ঢাকা ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৃহত্তর জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর, আজ বৈঠকে বসছেন বিরোধীরা আয়–উপার্জনে বরকত পেতে নবীজির শেখানো ৫ আমল ক্ষমতাসীনেরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে জেতে না, তবে আমরা জোর চেষ্টা চালাচ্ছি: ট্রাম্প তাহসিফ সাউরির মৃত্যু: রিমান্ডে থাকা দীপ ও তরুণীকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ লক্কড়ঝক্কড় বাসে শুধু ‘স্টিকার’ বদল, বাকি সব আগের মতো বিদেশি ঋণের খোঁজে ডলার নাকি পান্ডা বন্ড, কোন পথে সরকার দলীয় নেতার সমর্থন হারানোর দিনই আল–সাইয়েদের তহবিলে রেকর্ড অর্থ চুম্বন, প্রেম থেকে ঝগড়া, ‘বিগ বস’–এ আলোচিত কে এই নন্দিনী জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারী নেই, টিআইবির এ তথ্য অসত্য: মিয়া গোলাম পরওয়ার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে প্রাক্তন ছাত্রকে মারধর করে পুলিশে দিল ছাত্রদল

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব, ইউএনও’র কাছে ১০ সদস্যের আবেদন

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:০২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ৫২৪ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মিজানুর রহমান খোকনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন পরিষদের নির্বাচিত সদস্যরা। একই সঙ্গে অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি আবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত ৬ জুলাই শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের আটজন সাধারণ সদস্য ও দুইজন সংরক্ষিত নারী সদস্যের স্বাক্ষরিত ওই আবেদন ইউএনওর কাছে জমা দেওয়া হয়।

আবেদনে সদস্যরা উল্লেখ করেন, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী চেয়ারম্যানের পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা, সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনস্বার্থে দায়িত্ব পালনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও বর্তমান চেয়ারম্যান দীর্ঘদিন ধরে পরিষদের সিদ্ধান্ত অমান্য, সদস্যদের মতামত উপেক্ষা, প্রশাসনিক অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে এককভাবে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এতে পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে তার প্রতি আস্থাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে।

আবেদনে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের ট্যাক্স আদায়ের অর্থ, পরিষদের ১ শতাংশ তহবিল, এডিপি প্রকল্পের অর্থ এবং হাট-বাজারের ৫ ও ১৫ শতাংশ রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগও আনা হয়েছে।

এ ছাড়া সদস্যরা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ভিডব্লিউবি কার্ড বিতরণেও চেয়ারম্যান একক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নির্বাচিত সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করে প্রতিটি ওয়ার্ডে মাত্র একটি করে সুপারিশ রাখলেও অধিকাংশ কার্ড নিজ সিদ্ধান্তে বিতরণ করেছেন বলে তারা দাবি করেন।

শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে এর আগেও অধিকাংশ সদস্যরা মিলে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছিলাম। পরে প্রশাসনের মধ্যস্থতায় সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়। তারপরেও পরিষদের সিদ্ধান্ত ও সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করে চেয়ারম্যান এককভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।’

একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে ভিডব্লিউবি কার্ড বিতরণেও চেয়ারম্যান সদস্যদের মতামতকে গুরুত্ব দেননি। প্রতিটি সদস্যকে মাত্র একটি করে নাম সুপারিশের সুযোগ দিয়ে বাকি তালিকা নিজেই চূড়ান্ত করেছেন। এতে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হয়েছেন। আমরা চাই এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’

এবিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মিঠু মিয়া বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম এখন ব্যাহত হচ্ছে। সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা না করেই বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। ফলে জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। এ কারণেই পরিষদের ১০ জন সদস্য একমত হয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছি। এখন বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

এবিষয়ে শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মিজানুর রহমান খোকনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের একটি লিখিত আবেদন পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

উল্লেখ্য, শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মিজানুর রহমান খোকনের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে একাধিকবার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। টিসিবির পণ্য বিতরণে অনিয়ম এবং ভিজিএফের চাল কম বিতরণ, টাকার বিনিময়ে কার্ড দেওয়া ও প্রকৃত উপকারভোগীদের বঞ্চিত করার অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা চেয়ারম্যান এবিএম মিজানুর রহমান খোকনকে উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে ইউনিয়ন পরিষদের অধিকাংশ সদস্যরা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কয়েক দফা অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। তবে প্রশাসনের মধ্যস্থতায় সেগুলো সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছিল বলে জানা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব, ইউএনও’র কাছে ১০ সদস্যের আবেদন

আপডেট সময় : ০৬:০২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মিজানুর রহমান খোকনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন পরিষদের নির্বাচিত সদস্যরা। একই সঙ্গে অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি আবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত ৬ জুলাই শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের আটজন সাধারণ সদস্য ও দুইজন সংরক্ষিত নারী সদস্যের স্বাক্ষরিত ওই আবেদন ইউএনওর কাছে জমা দেওয়া হয়।

আবেদনে সদস্যরা উল্লেখ করেন, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী চেয়ারম্যানের পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা, সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনস্বার্থে দায়িত্ব পালনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও বর্তমান চেয়ারম্যান দীর্ঘদিন ধরে পরিষদের সিদ্ধান্ত অমান্য, সদস্যদের মতামত উপেক্ষা, প্রশাসনিক অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে এককভাবে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এতে পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে তার প্রতি আস্থাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে।

আবেদনে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের ট্যাক্স আদায়ের অর্থ, পরিষদের ১ শতাংশ তহবিল, এডিপি প্রকল্পের অর্থ এবং হাট-বাজারের ৫ ও ১৫ শতাংশ রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগও আনা হয়েছে।

এ ছাড়া সদস্যরা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ভিডব্লিউবি কার্ড বিতরণেও চেয়ারম্যান একক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নির্বাচিত সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করে প্রতিটি ওয়ার্ডে মাত্র একটি করে সুপারিশ রাখলেও অধিকাংশ কার্ড নিজ সিদ্ধান্তে বিতরণ করেছেন বলে তারা দাবি করেন।

শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে এর আগেও অধিকাংশ সদস্যরা মিলে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছিলাম। পরে প্রশাসনের মধ্যস্থতায় সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়। তারপরেও পরিষদের সিদ্ধান্ত ও সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করে চেয়ারম্যান এককভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।’

একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে ভিডব্লিউবি কার্ড বিতরণেও চেয়ারম্যান সদস্যদের মতামতকে গুরুত্ব দেননি। প্রতিটি সদস্যকে মাত্র একটি করে নাম সুপারিশের সুযোগ দিয়ে বাকি তালিকা নিজেই চূড়ান্ত করেছেন। এতে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হয়েছেন। আমরা চাই এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’

এবিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মিঠু মিয়া বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম এখন ব্যাহত হচ্ছে। সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা না করেই বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। ফলে জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। এ কারণেই পরিষদের ১০ জন সদস্য একমত হয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছি। এখন বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

এবিষয়ে শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মিজানুর রহমান খোকনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের একটি লিখিত আবেদন পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

উল্লেখ্য, শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মিজানুর রহমান খোকনের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে একাধিকবার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। টিসিবির পণ্য বিতরণে অনিয়ম এবং ভিজিএফের চাল কম বিতরণ, টাকার বিনিময়ে কার্ড দেওয়া ও প্রকৃত উপকারভোগীদের বঞ্চিত করার অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা চেয়ারম্যান এবিএম মিজানুর রহমান খোকনকে উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে ইউনিয়ন পরিষদের অধিকাংশ সদস্যরা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কয়েক দফা অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। তবে প্রশাসনের মধ্যস্থতায় সেগুলো সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছিল বলে জানা যায়।