ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিক্ষোভ-ভাঙচুর, ৩য় দিনে ৪ শতাধিক কারখানায় ছুটি মধ্যবর্তী নির্বাচন : হেরে গেলে বাকি দুবছর কীভাবে সামাল দেবেন ট্রাম্প সরকারের ব্যর্থতায় অর্থনৈতিক সংকট আরও প্রকট হয়েছে: এবি পার্টি ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি–এডহক কমিটি বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশনের পানির পাম্পে ককটেল বিস্ফোরণ পিএসজি-রিয়ালের চেয়ে পিছিয়ে নেই বার্সেলোনা, দাবি গর্ডনের জরুরি পরিস্থিতির জন্য খাবার-পানি মজুত করতে বলছে বিভিন্ন দেশ, কীসের আশঙ্কা শ্রমিক আন্দোলনে বহিরাগত ইন্ধন নিয়ে সতর্ক সরকার বাংলাদেশে সিমেন্স ইডিএর অনুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটর হলো পেন্টা গ্লোবাল পাখিদের নিরাপদ আবাস গড়তে রাজশাহী বন্ধুসভার উদ্যোগ

বিএনপির কাউন্সিলে ককটেল বিস্ফোরণ-ভাঙচুরের মামলায় দশমিনার আ.লীগের ৫ নেতা কারাগারে

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:৪৬:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নে ২০২২ সালের বিএনপির কাউন্সিল চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণ, মঞ্চ ভাঙচুর, মালামাল লুটপাট ও বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন পটুয়াখালীর জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

কারাগারে পাঠানো নেতারা হলেন, দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গৌতম রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন ভূট্টো, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আজাদ, বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলম এবং দশমিনা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি রমিজ মোল্লা।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মামলার পর আসামিরা দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। পরে তারা উচ্চ আদালত থেকে দুই মাসের আগাম জামিন লাভ করেন।

বুধবার ৮ জুলাই সকালে পটুয়াখালীর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৬ মার্চ বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিল চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণ, মঞ্চ ভাঙচুর, মালামাল লুটপাট এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সবুজ ঢালি বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪০ থেকে ৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে দশমিনা থানায় মামলা দায়ের করেন।

দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, ওই মামলার পাঁচ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের আদেশের কপি গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

বিএনপির কাউন্সিলে ককটেল বিস্ফোরণ-ভাঙচুরের মামলায় দশমিনার আ.লীগের ৫ নেতা কারাগারে

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নে ২০২২ সালের বিএনপির কাউন্সিল চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণ, মঞ্চ ভাঙচুর, মালামাল লুটপাট ও বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন পটুয়াখালীর জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

কারাগারে পাঠানো নেতারা হলেন, দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গৌতম রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন ভূট্টো, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আজাদ, বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলম এবং দশমিনা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি রমিজ মোল্লা।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মামলার পর আসামিরা দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। পরে তারা উচ্চ আদালত থেকে দুই মাসের আগাম জামিন লাভ করেন।

বুধবার ৮ জুলাই সকালে পটুয়াখালীর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৬ মার্চ বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিল চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণ, মঞ্চ ভাঙচুর, মালামাল লুটপাট এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সবুজ ঢালি বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪০ থেকে ৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে দশমিনা থানায় মামলা দায়ের করেন।

দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, ওই মামলার পাঁচ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের আদেশের কপি গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।