ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দরগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় অটোভ্যানযাত্রী নিহত, আহত ২ সুন্দরগঞ্জে ২০টি অবৈধ জাল ধ্বংস, একজনকে জরিমানা জানুয়ারি–সেপ্টেম্বরে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের নিট মুনাফা বেড়েছে ৩৫ শতাংশ এটি সালিসের চেয়ে নিচে নেমে গেছে এমপির ছেলে নূরুজ্জামান আবারও দুই দিনের রিমান্ডে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই আদর্শবান শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন বুনছে নাজমুল গত ২০ বছরে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, জীবনমান ও মূল্যবৃদ্ধি একনজরে কাপ্তাই হ্রদের কাচকি-চাপিলা মাছেও মাইক্রোপ্লাস্টিক, যেসব কারণ জানালেন গবেষকেরা রিপাবলিকানদের টেক্সাস ‘দুর্গ’ কি এবার ভেঙে দিতে পারবেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ৩৭ বছর বয়সী টালারিকো

শান্তিরামের হাল ধরতে চান বিএনপি নেতা সাখাওয়াৎ হোসেন মিলন

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ ১০৪ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর শান্তিরাম ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন শিক্ষক, সাংবাদিক, কলামিস্ট ও বিএনপি নেতা মো. সাখাওয়াৎ হোসেন মিলন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। এ লক্ষ্যে ইউনিয়নবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করেছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে সাখাওয়াৎ হোসেন মিলন একজন পরিচিত মুখ। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত তিনি। পরে যুবদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং ২০০২ সালে বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। ওই বছরই শান্তিরাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০০৩ সালে সুন্দরগঞ্জ থানা বিএনপির প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পাশাপাশি সাংবাদিকতা ও কলাম লেখার মাধ্যমেও তিনি স্থানীয় সমস্যা, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। স্থানীয়দের মতে, ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা ও জনদুর্ভোগ নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কথা বলে আসা কয়েকজন মানুষের মধ্যে সাখাওয়াৎ হোসেন মিলন অন্যতম।

তিনি বলেন, ‘রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, মানুষের সেবার একটি মাধ্যম। আমি বিশ্বাস করি, জনগণের আস্থা ও সহযোগিতা থাকলে শান্তিরাম ইউনিয়নকে উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও সুশাসনের একটি মডেল ইউনিয়নে পরিণত করা সম্ভব।’

তিনি জানান, ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চেয়ারপারসনের কার্যালয় কর্তৃক মনোনীত মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি মনে করেন।

শান্তিরাম ইউনিয়নের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে সাখাওয়াৎ হোসেন মিলন বলেন, ‘আজও ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় কাঁচা রাস্তা রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মন্দিরের উন্নয়নের নামে অনেক সময় বরাদ্দ এলেও বাস্তব চিত্র আশানুরূপ নয়। প্রকৃত সুবিধাভোগীরা অনেক ক্ষেত্রে সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে না পারলে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন সম্ভব নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিগত সময়ে টিআর, কাবিখা, কাবিটাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ ছিল। একজন সংবাদকর্মী হিসেবে আমি এসব বিষয়ে বারবার লিখেছি এবং প্রতিবাদ করেছি। আজ যারা নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নেমেছেন, তারা অতীতে এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কতটুকু সোচ্চার ছিলেন, সেটিও জনগণ বিবেচনা করবেন।’

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচনের আগে শুধু প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না, বাস্তব পরিবর্তনের অঙ্গীকার করতে চাই। আমাকে সুযোগ দিলে ইউনিয়ন পরিষদকে দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিমূলক এবং সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত করবো। দল-মত নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করবো।’

তিনি বলেন, ‘জনগণের দরজা সবসময় খোলা থাকবে। ইউনিয়নের একজন সাধারণ মানুষও যেন তার ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। যুবসমাজের কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে আমার অগ্রাধিকার।’

সাখাওয়াৎ হোসেন মিলন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘শান্তিরামের মানুষ উন্নয়ন, সততা ও জবাবদিহিতার পক্ষে। আমি বিশ্বাস করি, তাদের দোয়া ও সমর্থন পেলে একটি আধুনিক, স্বনির্ভর ও মানবিক শান্তিরাম গড়ে তোলা সম্ভব হবে, ইনশাআল্লাহ।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

শান্তিরামের হাল ধরতে চান বিএনপি নেতা সাখাওয়াৎ হোসেন মিলন

আপডেট সময় : ১২:৪৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর শান্তিরাম ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন শিক্ষক, সাংবাদিক, কলামিস্ট ও বিএনপি নেতা মো. সাখাওয়াৎ হোসেন মিলন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। এ লক্ষ্যে ইউনিয়নবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করেছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে সাখাওয়াৎ হোসেন মিলন একজন পরিচিত মুখ। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত তিনি। পরে যুবদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং ২০০২ সালে বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। ওই বছরই শান্তিরাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০০৩ সালে সুন্দরগঞ্জ থানা বিএনপির প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পাশাপাশি সাংবাদিকতা ও কলাম লেখার মাধ্যমেও তিনি স্থানীয় সমস্যা, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। স্থানীয়দের মতে, ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা ও জনদুর্ভোগ নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কথা বলে আসা কয়েকজন মানুষের মধ্যে সাখাওয়াৎ হোসেন মিলন অন্যতম।

তিনি বলেন, ‘রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, মানুষের সেবার একটি মাধ্যম। আমি বিশ্বাস করি, জনগণের আস্থা ও সহযোগিতা থাকলে শান্তিরাম ইউনিয়নকে উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও সুশাসনের একটি মডেল ইউনিয়নে পরিণত করা সম্ভব।’

তিনি জানান, ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চেয়ারপারসনের কার্যালয় কর্তৃক মনোনীত মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি মনে করেন।

শান্তিরাম ইউনিয়নের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে সাখাওয়াৎ হোসেন মিলন বলেন, ‘আজও ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় কাঁচা রাস্তা রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মন্দিরের উন্নয়নের নামে অনেক সময় বরাদ্দ এলেও বাস্তব চিত্র আশানুরূপ নয়। প্রকৃত সুবিধাভোগীরা অনেক ক্ষেত্রে সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে না পারলে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন সম্ভব নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিগত সময়ে টিআর, কাবিখা, কাবিটাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ ছিল। একজন সংবাদকর্মী হিসেবে আমি এসব বিষয়ে বারবার লিখেছি এবং প্রতিবাদ করেছি। আজ যারা নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নেমেছেন, তারা অতীতে এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কতটুকু সোচ্চার ছিলেন, সেটিও জনগণ বিবেচনা করবেন।’

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচনের আগে শুধু প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না, বাস্তব পরিবর্তনের অঙ্গীকার করতে চাই। আমাকে সুযোগ দিলে ইউনিয়ন পরিষদকে দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিমূলক এবং সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত করবো। দল-মত নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করবো।’

তিনি বলেন, ‘জনগণের দরজা সবসময় খোলা থাকবে। ইউনিয়নের একজন সাধারণ মানুষও যেন তার ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। যুবসমাজের কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে আমার অগ্রাধিকার।’

সাখাওয়াৎ হোসেন মিলন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘শান্তিরামের মানুষ উন্নয়ন, সততা ও জবাবদিহিতার পক্ষে। আমি বিশ্বাস করি, তাদের দোয়া ও সমর্থন পেলে একটি আধুনিক, স্বনির্ভর ও মানবিক শান্তিরাম গড়ে তোলা সম্ভব হবে, ইনশাআল্লাহ।’