ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইংলিসের সেঞ্চুরির দিনে স্বস্তিতে অস্ট্রেলিয়া এক লাখ ৩০ হাজারের বেশি ভোটে জামায়াতের প্রার্থীকে হারালেন মির্জা ফয়সল প্রাচীন আলেমদের ‘মাজহাব’ পরিবর্তনের ইতিহাস সাড়ে চার বছর পর জ্যেষ্ঠতাসহ দুদকের চাকরি ফিরে পাচ্ছেন শরীফ শামসুর রাহমানের সাক্ষাৎকার: সময় সব ধূসর করে দেয় সখীপুরে দুই বাক্স গ্রেনেডসদৃশ বস্তু উদ্ধার, গায়ে লেখা ‘ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, টাঙ্গাইল’ সুষ্ঠু নির্বাচনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করছে জামায়াত: রিজভী মধ্যবয়সী নারীর ব্যথা, কারণ কি মেনোপজ জেলে-কন্যা লিকার হাতে জাতীয় ব্যাডমিন্টনের শিরোপা, কাঁদলেন মা-মেয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের স্থান পরিবর্তন, সময় একই আছে

রোজায় প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার দাবি শিক্ষকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৪:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পবিত্র রমজান মাসে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রণীত বার্ষিক ছুটির তালিকায় রমজানের প্রায় পুরো সময় বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে পরিষদের আহ্বায়ক মো. আবুল কাসেম, মোহাম্মদ শামছুদ্দিন মাসুদ, মু. মাহবুবর রহমান ও খায়রুন নাহার লিপির স্বাক্ষর রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব রওশন আরা পলির সই করা একটি বাৎসরিক ছুটির তালিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তালিকাটির দাপ্তরিক সত্যতা নিয়ে শিক্ষকরা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তবে তালিকাটি সঠিক হলে এতে একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে বলে দাবি করা হয়।

শিক্ষক নেতারা জানান, বিগত বছরগুলোতে শুক্র ও শনিবারকে শূন্য দিন হিসেবে গণনা করা হলেও বর্তমান ছুটির তালিকায় কিছু ক্ষেত্রে এই নিয়ম মানা হয়নি। বিশেষ করে ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ এবং ২০ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বরের ছুটির মধ্যে শুক্র ও শনিবার গণনায় অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। এতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

রমজান মাসে বিদ্যালয় বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রমজান মুসলমানদের জন্য পবিত্র মাস। রোজা রেখে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান করা শিক্ষকদের জন্য যেমন কষ্টসাধ্য, তেমনি অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষেও রোজা রেখে নিয়মিত ক্লাস করা কঠিন। বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার দাবি জানান তারা।

এছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নারী শিক্ষকের সংখ্যা বেশি হওয়ায় স্কুল শেষে ইফতার প্রস্তুতিও তাদের জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে বলে উল্লেখ করা হয়। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ছুটির তালিকা সংশোধন করে পুনরায় প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

রোজায় প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার দাবি শিক্ষকদের

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রণীত বার্ষিক ছুটির তালিকায় রমজানের প্রায় পুরো সময় বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে পরিষদের আহ্বায়ক মো. আবুল কাসেম, মোহাম্মদ শামছুদ্দিন মাসুদ, মু. মাহবুবর রহমান ও খায়রুন নাহার লিপির স্বাক্ষর রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব রওশন আরা পলির সই করা একটি বাৎসরিক ছুটির তালিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তালিকাটির দাপ্তরিক সত্যতা নিয়ে শিক্ষকরা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তবে তালিকাটি সঠিক হলে এতে একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে বলে দাবি করা হয়।

শিক্ষক নেতারা জানান, বিগত বছরগুলোতে শুক্র ও শনিবারকে শূন্য দিন হিসেবে গণনা করা হলেও বর্তমান ছুটির তালিকায় কিছু ক্ষেত্রে এই নিয়ম মানা হয়নি। বিশেষ করে ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ এবং ২০ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বরের ছুটির মধ্যে শুক্র ও শনিবার গণনায় অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। এতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

রমজান মাসে বিদ্যালয় বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রমজান মুসলমানদের জন্য পবিত্র মাস। রোজা রেখে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান করা শিক্ষকদের জন্য যেমন কষ্টসাধ্য, তেমনি অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষেও রোজা রেখে নিয়মিত ক্লাস করা কঠিন। বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার দাবি জানান তারা।

এছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নারী শিক্ষকের সংখ্যা বেশি হওয়ায় স্কুল শেষে ইফতার প্রস্তুতিও তাদের জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে বলে উল্লেখ করা হয়। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ছুটির তালিকা সংশোধন করে পুনরায় প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষকরা।