ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা পেলেন নিহত পোশাকশ্রমিক তৌফিকের পরিবার সুন্দরগঞ্জে যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ পরীক্ষার আগে কেন্দ্র বদল, ৪০ কিলোমিটার যাতায়াতের শঙ্কায় শিক্ষার্থীরা অক্টোবরে হামলা-হয়রানির শিকার ২৮ সংবাদকর্মী, প্রাণ গেছে একজনের: বিএজির প্রতিবেদন মোগল জাহাজে ডাকাতিতে জড়িত ব্যক্তির নামে নিউইয়র্কের সৈকত দি পল-সেলসোরা নেই, মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার প্রথম দলে কারা আছেন জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকার আন্তরিক আবেদন ছিল দুই কোটি টাকার, বড়দিনে তিন কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কমার্স ব্যাংকের দুই পরিচালকের পদত্যাগ, প্রিমিয়ারে নতুন তিন পরিচালক ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি’ চালুর উদ্যোগ নেবে আইসিটি বিভাগ

দুই দফা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টা থেকে বেঁচে ফেরা ক্রিস্টা চেতনা ফেরার পর কী বলেছেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া আসামি ক্রিস্টা পাইক হাসপাতালে জ্ঞান ফেরার পর কথা বলেছেন। তিনি ক্ষুব্ধ ও বিভ্রান্ত বলে জানিয়েছেন তাঁর একজন আইনজীবী।

হাসপাতালে জ্ঞান ফেরার পর ক্রিস্টা পাইকের প্রথম কথা ছিল, ‘আমি কোথায়?’ এবং ‘আপনি কে?’ গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তাঁর আইনজীবী র‍্যান্ডি স্পাইভি।

১৯৯৫ সালে তৎকালীন প্রেমিকের সঙ্গে মিলে কোলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল। গত ৩০ সেপ্টেম্বর প্রাণঘাতী ইনজেকশন দিয়ে দুই দফায় তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টা করা হয়। এরপরও তিনি বেঁচে যান।

বিশেষজ্ঞ ও পাইকের আইনজীবীরা বলছেন, ক্রিস্টা পাইকের বেঁচে যাওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন। এর আগে কোনো আসামি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারীদের দেওয়া প্রাণঘাতী ইনজেকশন থেকে বেঁচে ফেরেননি।

গতকাল একটি আদালত ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব আলামত সংরক্ষণের জন্য টেনেসি অঙ্গরাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছেন।

৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইকের অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। হাসপাতালে তাঁর নিবিড় চিকিৎসা চলছে। গতকাল আদালতে শুনানির পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাঁর আইনজীবীরা বলেন, হাসপাতালের বিছানায় তাঁর হাত ও পা বেঁধে রাখা হয়েছে।

আইনজীবী র‍্যান্ডি স্পাইভি বলেন, কয়েক দিন ধরে তাঁদের ধারণা ছিল, ক্রিস্টা পাইকের ‘ব্রেন ডেথ’ হয়েছে। যেকোনো সময় তাঁর লাইফ সাপোর্ট সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে গত মঙ্গলবার তিনি কথা বলতে শুরু করেছেন। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টার ঘটনা সম্পর্কে তাঁর খুব বেশি কিছু মনে নেই।

স্পাইভি বলেন, ক্রিস্টা পাইক প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার জন্য তাঁর হাতের রগ খুঁজে পেতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারী দলের সদস্যদের সাহায্য করেছিলেন। সে সময় তিনি নম্র আচরণও করেন।

এরপর হাসপাতালের একটি কক্ষে জ্ঞান ফেরে ক্রিস্টার। গলায় তখন একটি নল লাগানো ছিল। আশপাশে ছিলেন অপরিচিত লোকজন। স্পাইভি বলেন, তাঁর দুই বাহুই এখন ‘ভীষণ ফুলে আছে’।

স্পাইভি আরও বলেন, পাইকের একটি বাহুতে রক্ত জমাট বেঁধেছে। তাঁর নিউমোনিয়াও হয়েছে। তিনি খাবার বা পানি গিলতে পারছেন না।

স্পাইভি বলেন, ‘পুরো ঘটনা তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে, তা আমরা জানি না।’ তিনি জানান, এ ঘটনায় পাইক ‘ক্ষুব্ধ ও বিভ্রান্ত’ হয়ে পড়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে প্রাণঘাতী ইনজেকশন দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টা থেকে বেঁচে যাওয়া একমাত্র ব্যক্তি হলেন পাইক।

ইনজেকশনের মাধ্যমে দুই দফা প্রাণঘাতী ওষুধ প্রয়োগের পরও পাইকের মৃত্যু না হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কয়েক দিন তিনি অচেতন ছিলেন। এ সময় চিকিৎসকেরা তাঁর শরীর থেকে ওই ওষুধ অপসারণের চেষ্টা করেন।

গতকাল দিনের শুরুতে জরুরি শুনানিতে বিচারকের সামনে হাজির হন পাইকের আইনজীবীরা। সেখানে ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব আলামত সংরক্ষণের আবেদন জানান তাঁরা।

এ আলামত ভবিষ্যতে অঙ্গরাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে করা মামলার ভিত্তি তৈরি করতে পারে।

পাইকের আইনজীবীদের একজন লুক ইনেন শুনানির শুরুতে বলেন, তাঁর মক্কেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে নানা ধরনের ‘বাধার’ মুখে পড়তে হয়েছে।

বিচারক আই’শিয়া মাইলসকে এই আইনজীবী বলেন, ‘গতকাল পর্যন্ত আমাদের মক্কেল অচেতন ছিলেন এবং যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। এখন তিনি একটু একটু কথা বলতে পারছেন।’

টেনেসির সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল উইল আয়রস আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এখানে প্রক্রিয়াগতভাবে অস্বাভাবিক একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিচারকও এ বিষয়ে একমত হন।

আয়রসের যুক্তি, জরুরিভিত্তিতে আলামত সংরক্ষণের জন্য নতুন করে আদালতের আদেশের প্রয়োজন নেই। কারণ, আইন অনুযায়ী অঙ্গরাজ্য এমনিতেই এসব আলামত সংরক্ষণ করতে বাধ্য।

তারপরও বিচারক নির্দেশ দেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টার সময় মূল কক্ষে থাকা সবকিছু সংরক্ষণ করতে ও যথাযথভাবে রাখতে হবে। এর মধ্যে শিরায় ওষুধ দেওয়ার নল, সিরিঞ্জ ও ফেলে দেওয়া বিভিন্ন জিনিসও থাকবে।

৩০ সেপ্টেম্বর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টার আগে, ওই সময় এবং পরে পাইকের মানসিক অবস্থার বিস্তারিত তথ্য দিতেও অঙ্গরাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো তথ্য যেন হারিয়ে না যায় বা ভুল করে মুছে না ফেলা হয়, সে বিষয়ে অঙ্গরাজ্যকে ‘বিশেষ সতর্ক’ থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

পাইকের মৃত্যুদণ্ড আবার কবে কার্যকর করা হবে, তা জানতে বিচারক অঙ্গরাজ্য সরকারের আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন। জবাবে আয়রস বলেন, এ বিষয়ে তাঁর কোনো তথ্য জানা নেই।

টেনেসির গভর্নর বিল লি এ বছর বাকি সময়ের জন্য অঙ্গরাজ্যে সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। কীভাবে ওই ঘটনা ঘটল, সে বিষয়েও তিনি বিস্তারিত জানতে চান। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থতার পর অঙ্গরাজ্যের কারা বিভাগের প্রধানও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

দুই দফা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টা থেকে বেঁচে ফেরা ক্রিস্টা চেতনা ফেরার পর কী বলেছেন

আপডেট সময় : ০৫:০০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া আসামি ক্রিস্টা পাইক হাসপাতালে জ্ঞান ফেরার পর কথা বলেছেন। তিনি ক্ষুব্ধ ও বিভ্রান্ত বলে জানিয়েছেন তাঁর একজন আইনজীবী।

হাসপাতালে জ্ঞান ফেরার পর ক্রিস্টা পাইকের প্রথম কথা ছিল, ‘আমি কোথায়?’ এবং ‘আপনি কে?’ গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তাঁর আইনজীবী র‍্যান্ডি স্পাইভি।

১৯৯৫ সালে তৎকালীন প্রেমিকের সঙ্গে মিলে কোলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল। গত ৩০ সেপ্টেম্বর প্রাণঘাতী ইনজেকশন দিয়ে দুই দফায় তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টা করা হয়। এরপরও তিনি বেঁচে যান।

বিশেষজ্ঞ ও পাইকের আইনজীবীরা বলছেন, ক্রিস্টা পাইকের বেঁচে যাওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন। এর আগে কোনো আসামি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারীদের দেওয়া প্রাণঘাতী ইনজেকশন থেকে বেঁচে ফেরেননি।

গতকাল একটি আদালত ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব আলামত সংরক্ষণের জন্য টেনেসি অঙ্গরাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছেন।

৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইকের অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। হাসপাতালে তাঁর নিবিড় চিকিৎসা চলছে। গতকাল আদালতে শুনানির পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাঁর আইনজীবীরা বলেন, হাসপাতালের বিছানায় তাঁর হাত ও পা বেঁধে রাখা হয়েছে।

আইনজীবী র‍্যান্ডি স্পাইভি বলেন, কয়েক দিন ধরে তাঁদের ধারণা ছিল, ক্রিস্টা পাইকের ‘ব্রেন ডেথ’ হয়েছে। যেকোনো সময় তাঁর লাইফ সাপোর্ট সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে গত মঙ্গলবার তিনি কথা বলতে শুরু করেছেন। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টার ঘটনা সম্পর্কে তাঁর খুব বেশি কিছু মনে নেই।

স্পাইভি বলেন, ক্রিস্টা পাইক প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার জন্য তাঁর হাতের রগ খুঁজে পেতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারী দলের সদস্যদের সাহায্য করেছিলেন। সে সময় তিনি নম্র আচরণও করেন।

এরপর হাসপাতালের একটি কক্ষে জ্ঞান ফেরে ক্রিস্টার। গলায় তখন একটি নল লাগানো ছিল। আশপাশে ছিলেন অপরিচিত লোকজন। স্পাইভি বলেন, তাঁর দুই বাহুই এখন ‘ভীষণ ফুলে আছে’।

স্পাইভি আরও বলেন, পাইকের একটি বাহুতে রক্ত জমাট বেঁধেছে। তাঁর নিউমোনিয়াও হয়েছে। তিনি খাবার বা পানি গিলতে পারছেন না।

স্পাইভি বলেন, ‘পুরো ঘটনা তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে, তা আমরা জানি না।’ তিনি জানান, এ ঘটনায় পাইক ‘ক্ষুব্ধ ও বিভ্রান্ত’ হয়ে পড়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে প্রাণঘাতী ইনজেকশন দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টা থেকে বেঁচে যাওয়া একমাত্র ব্যক্তি হলেন পাইক।

ইনজেকশনের মাধ্যমে দুই দফা প্রাণঘাতী ওষুধ প্রয়োগের পরও পাইকের মৃত্যু না হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কয়েক দিন তিনি অচেতন ছিলেন। এ সময় চিকিৎসকেরা তাঁর শরীর থেকে ওই ওষুধ অপসারণের চেষ্টা করেন।

গতকাল দিনের শুরুতে জরুরি শুনানিতে বিচারকের সামনে হাজির হন পাইকের আইনজীবীরা। সেখানে ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব আলামত সংরক্ষণের আবেদন জানান তাঁরা।

এ আলামত ভবিষ্যতে অঙ্গরাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে করা মামলার ভিত্তি তৈরি করতে পারে।

পাইকের আইনজীবীদের একজন লুক ইনেন শুনানির শুরুতে বলেন, তাঁর মক্কেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে নানা ধরনের ‘বাধার’ মুখে পড়তে হয়েছে।

বিচারক আই’শিয়া মাইলসকে এই আইনজীবী বলেন, ‘গতকাল পর্যন্ত আমাদের মক্কেল অচেতন ছিলেন এবং যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। এখন তিনি একটু একটু কথা বলতে পারছেন।’

টেনেসির সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল উইল আয়রস আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এখানে প্রক্রিয়াগতভাবে অস্বাভাবিক একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিচারকও এ বিষয়ে একমত হন।

আয়রসের যুক্তি, জরুরিভিত্তিতে আলামত সংরক্ষণের জন্য নতুন করে আদালতের আদেশের প্রয়োজন নেই। কারণ, আইন অনুযায়ী অঙ্গরাজ্য এমনিতেই এসব আলামত সংরক্ষণ করতে বাধ্য।

তারপরও বিচারক নির্দেশ দেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টার সময় মূল কক্ষে থাকা সবকিছু সংরক্ষণ করতে ও যথাযথভাবে রাখতে হবে। এর মধ্যে শিরায় ওষুধ দেওয়ার নল, সিরিঞ্জ ও ফেলে দেওয়া বিভিন্ন জিনিসও থাকবে।

৩০ সেপ্টেম্বর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টার আগে, ওই সময় এবং পরে পাইকের মানসিক অবস্থার বিস্তারিত তথ্য দিতেও অঙ্গরাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো তথ্য যেন হারিয়ে না যায় বা ভুল করে মুছে না ফেলা হয়, সে বিষয়ে অঙ্গরাজ্যকে ‘বিশেষ সতর্ক’ থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

পাইকের মৃত্যুদণ্ড আবার কবে কার্যকর করা হবে, তা জানতে বিচারক অঙ্গরাজ্য সরকারের আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন। জবাবে আয়রস বলেন, এ বিষয়ে তাঁর কোনো তথ্য জানা নেই।

টেনেসির গভর্নর বিল লি এ বছর বাকি সময়ের জন্য অঙ্গরাজ্যে সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। কীভাবে ওই ঘটনা ঘটল, সে বিষয়েও তিনি বিস্তারিত জানতে চান। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থতার পর অঙ্গরাজ্যের কারা বিভাগের প্রধানও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।