ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা পেলেন নিহত পোশাকশ্রমিক তৌফিকের পরিবার সুন্দরগঞ্জে যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ পরীক্ষার আগে কেন্দ্র বদল, ৪০ কিলোমিটার যাতায়াতের শঙ্কায় শিক্ষার্থীরা অক্টোবরে হামলা-হয়রানির শিকার ২৮ সংবাদকর্মী, প্রাণ গেছে একজনের: বিএজির প্রতিবেদন মোগল জাহাজে ডাকাতিতে জড়িত ব্যক্তির নামে নিউইয়র্কের সৈকত দি পল-সেলসোরা নেই, মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার প্রথম দলে কারা আছেন জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকার আন্তরিক আবেদন ছিল দুই কোটি টাকার, বড়দিনে তিন কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কমার্স ব্যাংকের দুই পরিচালকের পদত্যাগ, প্রিমিয়ারে নতুন তিন পরিচালক ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি’ চালুর উদ্যোগ নেবে আইসিটি বিভাগ

চোখজোড়া হয়ে যায় অপেক্ষার নদী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জোছ্‌নারাতে মুখ দেখেছি চাঁদ ঝলমল করে, শান্ত নদীর ঢেউয়ের মতো রূপটি তোমায় ধরে। শিউলিভেজা হাওয়ার ডাকে ভাসছে তোমার নাম, বুকের ভেতর স্বপ্ন এঁকে নিজে হলাম নিলাম। নদীর জলে চাঁদের ছবি কাঁপছে ধীরে ধীরে, জোছ্‌নারাতে মুখ দেখেছি চাঁদ ঝলমল করে। তুমি এলে রাতের আকাশ তারায় তারায় জ্বলে, জোছ্নারাতে থেকো পাশে জোনাক যদি বলে। তোমার ডাকে রাতের পাখি গেয়ে ওঠে নতুন সুরে। জোছ্নারাতে মুখ দেখেছি চাঁদ ঝলমল করে।

কাছে যাবে যাবে ভাবি, অগাধ দূরত্বেসরিয়ে রেখে তোমাকে নক্ষত্রের দিকে;তুমি দূর আকাশের জ্বলজ্বলে নক্ষত্রের নাম।তুমি মহাকাশ, তুমি যে মহাপৃথিবী!কীভাবে অনুভূতির কপাট-জানালা খুলেহৃদয়ে তুমুল কোলাহলতুমি বড় হয়ে যাও, আমি স্তব্ধ মমি।আগোছালো গলিপথে সুর তোলো তুমিপথে পথে সুরে সুরে বাউল এসরাজতুমি গান হয়ে যাওআমি নীরবে দাঁড়িয়ে থাকি মমি হয়ে।

দেখো বৈশাখ জানিয়ে দিয়েছে প্রখর রোদের তাপইচ্ছেরা পুড়ে শুকিয়ে বিরান তোমার–আমার ঠোঁটপুড়েছে ভীষণ সাধরা মনের আহাজারি খুব মনে।লাল-সাদা শাড়ি পরেছে নারীরা হাঁটছে দূরের পথেহাতের ভেতর প্রেমেরই হাত হাওয়া ওড়ায় চুলহাওয়া ওড়ায় শাড়ির আঁচল ঘামল নারীর মুখ।মুখের ওপর বাতাস চুমুর অজানা পথের টানপাইনি তোমার হাতের পরশ ইচ্ছেরা পোড়ে খুবকত উত্সব হয়েছে বিফল গাইনি প্রেমের গান।কত বৈশাখ মরেছে কেবল ঠোঁটের তুমুল ক্ষতে।পুড়েছে ভীষণ সাধরা মনের আহাজারি খুব মনে।অনেক মানুষ ভিড়ের ভেতর আমি তো কোথাও নেইইচ্ছেরা পুড়ে শুকিয়ে বিরান তোমার আমার ঠোঁট।

হেমন্তের দূর্বাভেজা শিশিরে মনে রেখোচোখজোড়া শিশিরের মতন তাকিয়েথাকে শান্ত ভোরে—বাতাসে জড়ানো স্থির নিশ্বাসে তুমি এক নাম।মনে রেখো শরতের সাদা কাশফুলে,তোমার পরশে নাচি কাশফুল হয়েতোমার চুলের গন্ধে মাখি ভালোবাসা।শ্রাবণের এ মেঘলা দিনে রেখো মনেচোখজোড়া হয়ে যায় অপেক্ষার নদী।শিউলি ফুলের গন্ধে মনে রেখো তুমিপড়ে থাকি অবহেলায় শিশিরের ভোরে;পড়ে থাকি হেমন্তের ঘাসে।

কীভাবে যে কাটে ঘুমহীন রাত, বাজে বিরহের সাইরেনআমি জানি, আমি জানি সব!বুকের খনি—স্মৃতির পলিমাটি থেকে উঠে আসেএই ঘুমহীন রাতে!দূরের হিজল অন্ধকারে ডানা ঝাপটায় পাখিশীতের শিশির ঝরে পড়ে চুপচাপআমি জানি, আমি জানি সব!কীভাবে যে কেটে যায় ঘুমহীন রাত, সুনসান কুয়াশায়কারা ডাকে ইশারায়, কে জাগিয়ে রাখে কাকে আশায়-আশায়আমি জানি, আমি জানি সব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

চোখজোড়া হয়ে যায় অপেক্ষার নদী

আপডেট সময় : ১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

জোছ্‌নারাতে মুখ দেখেছি চাঁদ ঝলমল করে, শান্ত নদীর ঢেউয়ের মতো রূপটি তোমায় ধরে। শিউলিভেজা হাওয়ার ডাকে ভাসছে তোমার নাম, বুকের ভেতর স্বপ্ন এঁকে নিজে হলাম নিলাম। নদীর জলে চাঁদের ছবি কাঁপছে ধীরে ধীরে, জোছ্‌নারাতে মুখ দেখেছি চাঁদ ঝলমল করে। তুমি এলে রাতের আকাশ তারায় তারায় জ্বলে, জোছ্নারাতে থেকো পাশে জোনাক যদি বলে। তোমার ডাকে রাতের পাখি গেয়ে ওঠে নতুন সুরে। জোছ্নারাতে মুখ দেখেছি চাঁদ ঝলমল করে।

কাছে যাবে যাবে ভাবি, অগাধ দূরত্বেসরিয়ে রেখে তোমাকে নক্ষত্রের দিকে;তুমি দূর আকাশের জ্বলজ্বলে নক্ষত্রের নাম।তুমি মহাকাশ, তুমি যে মহাপৃথিবী!কীভাবে অনুভূতির কপাট-জানালা খুলেহৃদয়ে তুমুল কোলাহলতুমি বড় হয়ে যাও, আমি স্তব্ধ মমি।আগোছালো গলিপথে সুর তোলো তুমিপথে পথে সুরে সুরে বাউল এসরাজতুমি গান হয়ে যাওআমি নীরবে দাঁড়িয়ে থাকি মমি হয়ে।

দেখো বৈশাখ জানিয়ে দিয়েছে প্রখর রোদের তাপইচ্ছেরা পুড়ে শুকিয়ে বিরান তোমার–আমার ঠোঁটপুড়েছে ভীষণ সাধরা মনের আহাজারি খুব মনে।লাল-সাদা শাড়ি পরেছে নারীরা হাঁটছে দূরের পথেহাতের ভেতর প্রেমেরই হাত হাওয়া ওড়ায় চুলহাওয়া ওড়ায় শাড়ির আঁচল ঘামল নারীর মুখ।মুখের ওপর বাতাস চুমুর অজানা পথের টানপাইনি তোমার হাতের পরশ ইচ্ছেরা পোড়ে খুবকত উত্সব হয়েছে বিফল গাইনি প্রেমের গান।কত বৈশাখ মরেছে কেবল ঠোঁটের তুমুল ক্ষতে।পুড়েছে ভীষণ সাধরা মনের আহাজারি খুব মনে।অনেক মানুষ ভিড়ের ভেতর আমি তো কোথাও নেইইচ্ছেরা পুড়ে শুকিয়ে বিরান তোমার আমার ঠোঁট।

হেমন্তের দূর্বাভেজা শিশিরে মনে রেখোচোখজোড়া শিশিরের মতন তাকিয়েথাকে শান্ত ভোরে—বাতাসে জড়ানো স্থির নিশ্বাসে তুমি এক নাম।মনে রেখো শরতের সাদা কাশফুলে,তোমার পরশে নাচি কাশফুল হয়েতোমার চুলের গন্ধে মাখি ভালোবাসা।শ্রাবণের এ মেঘলা দিনে রেখো মনেচোখজোড়া হয়ে যায় অপেক্ষার নদী।শিউলি ফুলের গন্ধে মনে রেখো তুমিপড়ে থাকি অবহেলায় শিশিরের ভোরে;পড়ে থাকি হেমন্তের ঘাসে।

কীভাবে যে কাটে ঘুমহীন রাত, বাজে বিরহের সাইরেনআমি জানি, আমি জানি সব!বুকের খনি—স্মৃতির পলিমাটি থেকে উঠে আসেএই ঘুমহীন রাতে!দূরের হিজল অন্ধকারে ডানা ঝাপটায় পাখিশীতের শিশির ঝরে পড়ে চুপচাপআমি জানি, আমি জানি সব!কীভাবে যে কেটে যায় ঘুমহীন রাত, সুনসান কুয়াশায়কারা ডাকে ইশারায়, কে জাগিয়ে রাখে কাকে আশায়-আশায়আমি জানি, আমি জানি সব।