ঢাকা ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তফসিলের আগেই চসিক নির্বাচনী মাঠে উত্তাপ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনের তফসিল এখনো ঘোষণা হয়নি। সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়েও নেই কোনো স্পষ্টতা। বর্তমান মেয়রের মেয়াদকাল নিয়েও রয়েছে আলোচনা-দ্বিধা। তবুও নির্বাচনের আগাম হাওয়া বইতে শুরু করেছে নগর রাজনীতিতে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে নেমে পড়েছেন, দলগুলোও নিচ্ছে প্রস্তুতি।

এরই মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। দলটির পক্ষ থেকে সাবেক কাউন্সিলর মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী-কে মেয়র পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। নগর জামায়াতের শূরা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তিনি নগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্বাচনে শক্ত প্রার্থী দেওয়ার চেষ্টা করছে। এ নিয়ে সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম-কে ঘিরে আলোচনা জোরালো হয়েছে। যদিও তিনি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। দলটির নেতাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ও বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা না করলেও বর্তমান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, নগরজুড়ে তার সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত এবং নিয়মিত সেবামূলক কার্যক্রম তাকে এগিয়ে রেখেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি এনসিপি ও জামায়াত আলাদা প্রার্থী দেয়, তবে বিএনপির জন্য পথ সহজ হতে পারে। তবে এম মনজুর আলম শেষ পর্যন্ত কোনো জোট বা দলের হয়ে মাঠে নামলে নির্বাচনের সমীকরণ বদলে যেতে পারে।

নগর বিএনপির এক নেতা বলেন, দলীয় প্রার্থী হিসেবে ডা. শাহাদাত হোসেন মাঠে থাকলে জয় নিয়ে খুব বেশি শঙ্কা নেই। তবে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী এলে লড়াই কঠিন হতে পারে।

অন্যদিকে, নির্বাচন আদৌ এ বছর হবে কি না, তা নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। এখনো তফসিল ঘোষণা না হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট নয়।

সব মিলিয়ে তফসিল ঘোষণার আগেই চসিক নির্বাচন ঘিরে নগর রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়ছে। সম্ভাব্য প্রার্থী ও জোট সমীকরণ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনায় মুখর পুরো চট্টগ্রাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

তফসিলের আগেই চসিক নির্বাচনী মাঠে উত্তাপ

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনের তফসিল এখনো ঘোষণা হয়নি। সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়েও নেই কোনো স্পষ্টতা। বর্তমান মেয়রের মেয়াদকাল নিয়েও রয়েছে আলোচনা-দ্বিধা। তবুও নির্বাচনের আগাম হাওয়া বইতে শুরু করেছে নগর রাজনীতিতে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে নেমে পড়েছেন, দলগুলোও নিচ্ছে প্রস্তুতি।

এরই মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। দলটির পক্ষ থেকে সাবেক কাউন্সিলর মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী-কে মেয়র পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। নগর জামায়াতের শূরা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তিনি নগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্বাচনে শক্ত প্রার্থী দেওয়ার চেষ্টা করছে। এ নিয়ে সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম-কে ঘিরে আলোচনা জোরালো হয়েছে। যদিও তিনি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। দলটির নেতাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ও বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা না করলেও বর্তমান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, নগরজুড়ে তার সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত এবং নিয়মিত সেবামূলক কার্যক্রম তাকে এগিয়ে রেখেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি এনসিপি ও জামায়াত আলাদা প্রার্থী দেয়, তবে বিএনপির জন্য পথ সহজ হতে পারে। তবে এম মনজুর আলম শেষ পর্যন্ত কোনো জোট বা দলের হয়ে মাঠে নামলে নির্বাচনের সমীকরণ বদলে যেতে পারে।

নগর বিএনপির এক নেতা বলেন, দলীয় প্রার্থী হিসেবে ডা. শাহাদাত হোসেন মাঠে থাকলে জয় নিয়ে খুব বেশি শঙ্কা নেই। তবে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী এলে লড়াই কঠিন হতে পারে।

অন্যদিকে, নির্বাচন আদৌ এ বছর হবে কি না, তা নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। এখনো তফসিল ঘোষণা না হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট নয়।

সব মিলিয়ে তফসিল ঘোষণার আগেই চসিক নির্বাচন ঘিরে নগর রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়ছে। সম্ভাব্য প্রার্থী ও জোট সমীকরণ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনায় মুখর পুরো চট্টগ্রাম।