সুন্দরগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে দাখিল মাদ্রাসার ব্যাপক ক্ষতি, শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ
- আপডেট সময় : ০৭:১১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে একটি দাখিল মাদ্রাসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাতে উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের কিসামত সদর এলাকায় অবস্থিত কিসামত সদর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য, ঝড়ের তীব্রতায় মাদ্রাসার টিনশেড ও অবকাঠামোর একটি অংশ মুহূর্তেই ধসে পড়ে।
জানা যায়, চরাঞ্চলের এই অবহেলিত এলাকায় শিক্ষক ও স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বহু কষ্টে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছিল। কিন্তু আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ের আঘাতে পুরো কাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, ঝড়ের সময় বিকট শব্দে টিনশেড ও ভবনের অংশ দুলে ওঠে এবং মুহূর্তের মধ্যে একটি অংশ ভেঙে পড়ে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা মাননীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত সরকারি সহায়তায় মাদ্রাসাটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
শিক্ষক ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি আবারও স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
মাদ্রাসার সুপার মো. সাহাব উদ্দিন শিহাব বলেন, ‘ঝড়ে মাদ্রাসার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত এটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ না করা গেলে শিক্ষা কার্যক্রম দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকার আশঙ্কা রয়েছে। ইতোমধ্যে বিষয়টি বেলকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্লাহকে জানানো হয়েছে।’
ইউপি সদস্য মো. হাফিজার রহমান বলেন, স্থানীয়দের পরিশ্রমে গড়ে ওঠা এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন ক্ষতি অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ না হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে বেলকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ বলেন, ঝড়ে কিসামত সদর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ক্ষতির বিষয়টি জানা গেছে। প্রতিষ্ঠানটি মেরামতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

















