ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেসরকারি খাতের ৫৫% কর্মী এআই ব্যবহার করেন, মেটলাইফের জরিপ প্রথমবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১৩ জন, সবাই অকৃতকার্য ঘর হারিয়েও গল্প বলা থামেনি তাঁদের গঙ্গার পানি না এলে ভারতের পণ্যও বাংলাদেশে আসবে না: নাহিদ ইসলাম দেশে আলু চাষ কমছে, পেঁয়াজের বাড়ছে; কারণ কী অন্য আসামিদের সঙ্গে জিয়াউলকে আনলে সবাই আক্রান্ত হতে পারেন—এই বুদ্ধি কোথায় পেলেন: প্রসিকিউশনকে প্রশ্ন ট্রাইব্যুনালের হঠাৎ উচ্ছেদ নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাসা ছাড়তে এক মাস সময় দেওয়ার দাবি বাক্স্বাধীনতা ক্ষুণ্নের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই, রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান নিয়ে রিট খারিজ যুক্তরাষ্ট্রে বসে ওয়ারীতে মাদকের ল্যাব পরিচালনা, দেশে ফিরে গ্রেপ্তার আবার হামলা হলে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হবে, যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি ইরানের

চাঁদা দাবির বিরোধিতায় কসবায় ছাত্রদল কর্মীকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:৫২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬ ৪৪ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় চাঁদা দাবির বিরোধিতা করায় ছাত্রদলের কর্মী শাকিল মিয়া (২২) ওপর হামলা ও ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ নেতা সাখাওয়াত হোসাইন সোহাগ মিয়ার বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত শাকিল মিয়া উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

শনিবার (৯ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার অষ্টজঙ্গল মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগে জানা যায়, অভিযুক্ত সোহাগ মিয়া কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং বায়েক ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি উপজেলার জেএস টেকনোলজির মালিক জহিরুল কবিরের কাছে দীর্ঘদিন ধরে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

জেএস টেকনোলজিতে কর্মরত শাকিল মিয়া প্রতিষ্ঠানটির মালিককে চাঁদা না দেওয়ার পরামর্শ দেন। এতে সোহাগ মিয়া তার ওপর ক্ষুব্ধ হন এবং বিভিন্ন সময় তাকে হুমকি দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা জানান।

অভিযোগ অনুযায়ী, শনিবার রাতে অষ্টজঙ্গল মোড়ে সোহাগ মিয়া ও তার সহযোগীরা অতর্কিতভাবে শাকিল মিয়ার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।

স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।

আহতের বাবা আবুল হোসেন বলেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

তবে অভিযুক্ত সোহাগ মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

এ ঘটনায় জেএস টেকনোলজির মালিক জহিরুল কবির শনিবার রাতেই কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

কসবা থানার ওসি (তদন্ত) রিপন দাস বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

চাঁদা দাবির বিরোধিতায় কসবায় ছাত্রদল কর্মীকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৫২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় চাঁদা দাবির বিরোধিতা করায় ছাত্রদলের কর্মী শাকিল মিয়া (২২) ওপর হামলা ও ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ নেতা সাখাওয়াত হোসাইন সোহাগ মিয়ার বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত শাকিল মিয়া উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

শনিবার (৯ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার অষ্টজঙ্গল মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগে জানা যায়, অভিযুক্ত সোহাগ মিয়া কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং বায়েক ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি উপজেলার জেএস টেকনোলজির মালিক জহিরুল কবিরের কাছে দীর্ঘদিন ধরে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

জেএস টেকনোলজিতে কর্মরত শাকিল মিয়া প্রতিষ্ঠানটির মালিককে চাঁদা না দেওয়ার পরামর্শ দেন। এতে সোহাগ মিয়া তার ওপর ক্ষুব্ধ হন এবং বিভিন্ন সময় তাকে হুমকি দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা জানান।

অভিযোগ অনুযায়ী, শনিবার রাতে অষ্টজঙ্গল মোড়ে সোহাগ মিয়া ও তার সহযোগীরা অতর্কিতভাবে শাকিল মিয়ার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।

স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।

আহতের বাবা আবুল হোসেন বলেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

তবে অভিযুক্ত সোহাগ মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

এ ঘটনায় জেএস টেকনোলজির মালিক জহিরুল কবির শনিবার রাতেই কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

কসবা থানার ওসি (তদন্ত) রিপন দাস বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।