বাংলাদেশে এবার বন্ধ, ভারতে বিশ্ব ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লি
- আপডেট সময় : ০৩:২৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে

পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার দাদপুর থানার অন্তর্গত পুইনান গ্রামে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ইজতেমায় লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে ফিরে আসা এই ইজতেমা ইতোমধ্যে এক ঐতিহাসিক ধর্মীয় সমাবেশে পরিণত হয়েছে। দেশ-বিদেশ থেকে আগত মুসল্লিদের উপস্থিতিতে পুইনানের ইজতেমা ময়দান শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।
তাবলিগ জামাতের উদ্যোগে ২ থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা। প্রথম দিন থেকেই ময়দানে মানুষের ঢল নেমেছে। আয়োজকদের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ইতোমধ্যে কয়েক লাখ মুসল্লি অংশ নিয়েছেন। বিভিন্ন দেশ থেকেও বহু মুসল্লি এসেছেন ইসলামি বয়ান শুনতে, দোয়া ও মোনাজাতে শরিক হতে। বিশাল ময়দানজুড়ে মুসল্লিরা নামাজ, আমল ও ধর্মীয় আলোচনায় গভীর মনোযোগে সময় কাটাচ্ছেন।
ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিশেষ নিরাপত্তা ও পরিকাঠামোগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে প্রশাসনের বিভিন্ন দফর সমন্বয় করেছে। পুলিশের কড়া নজরদারি, স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতা এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতির ফলে ময়দানে শৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রয়েছে।
আগামী ৫ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতে বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণ কামনার মাধ্যমে এই বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশ শেষ হবে। আয়োজকদের ধারণা, শেষ দিনে প্রায় কোটি মানুষ উপস্থিত হতে পারে। বাংলাদেশ, নেপালসহ ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের অংশগ্রহণে প্রায় ৯ হাজার বিঘা জমিতে গড়ে তোলা ইজতেমা ময়দান জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।
ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ধর্মীয় সম্প্রীতির পীঠস্থান। এখানে সব ধর্মের মানুষ নির্বিঘ্নে নিজ নিজ ধর্ম পালন করেন। শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তিনি আরও যোগ করেছেন, দূর-দূরান্ত থেকে আগত মুসল্লিরা যেন কোনও অসুবিধায় না পড়েন, এ বিষয়ে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।

























