ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশনের পানির পাম্পে ককটেল বিস্ফোরণ পিএসজি-রিয়ালের চেয়ে পিছিয়ে নেই বার্সেলোনা, দাবি গর্ডনের জরুরি পরিস্থিতির জন্য খাবার-পানি মজুত করতে বলছে বিভিন্ন দেশ, কীসের আশঙ্কা শ্রমিক আন্দোলনে বহিরাগত ইন্ধন নিয়ে সতর্ক সরকার বাংলাদেশে সিমেন্স ইডিএর অনুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটর হলো পেন্টা গ্লোবাল পাখিদের নিরাপদ আবাস গড়তে রাজশাহী বন্ধুসভার উদ্যোগ দুই নাজমুলের নেতৃত্বে এনসিপির স্পোর্টস অ্যালায়েন্সের কমিটি, নাহিদ বললেন—সম্পর্কটা ‘আদর্শিক’ আইসিইউতে বরেণ্য ক্রীড়া সংগঠক হারুনুর রশীদ পক্ষ ছাড়ায় কর্মীকে খুনের অভিযোগ, চট্টগ্রামের সেই যুবদল নেতা গ্রেপ্তার ‘মেয়েকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করেছি, উল্টো আমার ওপরই হামলা করেছে’

অপরাধ করলেই দেশে পাঠিয়ে দিবে ইতালি 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৭:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অপরাধ করলেই আর ইতালিতে থাকার সুযোগ নেই। এমন কঠোর বার্তা দিতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার। বিদেশি দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো এবং তাদের ইতালীয় নাগরিকত্ব বাতিলের পথ আরও সহজ করতে নতুন একটি খসড়া বিল উত্থাপন করেছে মেলোনির ডানপন্থী দল ব্রাদার্স অব ইতালি।

বুধবার উপস্থাপিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরের যেকোনো দেশের নাগরিক ইতালিতে এক বছরের বেশি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে, তার সম্মতি থাকুক বা না থাকুক, তাকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

পার্লামেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্রাদার্স অব ইতালির নেতারা জানান, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে এসব প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তবে অভিযুক্তরা খুব সীমিত কিছু কারণে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। যেমন নিজ দেশে ফিরে অমানবিক আচরণ বা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা থাকলে।

প্রত্যাবাসিত ব্যক্তিদের ভবিষ্যতে ইতালিতে পুনরায় প্রবেশের অনুমতিও দেওয়া হবে না।

ব্রাদার্স অব ইতালির আইনপ্রণেতা সারা কেলানি বললেন, বিদেশে জন্ম নেওয়া ইতালীয় নাগরিকদের ক্ষেত্রে কোন কোন অপরাধের কারণে নাগরিকত্ব বাতিল করা যাবে, সেই তালিকাও এই প্রস্তাবের মাধ্যমে আরও বিস্তৃত করা হবে।

এদিকে, জোটসঙ্গী লিগ পার্টির আরেকটি প্রস্তাবও ইতালির পার্লামেন্টে আলোচনায় রয়েছে। সেখানে নাগরিকত্ব পাওয়ার শর্ত আরও কঠোর করা এবং ইতালীয় নাগরিকত্ব হারানোর সুযোগ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

আগামী বছর ইতালিতে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা। এর আগে মেলোনির ব্রাদার্স অব ইতালি এবং লিগ উভয় দলই নতুন উত্থানশীল কট্টর ডানপন্থী অভিবাসনবিরোধী দল ফুতুরো নাজিওনালের চাপের মুখে পড়েছে। বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, দলটি এই দুই দলের ভোটব্যাংক থেকে সমর্থন টানছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

অপরাধ করলেই দেশে পাঠিয়ে দিবে ইতালি 

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

অপরাধ করলেই আর ইতালিতে থাকার সুযোগ নেই। এমন কঠোর বার্তা দিতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার। বিদেশি দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো এবং তাদের ইতালীয় নাগরিকত্ব বাতিলের পথ আরও সহজ করতে নতুন একটি খসড়া বিল উত্থাপন করেছে মেলোনির ডানপন্থী দল ব্রাদার্স অব ইতালি।

বুধবার উপস্থাপিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরের যেকোনো দেশের নাগরিক ইতালিতে এক বছরের বেশি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে, তার সম্মতি থাকুক বা না থাকুক, তাকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

পার্লামেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্রাদার্স অব ইতালির নেতারা জানান, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে এসব প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তবে অভিযুক্তরা খুব সীমিত কিছু কারণে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। যেমন নিজ দেশে ফিরে অমানবিক আচরণ বা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা থাকলে।

প্রত্যাবাসিত ব্যক্তিদের ভবিষ্যতে ইতালিতে পুনরায় প্রবেশের অনুমতিও দেওয়া হবে না।

ব্রাদার্স অব ইতালির আইনপ্রণেতা সারা কেলানি বললেন, বিদেশে জন্ম নেওয়া ইতালীয় নাগরিকদের ক্ষেত্রে কোন কোন অপরাধের কারণে নাগরিকত্ব বাতিল করা যাবে, সেই তালিকাও এই প্রস্তাবের মাধ্যমে আরও বিস্তৃত করা হবে।

এদিকে, জোটসঙ্গী লিগ পার্টির আরেকটি প্রস্তাবও ইতালির পার্লামেন্টে আলোচনায় রয়েছে। সেখানে নাগরিকত্ব পাওয়ার শর্ত আরও কঠোর করা এবং ইতালীয় নাগরিকত্ব হারানোর সুযোগ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

আগামী বছর ইতালিতে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা। এর আগে মেলোনির ব্রাদার্স অব ইতালি এবং লিগ উভয় দলই নতুন উত্থানশীল কট্টর ডানপন্থী অভিবাসনবিরোধী দল ফুতুরো নাজিওনালের চাপের মুখে পড়েছে। বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, দলটি এই দুই দলের ভোটব্যাংক থেকে সমর্থন টানছে।