জন্য চুক্তি সম্পন্ন হয়।

অভিযোগকারীরা আরও জানান, গত ৮ জুলাই অনুষ্ঠিত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির লটারিতে বিজয়ী হন মোছা. সায়মা বেগম। কিন্তু তিনি কালীতলা বাজারের কোনো ব্যবসায়ী নন। তবুও সরকারি ঘর ভাড়া দেখিয়ে নিজেকে ব্যবসায়ী প্রমাণ করে লটারিতে অংশ নেন এবং সরকারি সুবিধাভোগীর তালিকায় নাম তোলেন।

অভিযোগকারীরা বলেন, সরকারি হাট-বাজার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী সরকারি সম্পত্তি ভাড়া দেওয়া সম্পূর্ণ অবৈধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ।

তারা সুষ্ঠু পুনঃতদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজ কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’