ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হার্ভার্ডের লিড ফেলোশিপ, অনলাইনের পাশাপাশি কেমব্রিজে ছয় সপ্তাহের প্রশিক্ষণ বেলে মাছ কেন বালির নিচে থাকে খরচের চাপে ৮১% কর্মীর অবসরকালীন আর্থিক পরিকল্পনা নেই ছাতিমের গন্ধে মন মাতে কেন সিলেটে তৌসিফ, সাফা ও টয়ার ঘোরাঘুরির গল্প যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্রের কাছে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ৯ লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত শিক্ষক সাধন চক্রবর্তীকে বাঁচাতে সহায়তা দরকার মস্কোর পার্কে হামলার পরিকল্পনা, যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তার পর কিশোরকে আটক করল রাশিয়া কেমব্রিজের কুয়াশায় ক্রিস্টোফার রাউন্ডের ছায়া: প্রেম, ঈর্ষা ও এক অশান্ত আত্মার গল্প অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া যাবে কি

জলঢাকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণে ভুল রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগ

নীলফামারী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ ৩৭ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণে ভুল রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রোগীর পরিবার উদ্বেগ প্রকাশ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণ কাজিরহাট হাজিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. মোতালেব হোসেনের স্ত্রী মোছা. রোকেয়া বেগম গত ৩১ মে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণের পরীক্ষা করান। পরীক্ষার রিপোর্টে তার রক্তের গ্রুপ ‘ও নেগেটিভ (O-)’ উল্লেখ করা হয়।

পরবর্তীতে ১লা জুন উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীকে রংপুরে নেওয়া হলে সেখানে পুনরায় রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা হয়। ওই পরীক্ষায় তার রক্তের গ্রুপ ‘এ নেগেটিভ (A-)’ পাওয়া যায়। একই ব্যক্তির রক্তের গ্রুপ দুই প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ফলাফল আসায় রোগীর স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।এ বিষয়ে রোগীর স্বামী মো. মোতালেব হোসেন জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. মামুনুর রশিদের কাছে ব্যাখ্যা জানতে চান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেয়।ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, রক্তের গ্রুপ নির্ধারণে এ ধরনের ভুল রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নন্দা সেনগুপ্ত বলেন, “এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সতর্ক করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।”

নীলফামারী সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও জনসাধারণের আস্থা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

জলঢাকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণে ভুল রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণে ভুল রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রোগীর পরিবার উদ্বেগ প্রকাশ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণ কাজিরহাট হাজিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. মোতালেব হোসেনের স্ত্রী মোছা. রোকেয়া বেগম গত ৩১ মে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণের পরীক্ষা করান। পরীক্ষার রিপোর্টে তার রক্তের গ্রুপ ‘ও নেগেটিভ (O-)’ উল্লেখ করা হয়।

পরবর্তীতে ১লা জুন উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীকে রংপুরে নেওয়া হলে সেখানে পুনরায় রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা হয়। ওই পরীক্ষায় তার রক্তের গ্রুপ ‘এ নেগেটিভ (A-)’ পাওয়া যায়। একই ব্যক্তির রক্তের গ্রুপ দুই প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ফলাফল আসায় রোগীর স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।এ বিষয়ে রোগীর স্বামী মো. মোতালেব হোসেন জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. মামুনুর রশিদের কাছে ব্যাখ্যা জানতে চান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেয়।ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, রক্তের গ্রুপ নির্ধারণে এ ধরনের ভুল রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নন্দা সেনগুপ্ত বলেন, “এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সতর্ক করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।”

নীলফামারী সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও জনসাধারণের আস্থা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।