ক্ষমতাসীনেরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে জেতে না, তবে আমরা জোর চেষ্টা চালাচ্ছি: ট্রাম্প
- আপডেট সময় : ০৪:০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘কোনো এক কারণে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট মধ্যবর্তী নির্বাচনে জেতে না। তবে আমরা জোর চেষ্টা চালাচ্ছি।’ গতকাল সোমবার ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়াল রিফ্লেক্টিং পুল এলাকায় নির্বাচনের শেষ প্রচারে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগের এটাই শেষ দিন। আমার বিশ্বাস, আমাদের জীবদ্দশার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচন এটি।’
নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পক্ষে ভোট চাইতে গিয়ে নিজের সরকারের কাজের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন ট্রাম্প। একই সঙ্গে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের সমালোচনা করেন।
.
ট্রাম্প বলেন, ‘ডেমোক্র্যাটরা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে চরমপন্থী ও বিপজ্জনক প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছে। তাঁরা এ পর্যন্ত মনোনয়ন পাওয়া সবচেয়ে বিপজ্জনক প্রার্থী।’
ডেমোক্র্যাটদের অভিবাসন ও ট্রান্সজেন্ডার অধিকারবিষয়ক অবস্থানের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, দলটি উগ্র কর্মসূচি ও ‘বিপজ্জনক মতাদর্শ’ অনুসরণ করছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে আমাদের দেশ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষা করব।’
তবে তাঁর বক্তব্যের বড় অংশজুড়ে ছিল ওয়াশিংটনে তাঁর নেওয়া নির্মাণ ও সংস্কার প্রকল্পগুলো। এ সময় ট্রাম্প স্মৃতিস্তম্ভ ও রিফ্লেক্টিং পুলের সংস্কার নিয়েই বেশি কথা বলেন। রিফ্লেক্টিং পুলের সংস্কারকাজে প্রায় দেড় কোটি ডলার ব্যয় ধরা হলেও কাজটি বারবার বাধার মুখে পড়েছে। কোনো প্রমাণ ছাড়াই এ জন্য নাশকতাকারীদের দায়ী করেছেন তিনি।
.
আজ মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন। এ নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষ—প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়ছে দুই প্রধান দল। জনমত জরিপে প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও লড়াই বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
.
এদিকে গতকাল নিউইয়র্ক পোস্টের পডকাস্ট ‘পড ফোর্স ওয়ান’-এ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা (নির্বাচনে) দারুণ করব। তবে জিততে না পারলে আমি সবকিছুতে ভেটো দেব। একের পর এক ভেটো দেব। এরপর তারা (ডেমোক্র্যাট) আসবে, আর আমরা হয়তো কোনো না কোনো সমঝোতায় পৌঁছাব।’
আজ মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন। এ নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষ—প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়ছে দুই প্রধান দল। জনমত জরিপে প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও লড়াই বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
.মধ্যবর্তী নির্বাচন : হেরে গেলে বাকি দুবছর কীভাবে সামাল দেবেন ট্রাম্প.
প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারালে ট্রাম্পের জন্য বড় রাজনৈতিক বাধা তৈরি হতে পারে। কারণ, এই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেলে কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেট নিয়ে ভোটাভুটিতে প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন ডেমোক্র্যাটরা। পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, জেফরি এপস্টিন-সংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য বিতর্কিত বিষয়ে তদন্ত করতে সক্ষম কমিটিগুলোর নিয়ন্ত্রণও তাঁদের হাতে যাবে।
অন্যদিকে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে গেলে ট্রাম্পের মনোনীত বিচারকদের আজীবন নিয়োগ আটকে দিতে পারবেন তাঁরা। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগও রয়েছে।
.সিনেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৭ অঙ্গরাজ্যের সব কটিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: নিউইয়র্ক টাইমসের জরিপ























