ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিক্ষোভ-ভাঙচুর, ৩য় দিনে ৪ শতাধিক কারখানায় ছুটি মধ্যবর্তী নির্বাচন : হেরে গেলে বাকি দুবছর কীভাবে সামাল দেবেন ট্রাম্প সরকারের ব্যর্থতায় অর্থনৈতিক সংকট আরও প্রকট হয়েছে: এবি পার্টি ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি–এডহক কমিটি বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশনের পানির পাম্পে ককটেল বিস্ফোরণ পিএসজি-রিয়ালের চেয়ে পিছিয়ে নেই বার্সেলোনা, দাবি গর্ডনের জরুরি পরিস্থিতির জন্য খাবার-পানি মজুত করতে বলছে বিভিন্ন দেশ, কীসের আশঙ্কা শ্রমিক আন্দোলনে বহিরাগত ইন্ধন নিয়ে সতর্ক সরকার বাংলাদেশে সিমেন্স ইডিএর অনুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটর হলো পেন্টা গ্লোবাল পাখিদের নিরাপদ আবাস গড়তে রাজশাহী বন্ধুসভার উদ্যোগ

সুন্দরগঞ্জে স্বল্প খরচে হাঁপানি রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে এ্যাজমা ফাউন্ডেশন

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় স্বল্প খরচে হাঁপানি রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করছে বাংলাদেশ এ্যাজমা ফাউন্ডেশন। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নির্ধারিত দিনে চিকিৎসক দ্বারা রোগী দেখানো, পরামর্শ প্রদান এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (৪ জুলাই) উপজেলার বেলকা এ্যাজমা সেন্টারে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা হাঁপানি রোগীরা চিকিৎসাসেবা নিতে ভিড় করছেন। নিবন্ধনের পর একে একে রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ এ্যাজমা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পরিচালিত এ কার্যক্রমের আওতায় রোগীদের বার্ষিক নিবন্ধন ফি ১০০ টাকা, নতুন রোগীর চিকিৎসক ফি ১০০ টাকা এবং পুরাতন রোগীর চিকিৎসক ফি ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার বেলকা, রবিবার ও বুধবার পাঁচপীর বাজার এবং সোমবার ও বৃহস্পতিবার বামনডাঙ্গার পল্লীবন্ধু হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখা হয়।

হাঁপানি রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করছেন ডা. মো. শাহরিয়া রোকন (এমবিবিএস, সিডিএমপিসি (ভারত), সিসিডি-বারডেম)।

উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়ন থেকে আসা রোগী জয়নাল আবেদীন (৭০) বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে হাঁপানির সমস্যায় ভুগছি। আগে চিকিৎসার জন্য দূরে যেতে হতো। এখন উপজেলার মধ্যেই স্বল্প খরচে চিকিৎসকের পরামর্শ ও ওষুধের নির্দেশনা পাচ্ছি। এতে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের অনেক উপকার হচ্ছে।’

আরেক রোগী আয়শা বেগম (৬৫) বলেন, ‘নিয়মিত এখানে চিকিৎসা নিচ্ছি। আগের তুলনায় এখন অনেকটাই সুস্থ আছি। অল্প খরচে ভালো চিকিৎসাসেবা পাওয়ায় আমরা খুবই উপকৃত হচ্ছি।’

চিকিৎসক ডা. মো. শাহরিয়া রোকন বলেন, ‘বাংলাদেশ এ্যাজমা ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্য হলো তৃণমূল পর্যায়ের হাঁপানি রোগীদের দোরগোড়ায় স্বল্প খরচে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া। সুন্দরগঞ্জে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ফলে অনেক রোগী এখন সময়মতো চিকিৎসা ও পরামর্শ পাচ্ছেন। হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রোগীদের নিয়মিত ফলোআপে থাকা, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। আমরা ভবিষ্যতেও এই সেবার পরিধি আরও সম্প্রসারণে কাজ করে যাব।’

বাংলাদেশ এ্যাজমা ফাউন্ডেশনের সুন্দরগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক হুমাইয়া নাসরিন আক্তার বিথী বলেন, ‘হাঁপানি রোগীরা যাতে স্বল্প খরচে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পান, সে লক্ষ্যেই বাংলাদেশ এ্যাজমা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আমাদের এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

সুন্দরগঞ্জে স্বল্প খরচে হাঁপানি রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে এ্যাজমা ফাউন্ডেশন

আপডেট সময় : ০৩:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় স্বল্প খরচে হাঁপানি রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করছে বাংলাদেশ এ্যাজমা ফাউন্ডেশন। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নির্ধারিত দিনে চিকিৎসক দ্বারা রোগী দেখানো, পরামর্শ প্রদান এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (৪ জুলাই) উপজেলার বেলকা এ্যাজমা সেন্টারে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা হাঁপানি রোগীরা চিকিৎসাসেবা নিতে ভিড় করছেন। নিবন্ধনের পর একে একে রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ এ্যাজমা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পরিচালিত এ কার্যক্রমের আওতায় রোগীদের বার্ষিক নিবন্ধন ফি ১০০ টাকা, নতুন রোগীর চিকিৎসক ফি ১০০ টাকা এবং পুরাতন রোগীর চিকিৎসক ফি ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার বেলকা, রবিবার ও বুধবার পাঁচপীর বাজার এবং সোমবার ও বৃহস্পতিবার বামনডাঙ্গার পল্লীবন্ধু হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখা হয়।

হাঁপানি রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করছেন ডা. মো. শাহরিয়া রোকন (এমবিবিএস, সিডিএমপিসি (ভারত), সিসিডি-বারডেম)।

উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়ন থেকে আসা রোগী জয়নাল আবেদীন (৭০) বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে হাঁপানির সমস্যায় ভুগছি। আগে চিকিৎসার জন্য দূরে যেতে হতো। এখন উপজেলার মধ্যেই স্বল্প খরচে চিকিৎসকের পরামর্শ ও ওষুধের নির্দেশনা পাচ্ছি। এতে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের অনেক উপকার হচ্ছে।’

আরেক রোগী আয়শা বেগম (৬৫) বলেন, ‘নিয়মিত এখানে চিকিৎসা নিচ্ছি। আগের তুলনায় এখন অনেকটাই সুস্থ আছি। অল্প খরচে ভালো চিকিৎসাসেবা পাওয়ায় আমরা খুবই উপকৃত হচ্ছি।’

চিকিৎসক ডা. মো. শাহরিয়া রোকন বলেন, ‘বাংলাদেশ এ্যাজমা ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্য হলো তৃণমূল পর্যায়ের হাঁপানি রোগীদের দোরগোড়ায় স্বল্প খরচে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া। সুন্দরগঞ্জে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ফলে অনেক রোগী এখন সময়মতো চিকিৎসা ও পরামর্শ পাচ্ছেন। হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রোগীদের নিয়মিত ফলোআপে থাকা, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। আমরা ভবিষ্যতেও এই সেবার পরিধি আরও সম্প্রসারণে কাজ করে যাব।’

বাংলাদেশ এ্যাজমা ফাউন্ডেশনের সুন্দরগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক হুমাইয়া নাসরিন আক্তার বিথী বলেন, ‘হাঁপানি রোগীরা যাতে স্বল্প খরচে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পান, সে লক্ষ্যেই বাংলাদেশ এ্যাজমা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আমাদের এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।’