ঢাকা ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজের বাল্যবিবাহ ঠেকিয়ে ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা পেল এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনা

পিরোজপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:২৬:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় নিজের বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সাহসিকতা দেখিয়ে ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা পেয়েছেন চলমান ২০২৬ এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনা আক্তার।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু সাইদ তার হাতে সম্মাননা স্মারক, সনদপত্র ও পড়াশোনার জন্য আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। এ সময় তার বাবা-মা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, তহমিনার পরিবার তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ের আয়োজন করলে তিনি আপত্তি জানান। চাপের মুখে গত ১৮ এপ্রিল তিনি জিয়ানগর থানায় আশ্রয় নেন। বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে বিয়ের কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং পরিবার থেকে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটানোর অঙ্গীকার নেওয়া হয়।

তহমিনা জিয়ানগর সরকারি সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী।

‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি, এটি প্রতিরোধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি অভিভাবকদের এ বিষয়ে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

তহমিনার এই উদ্যোগকে স্থানীয়রা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অনুপ্রেরণাদায়ী উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

নিজের বাল্যবিবাহ ঠেকিয়ে ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা পেল এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনা

আপডেট সময় : ০৭:২৬:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় নিজের বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সাহসিকতা দেখিয়ে ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা পেয়েছেন চলমান ২০২৬ এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনা আক্তার।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু সাইদ তার হাতে সম্মাননা স্মারক, সনদপত্র ও পড়াশোনার জন্য আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। এ সময় তার বাবা-মা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, তহমিনার পরিবার তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ের আয়োজন করলে তিনি আপত্তি জানান। চাপের মুখে গত ১৮ এপ্রিল তিনি জিয়ানগর থানায় আশ্রয় নেন। বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে বিয়ের কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং পরিবার থেকে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটানোর অঙ্গীকার নেওয়া হয়।

তহমিনা জিয়ানগর সরকারি সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী।

‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি, এটি প্রতিরোধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি অভিভাবকদের এ বিষয়ে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

তহমিনার এই উদ্যোগকে স্থানীয়রা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অনুপ্রেরণাদায়ী উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।