গাইবান্ধায় ১৩ লাখ টাকার শাহ জিরা জব্দ, গ্রেফতার ২
- আপডেট সময় : ০৩:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে প্রায় ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ২ হাজার ২০০ কেজি অবৈধ শাহ জিরা জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে চক্রের মূল হোতা শাহিন আলম পলাতক রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে গাইবান্ধা জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন এ তথ্য জানান।
গ্রেফতাররা হলেন, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার পশ্চিম বেড়াডাঙ্গা (গণেশপুর) গ্রামের মো. রুহুল আমিনের ছেলে মো. শাহজালাল ইসলাম (২৫) এবং বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার আমতলী গ্রামের মো. নাজমুল হকের ছেলে মো. নওশাদ হাসান ওরফে আতিক (৩০)। বর্তমানে তিনি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার গয়েশপুর এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, বুধবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাইবান্ধা সদর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে একটি ট্রলিতে বস্তাভর্তি শাহ জিরা বহনকালে শাহজালাল ইসলামকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাশবাড়ী ওভারব্রিজ এলাকা থেকে নওশাদ হাসান ওরফে আতিককে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার দুজনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পলাশবাড়ী উপজেলার গণেশপুর বাজারের একটি গোডাউনে অভিযান চালানো হয়। সেখানে ৮৮ বস্তায় সংরক্ষিত ২ হাজার ২০০ কেজি শাহ জিরা, ৩০টি খালি প্লাস্টিকের বস্তা, ১০টি ভারতীয় ব্র্যান্ডের খালি বস্তা এবং একটি সেলাই মেশিনচালিত ট্রলি জব্দ করা হয়।
পুলিশের দাবি, জব্দ করা শাহ জিরা অবৈধভাবে মজুত করে বাজারজাতের প্রস্তুতি চলছিল। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানান, বগুড়া সদর উপজেলার রাজাবাজার এলাকার শাহিন আলম (৩২) এ চোরাচালান চক্রের মূল হোতা। অভিযানের সময় তিনি পালিয়ে যান। তাকে গ্রেফতারে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় গাইবান্ধা সদর থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫-বি(১)(বি)/২৫-ডি ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘চোরাচালান, অবৈধ মজুত ও ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। জনস্বার্থবিরোধী এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। চোরাচালান চক্রের মূল হোতাসহ জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. শরীফ আল রাজীব (পিপিএম), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম, জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোত্তালিব সরকারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





















