নদী খননের পরই ভয়াবহ ভাঙন, বসতভিটা ও ফসলি জমি বিলীনের পথে
- আপডেট সময় : ০২:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ৫৩ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাসুড়িয়া গ্রামে নদী খননের পর থেকেই ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা ও আবাদি জমি। এতে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী শতাধিক পরিবার।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী খননের সময় নদীতীর রক্ষায় ব্লক বাঁধ নির্মাণের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। ফলে বর্ষা মৌসুমে নদীর তীব্র স্রোতে ভাঙনের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।
নদীভাঙনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্তদের একজন ঘাসুড়িয়া গ্রামের দিনমজুর মো. আব্দুস সাত্তার। তিনি জানান, তাঁর বসতবাড়ি এখন নদীর একেবারে কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যে তাঁর বেশ কিছু কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। যেকোনো সময় বসতভিটাটিও নদীতে চলে যেতে পারে বলে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন।
শুধু আব্দুস সাত্তারই নন, এলাকার আরও কয়েকটি পরিবারের ফসলি জমি ও বসতভিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় অনেকেই বাড়িঘর সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি একাধিকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নজরে আনা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে হতাশা বাড়ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, জরুরি ভিত্তিতে ভাঙনকবলিত এলাকায় ব্লক বাঁধ নির্মাণসহ কার্যকর নদীতীর সংরক্ষণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তাদের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আরও অসংখ্য বসতবাড়ি ও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হবে। এতে বহু পরিবার তাদের শেষ সম্বল হারিয়ে মানবিক সংকটে পড়বে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।





















