ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষার্থী-শিক্ষক

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নে অবস্থিত ১৮৪ নং করিমগঞ্জ-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চরম ঝুঁকি নিয়েই পাঠদান চলছে। জরাজীর্ণ ও ভাঙাচোরা ভবনে প্রতিদিন ক্লাস করতে গিয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে স্থায়ী আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয় ভবনের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে অনেক জায়গায় রড বের হয়ে আছে। বৃষ্টির সময় ছাদ দিয়ে পানি পড়ায় শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হয়। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, ‘প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ক্লাস নিতে হচ্ছে। এলাকায় ঘনঘন ভূমিকম্পের কথাও শোনা যায়, তাই সবসময় ভয় কাজ করে।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসমা ইয়াসমিন জানান, ভবনটি যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, মাঝেমধ্যেই ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ে, ফলে ভয় ও আতঙ্ক নিয়েই ক্লাস করতে হয়। অভিভাবকরাও সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। অনেকেই সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে অনিচ্ছা প্রকাশ করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, দেরি হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষার্থী-শিক্ষক

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নে অবস্থিত ১৮৪ নং করিমগঞ্জ-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চরম ঝুঁকি নিয়েই পাঠদান চলছে। জরাজীর্ণ ও ভাঙাচোরা ভবনে প্রতিদিন ক্লাস করতে গিয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে স্থায়ী আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয় ভবনের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে অনেক জায়গায় রড বের হয়ে আছে। বৃষ্টির সময় ছাদ দিয়ে পানি পড়ায় শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হয়। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, ‘প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ক্লাস নিতে হচ্ছে। এলাকায় ঘনঘন ভূমিকম্পের কথাও শোনা যায়, তাই সবসময় ভয় কাজ করে।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসমা ইয়াসমিন জানান, ভবনটি যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, মাঝেমধ্যেই ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ে, ফলে ভয় ও আতঙ্ক নিয়েই ক্লাস করতে হয়। অভিভাবকরাও সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। অনেকেই সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে অনিচ্ছা প্রকাশ করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, দেরি হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।