ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা পেলেন নিহত পোশাকশ্রমিক তৌফিকের পরিবার সুন্দরগঞ্জে যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ পরীক্ষার আগে কেন্দ্র বদল, ৪০ কিলোমিটার যাতায়াতের শঙ্কায় শিক্ষার্থীরা অক্টোবরে হামলা-হয়রানির শিকার ২৮ সংবাদকর্মী, প্রাণ গেছে একজনের: বিএজির প্রতিবেদন মোগল জাহাজে ডাকাতিতে জড়িত ব্যক্তির নামে নিউইয়র্কের সৈকত দি পল-সেলসোরা নেই, মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার প্রথম দলে কারা আছেন জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকার আন্তরিক আবেদন ছিল দুই কোটি টাকার, বড়দিনে তিন কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কমার্স ব্যাংকের দুই পরিচালকের পদত্যাগ, প্রিমিয়ারে নতুন তিন পরিচালক ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি’ চালুর উদ্যোগ নেবে আইসিটি বিভাগ

‘আমি কি আমার মেয়ের সম্মাননাটি নিতে পারব’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘মেয়ে আসতে পারেনি, তাই আমি এসেছি। আমি কি আমার মেয়ের সম্মাননাটি নিতে পারব’—কথাগুলো বলছিলেন কানিতা তাসনিম জিনিয়ার মা ডালিয়া নওশীন। মেয়ের সাফল্যে মায়ের কণ্ঠেও উচ্ছ্বাস। আজ সোমবার তিনি এসেছিলেন শিখো–প্রথম আলো জিপিএ–৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে।

প্রথম আলোর আয়োজনে ও শিক্ষার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘শিখো’র পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হচ্ছে জিপিএ–৫ প্রাপ্ত কৃতী সংবর্ধনা। ‘স্বপ্ন দেখো জীবন গড়ো’ স্লোগান নিয়ে সারা দেশে ২০২৬ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ–৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ৬৪ জেলায় এ সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে।

আয়োজনটি পাওয়ার্ড বাই বিকাশ এবং সহযোগিতায় থাকছে কনকর্ড গ্রুপ, ফ্রেশ, সেভয় আইসক্রিম, কনকা–গ্রি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, কোয়ালিটি গ্রুপ, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, জিংক বি, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ শাখা ক্যাম্পাস, আম্বার আইটি লিমিটেড, এটিএন বাংলা ও প্রথম আলো বন্ধুসভা।

সকাল ১০টায় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। এরপর স্বাগত বক্তব্যে প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রথম আলোর পিরোজপুর প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল হাসীব।

অনুষ্ঠানে অনুভূতি জানিয়ে বক্তব্য দেন মেয়ে কানিতা তাসনিম জিনিয়ার পক্ষে সম্মাননা নিতে আসা মা ডালিয়া নওশীন। মেয়ে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে ভর্তির কাজে ঢাকায় আছে। তাই মেয়ের পক্ষে সম্মাননা নিতে নিজেই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আসেন বলে জানালেন তিনি।

পরিশ্রম ও ভালো কাজের মধ্য দিয়ে নিজেদের আরও যোগ্য করে তুলতে অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান পিরোজপুর আফতাবউদ্দিন কলেজের অবসরপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ঈশ্বর চন্দ্র। মেধা যেন শেষ পর্যন্ত মানুষের কল্যাণে কাজে লাগে, শিক্ষার্থীদের প্রতি সেই প্রত্যাশাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।

পিরোজপুর টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাজী মজিবুর রহমান বলেন, পরীক্ষার খাতায় জিপিএ–৫ পাওয়ার আনন্দের পাশাপাশি জীবনের খাতায়ও ভালো ফল করার প্রয়োজন আছে। আর সেই ফলের মাপকাঠি শুধু নম্বর নয়; সততা, বিনয়, নৈতিকতা ও মানবিকতা।

ঝালকাঠিতে প্রথম আলোর প্রতিনিধি আ স ম মাহমুদুর রহমান মাদক, মিথ্যা ও মুখস্থবিদ্যাকে ‘না’ বলতে শিক্ষার্থীদের শপথ পড়ান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক রহিমা খাতুন।

কৃতী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন মাহমুদ হাসান তাসনিম সুবাহ ও অর্ণিতা সরকার। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে—এমন প্রত্যাশা ছিল তাদের কথায়।

অনুষ্ঠানে ছিল সাংস্কৃতিক আয়োজনও। পিরোজপুর প্রিক্যাডেট স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মৃত্তিকা হাওলাদার নৃত্যে মুগ্ধ করে দর্শকদের। আবৃত্তি করেন সৌরভ ও মৃত্তিকা। পিরোজপুর বন্ধুসভার স্বাক্ষর, সৌরভ, নিপা, তিসমা ও মিরাজও গানে গানে মাতিয়ে রাখেন শিক্ষার্থীদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

‘আমি কি আমার মেয়ের সম্মাননাটি নিতে পারব’

আপডেট সময় : ০৭:০১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

‘মেয়ে আসতে পারেনি, তাই আমি এসেছি। আমি কি আমার মেয়ের সম্মাননাটি নিতে পারব’—কথাগুলো বলছিলেন কানিতা তাসনিম জিনিয়ার মা ডালিয়া নওশীন। মেয়ের সাফল্যে মায়ের কণ্ঠেও উচ্ছ্বাস। আজ সোমবার তিনি এসেছিলেন শিখো–প্রথম আলো জিপিএ–৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে।

প্রথম আলোর আয়োজনে ও শিক্ষার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘শিখো’র পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হচ্ছে জিপিএ–৫ প্রাপ্ত কৃতী সংবর্ধনা। ‘স্বপ্ন দেখো জীবন গড়ো’ স্লোগান নিয়ে সারা দেশে ২০২৬ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ–৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ৬৪ জেলায় এ সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে।

আয়োজনটি পাওয়ার্ড বাই বিকাশ এবং সহযোগিতায় থাকছে কনকর্ড গ্রুপ, ফ্রেশ, সেভয় আইসক্রিম, কনকা–গ্রি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, কোয়ালিটি গ্রুপ, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, জিংক বি, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ শাখা ক্যাম্পাস, আম্বার আইটি লিমিটেড, এটিএন বাংলা ও প্রথম আলো বন্ধুসভা।

সকাল ১০টায় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। এরপর স্বাগত বক্তব্যে প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রথম আলোর পিরোজপুর প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল হাসীব।

অনুষ্ঠানে অনুভূতি জানিয়ে বক্তব্য দেন মেয়ে কানিতা তাসনিম জিনিয়ার পক্ষে সম্মাননা নিতে আসা মা ডালিয়া নওশীন। মেয়ে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে ভর্তির কাজে ঢাকায় আছে। তাই মেয়ের পক্ষে সম্মাননা নিতে নিজেই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আসেন বলে জানালেন তিনি।

পরিশ্রম ও ভালো কাজের মধ্য দিয়ে নিজেদের আরও যোগ্য করে তুলতে অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান পিরোজপুর আফতাবউদ্দিন কলেজের অবসরপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ঈশ্বর চন্দ্র। মেধা যেন শেষ পর্যন্ত মানুষের কল্যাণে কাজে লাগে, শিক্ষার্থীদের প্রতি সেই প্রত্যাশাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।

পিরোজপুর টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাজী মজিবুর রহমান বলেন, পরীক্ষার খাতায় জিপিএ–৫ পাওয়ার আনন্দের পাশাপাশি জীবনের খাতায়ও ভালো ফল করার প্রয়োজন আছে। আর সেই ফলের মাপকাঠি শুধু নম্বর নয়; সততা, বিনয়, নৈতিকতা ও মানবিকতা।

ঝালকাঠিতে প্রথম আলোর প্রতিনিধি আ স ম মাহমুদুর রহমান মাদক, মিথ্যা ও মুখস্থবিদ্যাকে ‘না’ বলতে শিক্ষার্থীদের শপথ পড়ান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক রহিমা খাতুন।

কৃতী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন মাহমুদ হাসান তাসনিম সুবাহ ও অর্ণিতা সরকার। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে—এমন প্রত্যাশা ছিল তাদের কথায়।

অনুষ্ঠানে ছিল সাংস্কৃতিক আয়োজনও। পিরোজপুর প্রিক্যাডেট স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মৃত্তিকা হাওলাদার নৃত্যে মুগ্ধ করে দর্শকদের। আবৃত্তি করেন সৌরভ ও মৃত্তিকা। পিরোজপুর বন্ধুসভার স্বাক্ষর, সৌরভ, নিপা, তিসমা ও মিরাজও গানে গানে মাতিয়ে রাখেন শিক্ষার্থীদের।