ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দরগঞ্জে গাঁজা সেবনের দায়ে কারাদণ্ড গাইবান্ধায় রেলওয়ের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অর্ধশতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ মাদক প্রতিরোধ করায় শিক্ষার্থীদের নামে মামলা, মাদক সম্রাটের গ্রেফতার দাবি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় ৪০৫ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার গাইবান্ধায় পাঠচক্র সদস্যদের নিয়ে ছাত্রশিবিরের মৌসুমী ফল উৎসব সুন্দরগঞ্জে দোকানের টিন কেটে ৫ লাখ টাকার মালামাল চুরি গাইবান্ধায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার রায়গঞ্জে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা: থানায় মামলা গাইবান্ধায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু গাইবান্ধায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

সুন্দরগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:১০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রাণনাশের হুমকি, হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সুন্দরগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী প্রদীপ কুমার সরকার (৫৬)।

উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা প্রদীপ কুমার সরকার নির্মল কুমার সরকারের ছেলে। অভিযুক্তরা হলেন একই এলাকার সুনীল চন্দ্র সরকারের ছেলে শয়ন চন্দ্র সরকার ও শুভ চন্দ্র সরকার।

জিডি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টাকা লেনদেন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রদীপ কুমারের সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ৬ জুন দুপুরে অভিযুক্তরা তার বাড়িতে গিয়ে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, থানায় জিডি করার পর অভিযুক্তরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরদিন ৭ জুন রাতে তারা কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করে।

অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা পলাশ চন্দ্র সরকারের বাড়ির গেট ও টিনের বেড়া, তপন কুমার সরকারের বাড়ির গেট ও টিনের বেড়া, দুর্গা মন্দিরের কয়েকটি চেয়ার ভাঙচুর এবং যুগল চন্দ্র সরকার ও উত্তম কুমার সরকার বাবলুর দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এতে প্রায় চার লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।

প্রদীপ কুমার সরকার জানান, অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারকে মারধর, হত্যা, লাশ গুম, বাড়িতে আগুন দেওয়া এবং এলাকাছাড়া করার হুমকি দিয়েছে। ভবিষ্যতে বড় ধরনের অঘটনের আশঙ্কায় তিনি থানায় জিডি করেছেন বলে জানান।

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু ইকবাল পাশা বলেন, ‘ট্রিপল নাইন (৯৯৯) থেকে কল পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এর আগে এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল। তবে ভাঙচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

সুন্দরগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:১০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রাণনাশের হুমকি, হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সুন্দরগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী প্রদীপ কুমার সরকার (৫৬)।

উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা প্রদীপ কুমার সরকার নির্মল কুমার সরকারের ছেলে। অভিযুক্তরা হলেন একই এলাকার সুনীল চন্দ্র সরকারের ছেলে শয়ন চন্দ্র সরকার ও শুভ চন্দ্র সরকার।

জিডি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টাকা লেনদেন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রদীপ কুমারের সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ৬ জুন দুপুরে অভিযুক্তরা তার বাড়িতে গিয়ে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, থানায় জিডি করার পর অভিযুক্তরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরদিন ৭ জুন রাতে তারা কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করে।

অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা পলাশ চন্দ্র সরকারের বাড়ির গেট ও টিনের বেড়া, তপন কুমার সরকারের বাড়ির গেট ও টিনের বেড়া, দুর্গা মন্দিরের কয়েকটি চেয়ার ভাঙচুর এবং যুগল চন্দ্র সরকার ও উত্তম কুমার সরকার বাবলুর দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এতে প্রায় চার লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।

প্রদীপ কুমার সরকার জানান, অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারকে মারধর, হত্যা, লাশ গুম, বাড়িতে আগুন দেওয়া এবং এলাকাছাড়া করার হুমকি দিয়েছে। ভবিষ্যতে বড় ধরনের অঘটনের আশঙ্কায় তিনি থানায় জিডি করেছেন বলে জানান।

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু ইকবাল পাশা বলেন, ‘ট্রিপল নাইন (৯৯৯) থেকে কল পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এর আগে এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল। তবে ভাঙচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে