ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সন্তান জন্মের তৃতীয় দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন মা, নবজাতক আইসিইউতে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে আবার দাম বাড়ল অগ্নিকাণ্ডে পুঁজি হারানো ব্যবসায়ীর পাশে রব্বানী, দিলেন ২ লাখ টাকা একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারে অস্ট্রেলিয়ায় এআইইউবির প্রতিনিধিত্ব টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইট তৈরি করছে ইলন মাস্কের নিউরালিংক, যে সুবিধা পাওয়া যাবে আলীবাবা থেকে বাংলাদেশি কোম্পানি স্টেপ ফুটওয়্যারের জুতা কিনতে পারবেন বিদেশি ব্যবসায়ীরা ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকা খুলনাকে পেলেই সেঞ্চুরি, আল আমিনের আবার ১০২ সুন্দরগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় অটোভ্যানযাত্রী নিহত, আহত ২ সুন্দরগঞ্জে ২০টি অবৈধ জাল ধ্বংস, একজনকে জরিমানা

চায়ের প্যাকেটের আড়ালে ১২ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

রংপুর ব্যুরো
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চায়ের প্যাকেটের আড়ালে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে আনা ১২ হাজার পিস ইয়াবার একটি চালান ডেলিভারির সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রংপুর নগরীর কামাল কাছনা এলাকায় এসএ পরিবহনের কার্যালয়ে এ অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বগুড়া ও রংপুর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। এ সময় পীরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা ও অভিযুক্ত মাদক কারবারি মনসুর মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১২ হাজার পিস ইয়াবা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, চট্টগ্রামের কক্সবাজার থেকে এসএ পরিবহনের মাধ্যমে পার্সেল করে চায়ের প্যাকেটের ভেতরে বিশেষ কৌশলে ইয়াবার চালানটি পাঠানো হয়েছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা সকাল থেকেই ছদ্মবেশে এসএ পরিবহনের কার্যালয়ের আশপাশে অবস্থান নেন। পরে মনসুর মণ্ডল পার্সেলটি গ্রহণ করতে এলে তাকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় চায়ের প্যাকেটের ভেতর থেকে ১২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মনসুর মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পাইকারি পর্যায়ে ইয়াবা কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। তিনি নিজের চায়ের দোকানকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করতেন বলেও জানানো হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় অতিরিক্ত পরিচালক মাসুদ হোসেন বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে একটি বড় ইয়াবার চালান জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”

বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন, “চায়ের প্যাকেটের ভেতরে অত্যন্ত কৌশলে ইয়াবাগুলো লুকিয়ে আনা হয়েছিল। এসএ পরিবহন কর্তৃপক্ষ অভিযানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

চায়ের প্যাকেটের আড়ালে ১২ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৮:০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

চায়ের প্যাকেটের আড়ালে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে আনা ১২ হাজার পিস ইয়াবার একটি চালান ডেলিভারির সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রংপুর নগরীর কামাল কাছনা এলাকায় এসএ পরিবহনের কার্যালয়ে এ অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বগুড়া ও রংপুর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। এ সময় পীরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা ও অভিযুক্ত মাদক কারবারি মনসুর মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১২ হাজার পিস ইয়াবা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, চট্টগ্রামের কক্সবাজার থেকে এসএ পরিবহনের মাধ্যমে পার্সেল করে চায়ের প্যাকেটের ভেতরে বিশেষ কৌশলে ইয়াবার চালানটি পাঠানো হয়েছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা সকাল থেকেই ছদ্মবেশে এসএ পরিবহনের কার্যালয়ের আশপাশে অবস্থান নেন। পরে মনসুর মণ্ডল পার্সেলটি গ্রহণ করতে এলে তাকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় চায়ের প্যাকেটের ভেতর থেকে ১২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মনসুর মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পাইকারি পর্যায়ে ইয়াবা কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। তিনি নিজের চায়ের দোকানকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করতেন বলেও জানানো হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় অতিরিক্ত পরিচালক মাসুদ হোসেন বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে একটি বড় ইয়াবার চালান জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”

বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন, “চায়ের প্যাকেটের ভেতরে অত্যন্ত কৌশলে ইয়াবাগুলো লুকিয়ে আনা হয়েছিল। এসএ পরিবহন কর্তৃপক্ষ অভিযানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।