ঢাকা ১২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা পেলেন নিহত পোশাকশ্রমিক তৌফিকের পরিবার সুন্দরগঞ্জে যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ পরীক্ষার আগে কেন্দ্র বদল, ৪০ কিলোমিটার যাতায়াতের শঙ্কায় শিক্ষার্থীরা অক্টোবরে হামলা-হয়রানির শিকার ২৮ সংবাদকর্মী, প্রাণ গেছে একজনের: বিএজির প্রতিবেদন মোগল জাহাজে ডাকাতিতে জড়িত ব্যক্তির নামে নিউইয়র্কের সৈকত দি পল-সেলসোরা নেই, মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার প্রথম দলে কারা আছেন জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকার আন্তরিক আবেদন ছিল দুই কোটি টাকার, বড়দিনে তিন কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কমার্স ব্যাংকের দুই পরিচালকের পদত্যাগ, প্রিমিয়ারে নতুন তিন পরিচালক ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি’ চালুর উদ্যোগ নেবে আইসিটি বিভাগ

অবশেষে নিয়োগ পেলেন ভিটেবাড়িহীন মিশন আচার্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০০:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অবশেষে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পেলেন ঝিনাইদহের মিশন আচার্য। শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও বসতভিটা ও স্থায়ী ঠিকানা না থাকার অজুহাতে তাঁর নিয়োগপত্র আটকে দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছিলেন মিশন আচার্য ও তাঁর পরিবার।

এ বিষয়ে প্রথম আলোতে সংবাদ প্রকাশের পরে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন ও শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের হস্তক্ষেপে মিশন আচার্যের নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতার অবসান ঘটে। আজ সোমবার বিকেলে ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে মিশন আচার্যের নিয়োগ চূড়ান্ত করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন প্রথম আলোকে জানান, মিশন আচার্যের নামে নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে শিক্ষক হিসেবে তাঁর নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে। আজকের পর থেকে মিশন আচার্যের নামের পাশে যুক্ত হলো শিক্ষক পরিচয়।

শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর মিশন আচার্য বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের ওপর গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এ ছাড়া গণমাধ্যমের ভাইয়েরা আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, আমি তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে শিক্ষক হিসেবে আমার কর্মজীবন শুরু হলো, তা আমি মনে রাখব। দেশ ও জাতি গড়ার মহান দায়িত্ব পালনে আমি আমার মেধার সর্বোচ্চ ব্যবহার করব।’

প্রসঙ্গত, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও স্থায়ী ঠিকানা ও বসতভিটা না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ মিশন আচার্যের নিয়োগপত্র আটকে দেয়। এ নিয়ে প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে খবর প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর নজরে আনেন।

প্রথম আলোকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী অত্যন্ত দ্রুত ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিষয়টি সমাধান করেছেন। আজ মিশন আচার্যের হাতে নিয়োগপত্র পৌঁছানোয় আমরা আনন্দিত। এই ঘটনা প্রমাণ করে, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে গণমাধ্যমের সোচ্চার ভূমিকা এবং সরকারের ইতিবাচক মনোভাব থাকলে যেকোনো প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন সম্ভব। আমি আশা করি, শিক্ষক মিশন আচার্য সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে হাজারো শিশু-কিশোরের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেবেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

অবশেষে নিয়োগ পেলেন ভিটেবাড়িহীন মিশন আচার্য

আপডেট সময় : ১২:০০:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

অবশেষে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পেলেন ঝিনাইদহের মিশন আচার্য। শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও বসতভিটা ও স্থায়ী ঠিকানা না থাকার অজুহাতে তাঁর নিয়োগপত্র আটকে দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছিলেন মিশন আচার্য ও তাঁর পরিবার।

এ বিষয়ে প্রথম আলোতে সংবাদ প্রকাশের পরে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন ও শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের হস্তক্ষেপে মিশন আচার্যের নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতার অবসান ঘটে। আজ সোমবার বিকেলে ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে মিশন আচার্যের নিয়োগ চূড়ান্ত করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন প্রথম আলোকে জানান, মিশন আচার্যের নামে নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে শিক্ষক হিসেবে তাঁর নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে। আজকের পর থেকে মিশন আচার্যের নামের পাশে যুক্ত হলো শিক্ষক পরিচয়।

শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর মিশন আচার্য বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের ওপর গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এ ছাড়া গণমাধ্যমের ভাইয়েরা আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, আমি তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে শিক্ষক হিসেবে আমার কর্মজীবন শুরু হলো, তা আমি মনে রাখব। দেশ ও জাতি গড়ার মহান দায়িত্ব পালনে আমি আমার মেধার সর্বোচ্চ ব্যবহার করব।’

প্রসঙ্গত, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও স্থায়ী ঠিকানা ও বসতভিটা না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ মিশন আচার্যের নিয়োগপত্র আটকে দেয়। এ নিয়ে প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে খবর প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর নজরে আনেন।

প্রথম আলোকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী অত্যন্ত দ্রুত ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিষয়টি সমাধান করেছেন। আজ মিশন আচার্যের হাতে নিয়োগপত্র পৌঁছানোয় আমরা আনন্দিত। এই ঘটনা প্রমাণ করে, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে গণমাধ্যমের সোচ্চার ভূমিকা এবং সরকারের ইতিবাচক মনোভাব থাকলে যেকোনো প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন সম্ভব। আমি আশা করি, শিক্ষক মিশন আচার্য সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে হাজারো শিশু-কিশোরের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেবেন।’