ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ অবস্থানে আফগানিস্তান, পেছনে পড়ল শ্রীলঙ্কাও মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের সম্ভাবনা প্রবল, তবে জরিপ নিয়ে আশঙ্কাও কি নেই এক জোড়া ছোট্ট মাছের দাম ১৫ হাজার টাকা, মেলায় ছিল আরও কত চমক সাপ-পোকামাকড়ের ভয় মানেই প্রকৃতির প্রতি অনাগ্রহ নয় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক জড়িত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কথা রেখেছে চীন, দেখায়নি রিয়াল মাদ্রিদের খেলা দুদকের মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের দিলীপ কুমারকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ শাহরুখ খানের যে আইকনিক স্টাইলগুলো তরুণদের ব্যাপকভাবে ইনফ্লুয়েন্স করেছিল পোশাকশ্রমিকদের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ ট্রাক্টর নিয়ে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে শেকৃবি শিক্ষার্থীরা, অস্থায়ী স্থাপনা ভাঙচুর

মাছের খামারে গড়ে তুলেছিল মাদকের আস্তানা, ৭০০ পিস ইয়াবাসহ শীর্ষ কারবারি গ্রেফতার

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:০৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধা জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি রোকন মিয়াকে (৩৩) সাতশো পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে থাকা এই মাদক কারবারি একটি মাছের খামারকে মাদক ব্যবসার নিরাপদ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে গাইবান্ধা জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, জেলায় মাদক নির্মূলে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) মুত্তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি যৌথ দল ভোররাতে সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করে।

দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে পরিচালিত ওই অভিযানে ভোর আনুমানিক ৪টা ৫০ মিনিটে মেঘডুমুর মধ্যপাড়া গ্রামের একটি মাছের খামারের ঘরে অভিযান চালিয়ে রোকনকে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযানকালে তার হেফাজত থেকে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের ফয়েল পেপার, একটি লাইটার এবং একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনটি মাদক কেনাবেচার যোগাযোগের কাজে ব্যবহৃত হতো বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত রোকন দীর্ঘদিন ধরে জেলার মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে কৌশল পরিবর্তন করে তিনি মাছের খামারকে মাদকের আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করছিলেন। তবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে শেষ পর্যন্ত ধরা পড়েন তিনি।

জেলা পুলিশের তথ্যমতে, রোকন একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে এর আগেও গাইবান্ধা সদর থানায় চারটি মাদক মামলা রয়েছে। নতুন করে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, ‘গাইবান্ধা জেলাকে মাদকমুক্ত করতে জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি রোকনকে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাদক শুধু একজন ব্যক্তি নয়, একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবী উভয়ের বিরুদ্ধেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

মাছের খামারে গড়ে তুলেছিল মাদকের আস্তানা, ৭০০ পিস ইয়াবাসহ শীর্ষ কারবারি গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৪:০৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

গাইবান্ধা জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি রোকন মিয়াকে (৩৩) সাতশো পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে থাকা এই মাদক কারবারি একটি মাছের খামারকে মাদক ব্যবসার নিরাপদ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে গাইবান্ধা জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, জেলায় মাদক নির্মূলে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) মুত্তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি যৌথ দল ভোররাতে সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করে।

দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে পরিচালিত ওই অভিযানে ভোর আনুমানিক ৪টা ৫০ মিনিটে মেঘডুমুর মধ্যপাড়া গ্রামের একটি মাছের খামারের ঘরে অভিযান চালিয়ে রোকনকে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযানকালে তার হেফাজত থেকে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের ফয়েল পেপার, একটি লাইটার এবং একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনটি মাদক কেনাবেচার যোগাযোগের কাজে ব্যবহৃত হতো বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত রোকন দীর্ঘদিন ধরে জেলার মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে কৌশল পরিবর্তন করে তিনি মাছের খামারকে মাদকের আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করছিলেন। তবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে শেষ পর্যন্ত ধরা পড়েন তিনি।

জেলা পুলিশের তথ্যমতে, রোকন একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে এর আগেও গাইবান্ধা সদর থানায় চারটি মাদক মামলা রয়েছে। নতুন করে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, ‘গাইবান্ধা জেলাকে মাদকমুক্ত করতে জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি রোকনকে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাদক শুধু একজন ব্যক্তি নয়, একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবী উভয়ের বিরুদ্ধেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।’