ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মধ্যবয়সী নারীর ব্যথা, কারণ কি মেনোপজ জেলে-কন্যা লিকার হাতে জাতীয় ব্যাডমিন্টনের শিরোপা, কাঁদলেন মা-মেয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের স্থান পরিবর্তন, সময় একই আছে এমবাপ্পে ও রিয়াল মাদ্রিদের ক্ষমাপ্রার্থনায়ও মন গলছে না চীনের রাতে বাড়ি ফেরার পথে হামলা, সকালে কাশবনে মেয়ের লাশ, দুপুরে বাবার মৃত্যু ‘এক সপ্তাহ ধরে বেচাবিক্রি নেই, কিস্তির টাকা কেমনে দেব’ জামায়াত থেকে আলাদা পরিচয় ধরে রাখতে চায় এনসিপি, লংমার্চে উপস্থিতি নিয়ে ভিন্ন চিন্তা দলটির পাকিস্তান সরকার ইমরান খানকে হত্যার চেষ্টা করছে: ছেলে সুলাইমানের অভিযোগ এবার এনসিটিবির সদস্যসহ চার কর্মকর্তাকে বদলি মাতৃত্ব, ওজন, কাজ আর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভোগের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে যা বললেন ক্যাটরিনা

জামায়াত থেকে আলাদা পরিচয় ধরে রাখতে চায় এনসিপি, লংমার্চে উপস্থিতি নিয়ে ভিন্ন চিন্তা দলটির

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের সঙ্গে লংমার্চসহ বড় পরিসরের কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে। এই সময়ে মাঠপর্যায়ে দলটির নিজস্ব উদ্যোগে বড় সভা-সমাবেশ সেভাবে হয়নি। লংমার্চের রাজনীতির ‘ফসল’ আলাদা দল হিসেবে এনসিপির কতটা কাজে লাগছে, তা নিয়ে দলটিতে নানা মত রয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যে থাকলেও পৃথক দল হিসেবে এনসিপি নিজেদের ‘স্বতন্ত্র পরিচয়’ ধরে রাখতে চায়। এরই অংশ হিসেবে ১১–দলীয় ঐক্যের খুলনা বিভাগীয় লংমার্চের এক দিন আগে আগামীকাল শুক্রবার ঢাকার শাহবাগে গণবিক্ষোভ ডেকেছে। এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার যৌথ উদ্যোগে এই বিক্ষোভ হবে।

.

গণবিক্ষোভ সামনে রেখে ২৩ অক্টোবর থেকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় প্রচারপত্র বিতরণ করছে এনসিপি। এসব কর্মসূচিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আবদুল্লাহ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নিয়েছেন। এসব কর্মসূচিতে তাঁদের ১১ দলের খুলনা অভিমুখী লংমার্চের পক্ষে কিছু বলতে দেখা যায়নি।

চট্টগ্রাম ও রংপুরের পর আগামী শনিবার (৩১ অক্টোবর) খুলনা বিভাগে যাচ্ছে ১১ দলের লংমার্চের গাড়িবহর। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের লংমার্চে এনসিপির অংশগ্রহণ ‘প্রতীকী’ হয়ে উঠতে পারে। এর আগের দুটি লংমার্চে এনসিপির আহ্বায়ক–সদস্যসচিবসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নিলেও এবার প্রতিনিধি হিসেবে দু–একজন যেতে পারেন।

.

এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের একজন সদস্যের ভাষ্য, ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বিষয়টি জনপরিসরে জামায়াতের কর্মসূচি হিসেবে একধরনের ধারণা তৈরি হয়েছে।

.

খুলনায় যেতে পারেন সারজিস

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এনসিপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের ছয়জন নেতার সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। তাঁদের বেশির ভাগের ভাষ্য, এনসিপিকে জামায়াতের সঙ্গে মিলিয়ে অনেকে অপপ্রচার করেন। কিন্তু এনসিপি ও জামায়াত যে সম্পূর্ণ আলাদা দল, দুই দলের মতাদর্শ ও সাংগঠনিক কাঠামো যে আলাদা, সেই বার্তাটি এনসিপি জোরালোভাবে মাঠে রাখতে চায়। সে জন্য দলের নিজস্ব কর্মসূচি বাড়ানো হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে শাহবাগে গণবিক্ষোভ করা হচ্ছে। এনসিপির ঢাকার দুই মহানগর শাখার এই আয়োজনে দুই থেকে তিন হাজার লোকের জমায়েত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের একজন সদস্যের ভাষ্য, ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বিষয়টি জনপরিসরে জামায়াতের কর্মসূচি হিসেবে একধরনের ধারণা তৈরি হয়েছে। এনসিপি সর্বশক্তি নিয়ে আগের দুটি (চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগ) লংমার্চ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে। কিন্তু এনসিপির পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, লংমার্চে গিয়ে পৃথক দল হিসেবে এনসিপির ‘ব্র্যান্ডিং’ সেভাবে হচ্ছে না এবং এটি এনসিপির সক্ষমতায়ও বেশি কিছু যোগ করছে না।

.

এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে কিছুটা সাংগঠনিক দূরত্ব বজায় রাখার চিন্তা করছে বলে জানান দলের রাজনৈতিক পর্ষদের আরেকজন সদস্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, ১১ দলের খুলনা বিভাগীয় লংমার্চে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম না–ও যেতে পারেন। এখন পর্যন্ত যে আলোচনা হয়েছে, সে অনুযায়ী এনসিপির পক্ষ থেকে খুলনায় যাবেন সারজিস আলম। যদিও আগের দুটি লংমার্চে এনসিপির আহ্বায়ক-সদস্যসচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ সব নেতা অংশ নিয়েছেন। কিন্তু এবারের লংমার্চে এনসিপির প্রতীকী উপস্থিতি থাকবে।

.

এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে কিছুটা সাংগঠনিক দূরত্ব বজায় রাখার চিন্তা করছে বলে জানান দলের রাজনৈতিক পর্ষদের আরেকজন সদস্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, ১১ দলের খুলনা বিভাগীয় লংমার্চে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম না–ও যেতে পারেন। এখন পর্যন্ত যে আলোচনা হয়েছে, সে অনুযায়ী এনসিপির পক্ষ থেকে খুলনায় যাবেন সারজিস আলম। যদিও আগের দুটি লংমার্চে এনসিপির আহ্বায়ক-সদস্যসচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ সব নেতা অংশ নিয়েছেন। কিন্তু এবারের লংমার্চে এনসিপির প্রতীকী উপস্থিতি থাকবে।

জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে নাহিদ ইসলামকে খুলনা বিভাগীয় লংমার্চে অংশ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে এনসিপির উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। বুধবার ১১–দলীয় ঐক্যের নেতাদের একটি বৈঠকেও নাহিদ অংশ নিয়েছেন। ফলে লংমার্চে শেষ পর্যন্ত এনসিপি অংশ নেবে কি নেবে না, তা দেখার জন্য আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

তবে ১১ দলের লংমার্চের আগের দিন গণবিক্ষোভ আয়োজনের বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আমাদের দুজন প্রার্থী। এখন মহানগরে আমাদের কমিটি পুনর্গঠন হবে। এর সঙ্গে জনসম্পৃক্ত বিষয়ে স্বতন্ত্র কর্মসূচি দিতে দলের ওপর একধরনের চাপ আছে। সব মিলিয়েই গণবিক্ষোভ কর্মসূচিটি হচ্ছে। এর সঙ্গে লংমার্চের কোনো বিরোধ নেই।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

জামায়াত থেকে আলাদা পরিচয় ধরে রাখতে চায় এনসিপি, লংমার্চে উপস্থিতি নিয়ে ভিন্ন চিন্তা দলটির

আপডেট সময় : ০৭:১৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের সঙ্গে লংমার্চসহ বড় পরিসরের কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে। এই সময়ে মাঠপর্যায়ে দলটির নিজস্ব উদ্যোগে বড় সভা-সমাবেশ সেভাবে হয়নি। লংমার্চের রাজনীতির ‘ফসল’ আলাদা দল হিসেবে এনসিপির কতটা কাজে লাগছে, তা নিয়ে দলটিতে নানা মত রয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যে থাকলেও পৃথক দল হিসেবে এনসিপি নিজেদের ‘স্বতন্ত্র পরিচয়’ ধরে রাখতে চায়। এরই অংশ হিসেবে ১১–দলীয় ঐক্যের খুলনা বিভাগীয় লংমার্চের এক দিন আগে আগামীকাল শুক্রবার ঢাকার শাহবাগে গণবিক্ষোভ ডেকেছে। এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার যৌথ উদ্যোগে এই বিক্ষোভ হবে।

.

গণবিক্ষোভ সামনে রেখে ২৩ অক্টোবর থেকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় প্রচারপত্র বিতরণ করছে এনসিপি। এসব কর্মসূচিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আবদুল্লাহ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নিয়েছেন। এসব কর্মসূচিতে তাঁদের ১১ দলের খুলনা অভিমুখী লংমার্চের পক্ষে কিছু বলতে দেখা যায়নি।

চট্টগ্রাম ও রংপুরের পর আগামী শনিবার (৩১ অক্টোবর) খুলনা বিভাগে যাচ্ছে ১১ দলের লংমার্চের গাড়িবহর। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের লংমার্চে এনসিপির অংশগ্রহণ ‘প্রতীকী’ হয়ে উঠতে পারে। এর আগের দুটি লংমার্চে এনসিপির আহ্বায়ক–সদস্যসচিবসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নিলেও এবার প্রতিনিধি হিসেবে দু–একজন যেতে পারেন।

.

এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের একজন সদস্যের ভাষ্য, ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বিষয়টি জনপরিসরে জামায়াতের কর্মসূচি হিসেবে একধরনের ধারণা তৈরি হয়েছে।

.

খুলনায় যেতে পারেন সারজিস

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এনসিপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের ছয়জন নেতার সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। তাঁদের বেশির ভাগের ভাষ্য, এনসিপিকে জামায়াতের সঙ্গে মিলিয়ে অনেকে অপপ্রচার করেন। কিন্তু এনসিপি ও জামায়াত যে সম্পূর্ণ আলাদা দল, দুই দলের মতাদর্শ ও সাংগঠনিক কাঠামো যে আলাদা, সেই বার্তাটি এনসিপি জোরালোভাবে মাঠে রাখতে চায়। সে জন্য দলের নিজস্ব কর্মসূচি বাড়ানো হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে শাহবাগে গণবিক্ষোভ করা হচ্ছে। এনসিপির ঢাকার দুই মহানগর শাখার এই আয়োজনে দুই থেকে তিন হাজার লোকের জমায়েত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের একজন সদস্যের ভাষ্য, ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বিষয়টি জনপরিসরে জামায়াতের কর্মসূচি হিসেবে একধরনের ধারণা তৈরি হয়েছে। এনসিপি সর্বশক্তি নিয়ে আগের দুটি (চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগ) লংমার্চ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে। কিন্তু এনসিপির পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, লংমার্চে গিয়ে পৃথক দল হিসেবে এনসিপির ‘ব্র্যান্ডিং’ সেভাবে হচ্ছে না এবং এটি এনসিপির সক্ষমতায়ও বেশি কিছু যোগ করছে না।

.

এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে কিছুটা সাংগঠনিক দূরত্ব বজায় রাখার চিন্তা করছে বলে জানান দলের রাজনৈতিক পর্ষদের আরেকজন সদস্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, ১১ দলের খুলনা বিভাগীয় লংমার্চে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম না–ও যেতে পারেন। এখন পর্যন্ত যে আলোচনা হয়েছে, সে অনুযায়ী এনসিপির পক্ষ থেকে খুলনায় যাবেন সারজিস আলম। যদিও আগের দুটি লংমার্চে এনসিপির আহ্বায়ক-সদস্যসচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ সব নেতা অংশ নিয়েছেন। কিন্তু এবারের লংমার্চে এনসিপির প্রতীকী উপস্থিতি থাকবে।

.

এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে কিছুটা সাংগঠনিক দূরত্ব বজায় রাখার চিন্তা করছে বলে জানান দলের রাজনৈতিক পর্ষদের আরেকজন সদস্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, ১১ দলের খুলনা বিভাগীয় লংমার্চে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম না–ও যেতে পারেন। এখন পর্যন্ত যে আলোচনা হয়েছে, সে অনুযায়ী এনসিপির পক্ষ থেকে খুলনায় যাবেন সারজিস আলম। যদিও আগের দুটি লংমার্চে এনসিপির আহ্বায়ক-সদস্যসচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ সব নেতা অংশ নিয়েছেন। কিন্তু এবারের লংমার্চে এনসিপির প্রতীকী উপস্থিতি থাকবে।

জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে নাহিদ ইসলামকে খুলনা বিভাগীয় লংমার্চে অংশ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে এনসিপির উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। বুধবার ১১–দলীয় ঐক্যের নেতাদের একটি বৈঠকেও নাহিদ অংশ নিয়েছেন। ফলে লংমার্চে শেষ পর্যন্ত এনসিপি অংশ নেবে কি নেবে না, তা দেখার জন্য আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

তবে ১১ দলের লংমার্চের আগের দিন গণবিক্ষোভ আয়োজনের বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আমাদের দুজন প্রার্থী। এখন মহানগরে আমাদের কমিটি পুনর্গঠন হবে। এর সঙ্গে জনসম্পৃক্ত বিষয়ে স্বতন্ত্র কর্মসূচি দিতে দলের ওপর একধরনের চাপ আছে। সব মিলিয়েই গণবিক্ষোভ কর্মসূচিটি হচ্ছে। এর সঙ্গে লংমার্চের কোনো বিরোধ নেই।’