ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

সাড়ে চার বছর পর জ্যেষ্ঠতাসহ দুদকের চাকরি ফিরে পাচ্ছেন শরীফ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উপসহকারী পরিচালকের পদ থেকে চাকরিচ্যুত মো. শরীফ উদ্দিনকে জ্যেষ্ঠতাসহ পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করে সংস্থাটি। এই আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। ফলে সাড়ে চার বছরের বেশি সময় আগে চাকুরিচ্যুত শরীফ উদ্দিনের জ্যেষ্ঠতাসহ দুদকের চাকরিতে পুনর্বহালে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী।

২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি দুদক পটুয়াখালী কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিনকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়। ২০২১ সালের ১৬ জুন পটুয়াখালীতে বদলির আগে শরীফ দুদকের চট্টগ্রাম কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। সে সময় সরকারি প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণে অনিয়মের ঘটনা তদন্ত করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করার সুপারিশ করেছিলেন তিনি। দায়িত্ব পালনের কারণে প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন জানিয়ে থানায় জিডিও করেছিলেন দুদকের তৎকালীন এই কর্মকর্তা। শরীফের চাকরিচ্যুতি ঘিরে তখন বেশ আলোচনা সৃষ্টি হয়। চাকরিচ্যুতির প্রতিবাদে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সামনেও দুদকের কর্মীদের অংশগ্রহণে মানববন্ধনের মতো ঘটনা ঘটে।

.

চাকরি ফিরে পেতে রিট

শরীফ উদ্দিনকে চাকরিচ্যুতি–সংক্রান্ত দুদকের আদেশে বলা হয়, ‘দুর্নীতি দমন কমিশন (কর্মচারী) বিধিমালা, ২০০৮-এর বিধি ৫৪ (২)-তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মো. শরীফ উদ্দিন (উপসহকারী পরিচালক) দুদক, সমন্বিত জেলা কার্যক্রম, পটুয়াখালীকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হলো। তিনি বিধি মোতাবেক ৯০ দিনের বেতন এবং প্রযোজ্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।’

তবে কোনো ধরনের কারণ দর্শানো ছাড়াই কোনো কর্মীকে চাকরি থেকে অপসারণ-সংক্রান্ত দুদক কর্মচারী বিধিমালার ৫৪(২) বিধির বৈধতা নিয়ে ও চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশনা চেয়ে শরীফ ২০২২ সালের ১৩ মার্চ রিট করেন। রিটের শুনানিতে এর আগে ৫৪(২) বিধির ক্ষমতাবলে দুদকের আরেকজন কর্মকর্তাকে (মো. আহসান আলী) চাকরিচ্যুতি নিয়ে রায়ের বিরুদ্ধে দুদকের করা আপিল শুনানির জন্য আপিল বিভাগে রয়েছে বলে আদালতে তুলে ধরা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালের ২৫ মে হাইকোর্ট এক আদেশে ওই আপিলের (দুদকের আপিল) নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৫৪ (২) ধারায় চাকরিচ্যুতির বৈধতা নিয়ে শরীফের করা রিটের শুনানি মুলতবি করেন।

ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে ২০২২ সালের ১৬ জুন আপিল বিভাগে শরীফ লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন। মো. আহসান আলীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ৫৪(২) বিধি বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে দুদকের করা আপিলের সঙ্গে শরীফের করা লিভ টু আপিল একসঙ্গে শুনানির জন্য ওঠে। ২০২৩ সালের ১৬ মার্চ আপিল বিভাগ দুদকের করা আপিল মঞ্জুর করে রায় দেন। ওই বিধি বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করা হয়। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে শরীফ উদ্দিনের করা লিভ টু আপিল প্রয়োজনের বাড়তি বলে উল্লেখ করা হয়।

.

আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয়। পূর্ণাঙ্গ রায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (কর্মচারী) চাকরি বিধিমালার ৫৪(২) বিধিটি সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োগ করতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়। এই পর্যবেক্ষণসহ বিধিটি প্রয়োগের ক্ষেত্রে দুদককে ১২ দফা পর্যবেক্ষণ বা গাইডলাইন অনুসরণ করতে বলা হয়।

জ্যেষ্ঠতাসহ পুনর্বহালের নির্দেশ

আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর শরীফের করা রিট হাইকোর্টে শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হয়। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল দেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের ৯ জুলাই হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে শরীফ উদ্দিনকে চাকরিচ্যুতির ২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারির আদেশটি আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও শুরু থেকে বাতিল ঘোষণা করা হয়। হাইকোর্ট জ্যেষ্ঠতা ও বকেয়া সব সুবিধাসহ শরীফ উদ্দিনকে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে নির্দেশ দেন। রায়ের অনুলিপি গ্রহণের ৩০ দিনের মধ্যে নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। হাইকোর্টের রায়ের ফলে শরীফ উদ্দিনের চাকরিতে পুনর্বহালের পথ খোলে।

.দুদকের সাবেক কর্মকর্তা শরীফ এখন দোকানের কর্মী.

দুদকের লিভ টু আপিল প্রত্যাহার

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে গত বছর লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি) চেয়ে আবেদন করে দুদক। দেওয়ানি এই লিভ টু আপিল প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করে সংস্থাটি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ অক্টোবর আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত আদেশ দেন। এ-সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়, আবেদনকারীর পক্ষে উপস্থিত আইনজীবী (অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড) দেওয়ানি লিভ টু আপিলটি না চালানোর জন্য নির্দেশনা পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তাঁর এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে না চালানোর (নট টু প্রসিড) কারণে লিভ টু আপিলটি খারিজ করা হলো।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দুদক যে লিভ টু আপিল করেছিল, তা প্রত্যাহার চেয়ে সংস্থাটি আবেদন করে বলে জানান শরীফ উদ্দিনের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সালাহ উদ্দীন দোলন। আজ বৃহস্পতিবার তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেছেন। অর্থাৎ লিভ টু আপিল প্রত্যাহার হয়ে গেল। জ্যেষ্ঠতা ও বকেয়া সব সুবিধাসহ শরীফ উদ্দিনকে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়ে রায় দিয়েছিলেন, তা বহাল রইল। শরীফের চাকরিতে ফেরার পথ খুলেছে। জ্যেষ্ঠতা ও বকেয়া সব সুবিধাসহ শরীফের চাকরিতে পুনর্বহালে আর কোনো বাধা নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

সাড়ে চার বছর পর জ্যেষ্ঠতাসহ দুদকের চাকরি ফিরে পাচ্ছেন শরীফ

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

উপসহকারী পরিচালকের পদ থেকে চাকরিচ্যুত মো. শরীফ উদ্দিনকে জ্যেষ্ঠতাসহ পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করে সংস্থাটি। এই আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। ফলে সাড়ে চার বছরের বেশি সময় আগে চাকুরিচ্যুত শরীফ উদ্দিনের জ্যেষ্ঠতাসহ দুদকের চাকরিতে পুনর্বহালে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী।

২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি দুদক পটুয়াখালী কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিনকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়। ২০২১ সালের ১৬ জুন পটুয়াখালীতে বদলির আগে শরীফ দুদকের চট্টগ্রাম কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। সে সময় সরকারি প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণে অনিয়মের ঘটনা তদন্ত করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করার সুপারিশ করেছিলেন তিনি। দায়িত্ব পালনের কারণে প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন জানিয়ে থানায় জিডিও করেছিলেন দুদকের তৎকালীন এই কর্মকর্তা। শরীফের চাকরিচ্যুতি ঘিরে তখন বেশ আলোচনা সৃষ্টি হয়। চাকরিচ্যুতির প্রতিবাদে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সামনেও দুদকের কর্মীদের অংশগ্রহণে মানববন্ধনের মতো ঘটনা ঘটে।

.

চাকরি ফিরে পেতে রিট

শরীফ উদ্দিনকে চাকরিচ্যুতি–সংক্রান্ত দুদকের আদেশে বলা হয়, ‘দুর্নীতি দমন কমিশন (কর্মচারী) বিধিমালা, ২০০৮-এর বিধি ৫৪ (২)-তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মো. শরীফ উদ্দিন (উপসহকারী পরিচালক) দুদক, সমন্বিত জেলা কার্যক্রম, পটুয়াখালীকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হলো। তিনি বিধি মোতাবেক ৯০ দিনের বেতন এবং প্রযোজ্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।’

তবে কোনো ধরনের কারণ দর্শানো ছাড়াই কোনো কর্মীকে চাকরি থেকে অপসারণ-সংক্রান্ত দুদক কর্মচারী বিধিমালার ৫৪(২) বিধির বৈধতা নিয়ে ও চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশনা চেয়ে শরীফ ২০২২ সালের ১৩ মার্চ রিট করেন। রিটের শুনানিতে এর আগে ৫৪(২) বিধির ক্ষমতাবলে দুদকের আরেকজন কর্মকর্তাকে (মো. আহসান আলী) চাকরিচ্যুতি নিয়ে রায়ের বিরুদ্ধে দুদকের করা আপিল শুনানির জন্য আপিল বিভাগে রয়েছে বলে আদালতে তুলে ধরা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালের ২৫ মে হাইকোর্ট এক আদেশে ওই আপিলের (দুদকের আপিল) নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৫৪ (২) ধারায় চাকরিচ্যুতির বৈধতা নিয়ে শরীফের করা রিটের শুনানি মুলতবি করেন।

ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে ২০২২ সালের ১৬ জুন আপিল বিভাগে শরীফ লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন। মো. আহসান আলীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ৫৪(২) বিধি বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে দুদকের করা আপিলের সঙ্গে শরীফের করা লিভ টু আপিল একসঙ্গে শুনানির জন্য ওঠে। ২০২৩ সালের ১৬ মার্চ আপিল বিভাগ দুদকের করা আপিল মঞ্জুর করে রায় দেন। ওই বিধি বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করা হয়। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে শরীফ উদ্দিনের করা লিভ টু আপিল প্রয়োজনের বাড়তি বলে উল্লেখ করা হয়।

.

আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয়। পূর্ণাঙ্গ রায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (কর্মচারী) চাকরি বিধিমালার ৫৪(২) বিধিটি সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োগ করতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়। এই পর্যবেক্ষণসহ বিধিটি প্রয়োগের ক্ষেত্রে দুদককে ১২ দফা পর্যবেক্ষণ বা গাইডলাইন অনুসরণ করতে বলা হয়।

জ্যেষ্ঠতাসহ পুনর্বহালের নির্দেশ

আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর শরীফের করা রিট হাইকোর্টে শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হয়। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল দেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের ৯ জুলাই হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে শরীফ উদ্দিনকে চাকরিচ্যুতির ২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারির আদেশটি আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও শুরু থেকে বাতিল ঘোষণা করা হয়। হাইকোর্ট জ্যেষ্ঠতা ও বকেয়া সব সুবিধাসহ শরীফ উদ্দিনকে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে নির্দেশ দেন। রায়ের অনুলিপি গ্রহণের ৩০ দিনের মধ্যে নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। হাইকোর্টের রায়ের ফলে শরীফ উদ্দিনের চাকরিতে পুনর্বহালের পথ খোলে।

.দুদকের সাবেক কর্মকর্তা শরীফ এখন দোকানের কর্মী.

দুদকের লিভ টু আপিল প্রত্যাহার

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে গত বছর লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি) চেয়ে আবেদন করে দুদক। দেওয়ানি এই লিভ টু আপিল প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করে সংস্থাটি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ অক্টোবর আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত আদেশ দেন। এ-সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়, আবেদনকারীর পক্ষে উপস্থিত আইনজীবী (অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড) দেওয়ানি লিভ টু আপিলটি না চালানোর জন্য নির্দেশনা পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তাঁর এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে না চালানোর (নট টু প্রসিড) কারণে লিভ টু আপিলটি খারিজ করা হলো।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দুদক যে লিভ টু আপিল করেছিল, তা প্রত্যাহার চেয়ে সংস্থাটি আবেদন করে বলে জানান শরীফ উদ্দিনের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সালাহ উদ্দীন দোলন। আজ বৃহস্পতিবার তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেছেন। অর্থাৎ লিভ টু আপিল প্রত্যাহার হয়ে গেল। জ্যেষ্ঠতা ও বকেয়া সব সুবিধাসহ শরীফ উদ্দিনকে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়ে রায় দিয়েছিলেন, তা বহাল রইল। শরীফের চাকরিতে ফেরার পথ খুলেছে। জ্যেষ্ঠতা ও বকেয়া সব সুবিধাসহ শরীফের চাকরিতে পুনর্বহালে আর কোনো বাধা নেই।