ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাসে পাশে একজন বসতেই অচেতন হন রিদয়ন, নয় দিন পর ফেলে যাওয়া হয় মির্জাপুরে খুলনায় ১২ দিনে সাত খুনের পাঁচটির নেপথ্যে মাদক গাজীপুরের আন্দোলনের কারণে আসামি অনুপস্থিত, ট্রাইব্যুনালে কার্যক্রম চলেনি আজ জাপান সফরের চুক্তি ও বিনিয়োগ নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী মুকেশ আম্বানি এখন এশিয়ার সেরা ধনী, সম্পদ কত বাড়ল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে শ্রমিকদের অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ জমি দখলে নিতে বিধবা নারীর কাঁচা ধান কেটে নিলেন প্রতিপক্ষ প্রশাসনিক দুর্নীতি দমনে খলিফা ওমর (রা.) যে ব্যবস্থা নিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে ভয় দেখাতেন ‘সমন্বয়ক’, দাবি করেন ৫০ লাখ টাকা গাজীপুরে তালাবদ্ধ ঘর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার, খোঁজ নেই স্ত্রীর

চিংড়িতে জেল মিশিয়ে বিক্রি, দুই মাছ বিক্রেতার জরিমানা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে চিংড়ি মাছে জেলজাতীয় পদার্থ মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুই মাছ বিক্রেতাকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অনাদায়ে প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে দণ্ডপ্রাপ্তরা জরিমানার অর্থ পরিশোধ করায় তাদের কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়নি।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামশীদ ইরাম খান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের পুনতাইর পাছপাড়া গ্রামের আকবর ব্যাপারীর ছেলে খয়বর ইসলাম এবং রাখালবুরুজ ইউনিয়নের চাঁদপাড়া সিঙ্গা গ্রামের নীলা শেখের ছেলে শফিকুল ইসলাম।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ শহরের মৎস্য বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। এ সময় ওই দুই মাছ বিক্রেতার কাছে থাকা চিংড়ি মাছে জেলজাতীয় পদার্থ মেশানোর প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে তাদের আটক করে উপজেলা মৎস্য অফিসে নেওয়া হয়।

এরপর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামশীদ ইরাম খান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত দুই মাছ বিক্রেতার প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত দুই মাছ বিক্রেতা জরিমানার অর্থ পরিশোধ করায় তাদের কারাদণ্ড কার্যকর হয়নি।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘চিংড়ি মাছে জেলজাতীয় পদার্থ মেশানো জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। বাজারে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে অনিয়ম পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

চিংড়িতে জেল মিশিয়ে বিক্রি, দুই মাছ বিক্রেতার জরিমানা

আপডেট সময় : ১০:১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে চিংড়ি মাছে জেলজাতীয় পদার্থ মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুই মাছ বিক্রেতাকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অনাদায়ে প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে দণ্ডপ্রাপ্তরা জরিমানার অর্থ পরিশোধ করায় তাদের কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়নি।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামশীদ ইরাম খান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের পুনতাইর পাছপাড়া গ্রামের আকবর ব্যাপারীর ছেলে খয়বর ইসলাম এবং রাখালবুরুজ ইউনিয়নের চাঁদপাড়া সিঙ্গা গ্রামের নীলা শেখের ছেলে শফিকুল ইসলাম।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ শহরের মৎস্য বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। এ সময় ওই দুই মাছ বিক্রেতার কাছে থাকা চিংড়ি মাছে জেলজাতীয় পদার্থ মেশানোর প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে তাদের আটক করে উপজেলা মৎস্য অফিসে নেওয়া হয়।

এরপর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামশীদ ইরাম খান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত দুই মাছ বিক্রেতার প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত দুই মাছ বিক্রেতা জরিমানার অর্থ পরিশোধ করায় তাদের কারাদণ্ড কার্যকর হয়নি।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘চিংড়ি মাছে জেলজাতীয় পদার্থ মেশানো জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। বাজারে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে অনিয়ম পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’