ঢাকা ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা পেলেন নিহত পোশাকশ্রমিক তৌফিকের পরিবার সুন্দরগঞ্জে যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ পরীক্ষার আগে কেন্দ্র বদল, ৪০ কিলোমিটার যাতায়াতের শঙ্কায় শিক্ষার্থীরা অক্টোবরে হামলা-হয়রানির শিকার ২৮ সংবাদকর্মী, প্রাণ গেছে একজনের: বিএজির প্রতিবেদন মোগল জাহাজে ডাকাতিতে জড়িত ব্যক্তির নামে নিউইয়র্কের সৈকত দি পল-সেলসোরা নেই, মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার প্রথম দলে কারা আছেন জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকার আন্তরিক আবেদন ছিল দুই কোটি টাকার, বড়দিনে তিন কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কমার্স ব্যাংকের দুই পরিচালকের পদত্যাগ, প্রিমিয়ারে নতুন তিন পরিচালক ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি’ চালুর উদ্যোগ নেবে আইসিটি বিভাগ

৮ মাস পর চালুর দুই দিনের মাথায় আবার বন্ধ যমুনা সার কারখানা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গ্যাস-সংকট কাটিয়ে প্রায় আট মাস পর জামালপুরের সরিষাবাড়ীর যমুনা সার কারখানায় (জেএফসিএল) পুরোদমে সার উৎপাদন শুরু হয়েছিল। কিন্তু দুই দিনের মাথায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারখানার মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) মো. ফজলুল হক। তিনি জানান, গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে একটি প্ল্যান্টের বয়লারে ছিদ্র দেখা যায়। সেটি মেরামতের জন্য উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে।

ফজলুল হক বলেন, ‘এটি বড় ধরনের কোনো সমস্যা না। যেহেতু আমরা পুরোদমে উৎপাদনে গিয়েছি এবং গ্যাসের চাপও ভালো পাওয়া যাচ্ছে; তাই ওই ছোট ত্রুটিও মেরামত করে নিচ্ছি, যাতে পরে কোনো বড় সমস্যা না হয়। আশা করছি, আগামী শনিবার আবার পুরোদমে উৎপাদনে ফিরতে পারব।’ তাঁর ভাষ্য, কারখানাটি অনেক দিন পর চালু হয়েছে, তাই ছোটখাটো সমস্যা হতেই পারে। চালুর পর এ পর্যন্ত বড় কোনো সমস্যা দেখা যায়নি।

মহাব্যবস্থাপক জানান, বর্তমানে যে গ্যাসের চাপ পাওয়া যাচ্ছে, তাতে কারখানায় দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন হবে। গ্যাসের চাপ আরও বাড়লে উৎপাদন ১ হাজার ৩৫০ থেকে ১ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন পর্যন্ত হতে পারে।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, গ্যাস-সংকটে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় আট মাস পর গত সোমবার রাতে কারখানাটি আবার পুরোদমে চালু হয়। যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের জন্য গতকাল বুধবার রাত থেকে আবারও কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানা ১৯৯১ সালে দৈনিক ১ হাজার ৭০০ টন উৎপাদনক্ষমতা নিয়ে উৎপাদন শুরু করে। কারখানাটি থেকে উত্তরবঙ্গের ১৬ জেলাসহ মোট ১৯ জেলায় সার সরবরাহ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

৮ মাস পর চালুর দুই দিনের মাথায় আবার বন্ধ যমুনা সার কারখানা

আপডেট সময় : ০৪:০০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

গ্যাস-সংকট কাটিয়ে প্রায় আট মাস পর জামালপুরের সরিষাবাড়ীর যমুনা সার কারখানায় (জেএফসিএল) পুরোদমে সার উৎপাদন শুরু হয়েছিল। কিন্তু দুই দিনের মাথায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারখানার মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) মো. ফজলুল হক। তিনি জানান, গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে একটি প্ল্যান্টের বয়লারে ছিদ্র দেখা যায়। সেটি মেরামতের জন্য উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে।

ফজলুল হক বলেন, ‘এটি বড় ধরনের কোনো সমস্যা না। যেহেতু আমরা পুরোদমে উৎপাদনে গিয়েছি এবং গ্যাসের চাপও ভালো পাওয়া যাচ্ছে; তাই ওই ছোট ত্রুটিও মেরামত করে নিচ্ছি, যাতে পরে কোনো বড় সমস্যা না হয়। আশা করছি, আগামী শনিবার আবার পুরোদমে উৎপাদনে ফিরতে পারব।’ তাঁর ভাষ্য, কারখানাটি অনেক দিন পর চালু হয়েছে, তাই ছোটখাটো সমস্যা হতেই পারে। চালুর পর এ পর্যন্ত বড় কোনো সমস্যা দেখা যায়নি।

মহাব্যবস্থাপক জানান, বর্তমানে যে গ্যাসের চাপ পাওয়া যাচ্ছে, তাতে কারখানায় দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন হবে। গ্যাসের চাপ আরও বাড়লে উৎপাদন ১ হাজার ৩৫০ থেকে ১ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন পর্যন্ত হতে পারে।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, গ্যাস-সংকটে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় আট মাস পর গত সোমবার রাতে কারখানাটি আবার পুরোদমে চালু হয়। যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের জন্য গতকাল বুধবার রাত থেকে আবারও কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানা ১৯৯১ সালে দৈনিক ১ হাজার ৭০০ টন উৎপাদনক্ষমতা নিয়ে উৎপাদন শুরু করে। কারখানাটি থেকে উত্তরবঙ্গের ১৬ জেলাসহ মোট ১৯ জেলায় সার সরবরাহ করা হয়।