ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মধ্যবয়সী নারীর ব্যথা, কারণ কি মেনোপজ জেলে-কন্যা লিকার হাতে জাতীয় ব্যাডমিন্টনের শিরোপা, কাঁদলেন মা-মেয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের স্থান পরিবর্তন, সময় একই আছে এমবাপ্পে ও রিয়াল মাদ্রিদের ক্ষমাপ্রার্থনায়ও মন গলছে না চীনের রাতে বাড়ি ফেরার পথে হামলা, সকালে কাশবনে মেয়ের লাশ, দুপুরে বাবার মৃত্যু ‘এক সপ্তাহ ধরে বেচাবিক্রি নেই, কিস্তির টাকা কেমনে দেব’ জামায়াত থেকে আলাদা পরিচয় ধরে রাখতে চায় এনসিপি, লংমার্চে উপস্থিতি নিয়ে ভিন্ন চিন্তা দলটির পাকিস্তান সরকার ইমরান খানকে হত্যার চেষ্টা করছে: ছেলে সুলাইমানের অভিযোগ এবার এনসিটিবির সদস্যসহ চার কর্মকর্তাকে বদলি মাতৃত্ব, ওজন, কাজ আর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভোগের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে যা বললেন ক্যাটরিনা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

ছাত্র-জনতা শহীদ হওয়া এলাকার ওসিদের নামে মামলা করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জানিয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় যেসব থানার অধীনে ছাত্র-জনতা নিহত হয়েছে, সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডিং অফিসারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই তালিকা আইসিটি ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি রিফাত রসিদ এ তথ্য জানান। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে ইন্ডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি নিশ্চিত করতে আন্দোলন আজ থেকেই শুরু হয়েছে।

রিফাত রসিদ বলেন, জুলাই–আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলো ছিল পরিকল্পিত। তবে ছাত্র-জনতা যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, সেটিই ছিল ন্যায্য আন্দোলন। এই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে যে দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে তা অন্যায় ও জুলুম।

মাহদী হাসানের গ্রেফতারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে ‘আমলাতান্ত্রিক ও ইন্টারনাল প্রেসার’ উল্লেখ করা হচ্ছে, কিন্তু এই চাপ কোথা থেকে আসছে তা প্রশ্নবিদ্ধ। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার দায়মুক্তির ঘোষিত অধ্যাদেশ কার্যত মানা হচ্ছে না।

রিফাত রসিদ আরও বলেন, আগে ঘোষিত দুই দফা দাবির মধ্যে প্রথম দফার আংশিক বাস্তবায়ন হলেও মাহদী হাসান এখনও নিঃশর্ত মুক্তি পাননি। একটি মামলায় জামিন দেওয়া হলেও দাবি পূরণ হয়নি। এজন্য আন্দোলন চলমান থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত তিন দফা দাবি:

১. মাহদী হাসানকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে এবং হবিগঞ্জ সদর থানার ওসিকে প্রত্যাহার করতে হবে।

২. জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ১ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত সব কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি দিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে অধ্যাদেশ জারি করতে হবে।

৩. সামরিক-বেসামরিক ও বেসরকারি প্রশাসনের সব কর্মকর্তা, সৈনিক ও কর্মচারীদের জুলাই অভ্যুত্থানে ভূমিকার ইতিহাস লিপিবদ্ধ করতে হবে; তাদের সম্মাননা, স্বীকৃতি ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধে একটি স্থায়ী কমিশন গঠন করতে হবে এবং ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে পদোন্নতি বঞ্চিত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের দ্রুত পদোন্নতি ও গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল পদে পদায়ন করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

ছাত্র-জনতা শহীদ হওয়া এলাকার ওসিদের নামে মামলা করা হবে

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জানিয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় যেসব থানার অধীনে ছাত্র-জনতা নিহত হয়েছে, সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডিং অফিসারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই তালিকা আইসিটি ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি রিফাত রসিদ এ তথ্য জানান। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে ইন্ডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি নিশ্চিত করতে আন্দোলন আজ থেকেই শুরু হয়েছে।

রিফাত রসিদ বলেন, জুলাই–আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলো ছিল পরিকল্পিত। তবে ছাত্র-জনতা যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, সেটিই ছিল ন্যায্য আন্দোলন। এই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে যে দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে তা অন্যায় ও জুলুম।

মাহদী হাসানের গ্রেফতারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে ‘আমলাতান্ত্রিক ও ইন্টারনাল প্রেসার’ উল্লেখ করা হচ্ছে, কিন্তু এই চাপ কোথা থেকে আসছে তা প্রশ্নবিদ্ধ। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার দায়মুক্তির ঘোষিত অধ্যাদেশ কার্যত মানা হচ্ছে না।

রিফাত রসিদ আরও বলেন, আগে ঘোষিত দুই দফা দাবির মধ্যে প্রথম দফার আংশিক বাস্তবায়ন হলেও মাহদী হাসান এখনও নিঃশর্ত মুক্তি পাননি। একটি মামলায় জামিন দেওয়া হলেও দাবি পূরণ হয়নি। এজন্য আন্দোলন চলমান থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত তিন দফা দাবি:

১. মাহদী হাসানকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে এবং হবিগঞ্জ সদর থানার ওসিকে প্রত্যাহার করতে হবে।

২. জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ১ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত সব কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি দিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে অধ্যাদেশ জারি করতে হবে।

৩. সামরিক-বেসামরিক ও বেসরকারি প্রশাসনের সব কর্মকর্তা, সৈনিক ও কর্মচারীদের জুলাই অভ্যুত্থানে ভূমিকার ইতিহাস লিপিবদ্ধ করতে হবে; তাদের সম্মাননা, স্বীকৃতি ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধে একটি স্থায়ী কমিশন গঠন করতে হবে এবং ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে পদোন্নতি বঞ্চিত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের দ্রুত পদোন্নতি ও গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল পদে পদায়ন করতে হবে।