ঢাকা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক জড়িত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কথা রেখেছে চীন, দেখায়নি রিয়াল মাদ্রিদের খেলা দুদকের মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের দিলীপ কুমারকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ শাহরুখ খানের যে আইকনিক স্টাইলগুলো তরুণদের ব্যাপকভাবে ইনফ্লুয়েন্স করেছিল পোশাকশ্রমিকদের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ ট্রাক্টর নিয়ে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে শেকৃবি শিক্ষার্থীরা, অস্থায়ী স্থাপনা ভাঙচুর প্রেমিক নাকি খুনি? ঝড় তুলল শাহরুখ–দীপিকা গান রামলীলায় এত বড় সমাবেশ কীভাবে ঘটাল ইন্ডিয়া জোট, কটাক্ষ করে কী বলছে বিজেপি ১৯তম বিজেএস প্রিলির ফলে চমক: ২৫০ পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা দেবেন মাত্র ৩৪৩ প্রার্থী ব্যাংক উদ্ধার প্রকল্প ও জবাবিদিহি নিয়ে কিছু প্রশ্ন

সুন্দরগঞ্জে ৫ বছরে সাড়ে ৩০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৪৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ৭৭ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারের ঘোষিত ‘৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সাড়ে ৩০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও সামাজিক বনায়ন ও নার্সারি কেন্দ্র, সুন্দরগঞ্জের উদ্যোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিয়ান মুনসীফ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মশিউর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জাফর আহমেদ লস্কর, বন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বাবুল আহমেদ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর শহিদুল ইসলাম সরকার মঞ্জু, পৌর জামায়াতের আমীর একরামুল হক, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসাইন, উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী লুৎফর রহমান বকসি, সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী সরকার হাশেমুজ্জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাপকহারে বৃক্ষরোপণ এবং বিদ্যমান বৃক্ষ সংরক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান বলেন, ‘গাছ শুধু পরিবেশ রক্ষা করে না, মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একটি সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়তে সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আজ যে একটি গাছ রোপণ করা হবে, সেটি ভবিষ্যতে পরিবেশ, অর্থনীতি ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’

পরে অতিথিরা উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঈফফাত জাহান তুলি জানান, সরকারের নির্ধারিত কর্মসূচির আওতায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ন্যূনতম ৩০ হাজার ৫০০টি ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ন্যূনতম ২০০টি, ইউনিয়ন পর্যায়ে ৫০০টি, এলজিইডির আওতাধীন প্রতিটি উপজেলা অফিসে ৫০০টি, প্রকল্পভুক্ত এলাকায় এক হাজারটি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের আওতায় ৫০০টি এবং পৌরসভা এলাকায় এক হাজারটি করে চারা রোপণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কিংবা বিদেশি প্রজাতির কোনো চারা রোপণ করা হবে না। স্থানীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

সুন্দরগঞ্জে ৫ বছরে সাড়ে ৩০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

আপডেট সময় : ১০:৪৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সরকারের ঘোষিত ‘৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সাড়ে ৩০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও সামাজিক বনায়ন ও নার্সারি কেন্দ্র, সুন্দরগঞ্জের উদ্যোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিয়ান মুনসীফ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মশিউর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জাফর আহমেদ লস্কর, বন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বাবুল আহমেদ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর শহিদুল ইসলাম সরকার মঞ্জু, পৌর জামায়াতের আমীর একরামুল হক, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসাইন, উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী লুৎফর রহমান বকসি, সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী সরকার হাশেমুজ্জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাপকহারে বৃক্ষরোপণ এবং বিদ্যমান বৃক্ষ সংরক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান বলেন, ‘গাছ শুধু পরিবেশ রক্ষা করে না, মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একটি সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়তে সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আজ যে একটি গাছ রোপণ করা হবে, সেটি ভবিষ্যতে পরিবেশ, অর্থনীতি ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’

পরে অতিথিরা উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঈফফাত জাহান তুলি জানান, সরকারের নির্ধারিত কর্মসূচির আওতায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ন্যূনতম ৩০ হাজার ৫০০টি ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ন্যূনতম ২০০টি, ইউনিয়ন পর্যায়ে ৫০০টি, এলজিইডির আওতাধীন প্রতিটি উপজেলা অফিসে ৫০০টি, প্রকল্পভুক্ত এলাকায় এক হাজারটি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের আওতায় ৫০০টি এবং পৌরসভা এলাকায় এক হাজারটি করে চারা রোপণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কিংবা বিদেশি প্রজাতির কোনো চারা রোপণ করা হবে না। স্থানীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।